Bajaj Pulsar 125 and Pulsar 150: আগামী ২৪ অগাস্ট বাজারে আপডেটের বাজাজ পালসার ১২৫ এবং পালসার ১৫০ আসছে। বর্তমানে এই সেগমেন্টের বাজারে এমনিতেই প্রতিযোগিতা তুঙ্গে।
মোবাইল রিচার্জের খরচ বাড়ছে। এদিকে রিচার্জ না করলে আজকাল একদিনও চলে না। অনলাইন ট্রানজাকশন থেকে শুরু করে ব্যাঙ্কিং, বিভিন্ন সরকারি স্কিম, সবেতেই ডেটা কানেকশন লাগে। আর তাছাড়া রিচার্জ না থাকতে ইনকামিংও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অনেকে কম বাজেটের মধ্য়ে প্ল্যানের সন্ধানে থাকেন।
EPFO Rule: ধরুন আপনি চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। তারপরও কিন্তু আপনার ইপিএফ অ্যাকাউন্ট বহাল তবিয়তে 'অ্যাকটিভ' থাকতে পারে। এটুকু মোটামুটি সকলেই জানেন। কিন্তু সেই অ্যাকাউন্টে কি আগের মতোই সুদ জমতে থাকবে?
সরকারের পক্ষ থেকে ৯টি সিমের লিমিট করে দেওয়া হয়েছে। এর বেশি সিম তোলা যাবে না। তাই তার আগে জেনে নিন আপনার কতগুলি সিম অ্যাক্টিভ রয়েছে। ঠিক কীভাবে জানবেন কতগুলি সিম চলছে? গোটা বিষয়টা জানন হল নিবন্ধটিতে। দ্রুত পড়ে নিন।
হাতে সময় আর মাত্র ২ দিন। ২৩ অগাস্ট শেষ হচ্ছে রান্নার গ্যাসের e-KYC জমা করার ডেডলাইন। কীভাবে ঘরে বসেই মোবাইলে জমা করবেন e-KYC? রইল স্টেপ বাই স্টেপ গাইড।
ধরা যাক, ৩০ বছর বয়সে কেউ ১০ লক্ষ টাকার Jeevan Umang কভার নিলেন এবং ৩০ বছরের প্রিমিয়াম পেমেন্ট টার্ম বেছে নিলেন। দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, তাঁর মোট প্রিমিয়াম প্রায় ৯,৪৮,৯৯০ টাকা।
নিরাপদ সঞ্চয়ের জন্য পোস্ট অফিস এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের বিভিন্ন স্কিম দারুণ বিকল্প। এখানে সুদের হারও বেশ ভালই। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোথায় বেশি লাভ।
MF vs EPF vs NPS vs PPF: বিনিয়োগ করার সময় রিটার্ন ও সুদের হারের পাশাপাশি প্রয়োজনে কত দ্রুত টাকা তোলা যাবে, সেটাও বিবেচনা করা জরুরি। মিউচুয়াল ফান্ড, ইপিএফ, এনপিএস এবং পিপিএফ-এর টাকা তোলার নিয়মকানুন ও প্রসেসিং টাইম ভিন্ন ভিন্ন। লিকুইড এবং ওভারনাইট ফান্ড থেকে দ্রুত টাকা তোলা যায়, অন্যদিকে এনপিএস এবং পিপিএফ-এর ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত রয়েছে। তবে অনলাইন প্রসেস ইপিএফ-এর ক্লেম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করেছে। চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা বা চাকরি হারানোর মতো পরিস্থিতিতে এই পার্থক্যটি তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে।
নতুন নিয়মে বিএসবিডি অ্যাকাউন্ট থাকা গ্রাহকরা মাসে ৪টে করে ফ্রি লিমিট পাবেন। তবে তার বেশি নগদ টাকা তুললেই দিতে হবে চার্জ।
আপনার আয়ুষ্মান কার্ড আছে কিন্তু এখনও e-KYC করেননি? তাহলে এখন আপনি আপনার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে বাড়ি থেকেই e-KYC করতে পারেন। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি জানুন এবং e-KYC সম্পন্ন করার পর কীভাবে আপনার আয়ুষ্মান কার্ড ডাউনলোড করবেন তা জেনে নিন।
রেলের কঠোর নিয়ম অনুযায়ী, অন্য কারও নামে ইস্যু করা টিকিট ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অন্যের টিকিটে ভ্রমণ করলে আপনাকে মোটা অঙ্কের জরিমানা দিতে হবে। ধরা পড়ার পরও এই নিয়ম অমান্য করলে আপনার জেল পর্যন্ত হতে পারে।