জুন ও জুলাই মাসে বহু উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। কিন্তু এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে অপেক্ষায় রয়েছেন অনেক মহিলা। অনেকের আবেদন এখনও যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতেটাকা না পাওয়া মহিলাদের উদ্দেশ্যে বড় আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
যদিও মাসে প্রায় ১ লক্ষ EMI অনেক বড় অঙ্ক বলে মনে হয়, তবু অনেকের মতে সময়ের সঙ্গে বেতন ও পদোন্নতি বাড়ায় এই চাপ ক্রমশ কমে যায়। ব্যাঙ্ক ২০ থেকে ৩০ বছরের জন্য ঋণ দিলেও বাস্তবে বেশিরভাগ মানুষ এত দীর্ঘ সময় নেন না।
যারা কোনও ঝুঁকি ছাড়াই প্রতি মাসে টাকা উপার্জন করতে চান, তাদের জন্য পোস্ট অফিস মান্থলি ইনকাম স্কিম (MIS) আদর্শ স্কিম। আপনার স্ত্রীর সঙ্গে একটি যৌথ অ্যাকাউন্ট খুলে ১৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে আপনি প্রতি মাসে ৯,২৫০ টাকা সুদ পাবেন। ৭.৪% এর চমৎকার সুদের হার এবং সরকারি সুরক্ষাসহ এই স্কিমটির খুঁটিনাটি জেনে নিন।
আইটিআর জমা দেওয়ার ডেডলাইন রয়েছে ৩১ জুলাই। এই সময়সীমা বাড়তে পারে বলে জল্পনা। তবে সত্যিই কি ডেডলাইন বাড়াবে সরকার? জেনে নিন বিশেষজ্ঞদের মতামত।
ঘেমেনেয়ে ফিরে রাতে একটু এসি-র হাওয়ায় জিরিয়ে নিতে পছন্দ করেন সকলেই। তাই বৃষ্টি হলেও ঘরে ঘরে এসি চালানো বন্ধ হয়নি। তবে ভুল করেও এসি-র রিমোটে একটি সুইচ চিপবেন না। তাহলে বিরাট অঙ্কের ইলেকট্রিক বিল থেকে আপনাকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। কোন সুইচ সেটি?
পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, আগের মতোই ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) ব্যবস্থার মাধ্যমে সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা পাঠানো হবে। ভাতা বাড়ায় উপকৃত হবেন লক্ষ লক্ষ উপভোক্তা।
অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা অগাস্ট মাসে আবার ব্যাঙ্কে ঢুকবে। তবে এবার অনেকেই টাকা পাবেন না। বিশেষত, আয় একটা সীমার বাইরে থাকলে মিলবে না টাকা। আসুন জেনে নেওয়া যাক।
প্রচুর রেশন কার্ড বাতিল করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কী কী শর্ত পূরণ না করলে রেশন কার্ড রিজেক্ট হতে পারে? সেই তথ্য রইল নিবন্ধটিতে।
যদি আপনার বার্ষিক আয় ৪ লক্ষের কম হয়, তাহলে আয়কর বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে কর দিতে নাও হতে পারে, কিন্তু ৬টি কঠোর সরকারি নিয়ম আপনার জন্য আয়কর রিটার্ন (ITR) দাখিল করা বাধ্যতামূলক করে। আয়কর আইন, ১৯৬১-এর ধারা 139(1)-এ ৬টি নির্দিষ্ট পরিস্থিতির রূপরেখা দেওয়া হয়েছে যেখানে ITR দাখিল করা বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে।
বর্তমানে UPI লেনদেনে মোবাইল নম্বর ব্যবহারকারীর পরিচয় যাচাই এবং পেমেন্ট সম্পন্ন করার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে লেনদেনের সময় মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান থাকায় তা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রসঙ্গত, রাজ্য বাজেটে ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। এদিন সেইকথা শোনা গেল শুভেন্দু অধিকারীর মুখে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক থেকে শুরু করে লাইব্রেরিয়ান, সবখানেই শুধু নেই। আমরা রাজনৈতিক নিয়োগ বন্ধ করব। শিক্ষক-অধ্যাপক নিয়োগে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থাকবেন না।