SIP to Make 1 Crore: ১০ বছরেই হবেন কোটিপতি, কত টাকার SIP করবেন? হিসেব রইল

কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন আপনার মনে থাকতেই পারে। আর সেই স্বপ্নপূরণ করাও সম্ভব। একটু হিসেব করে চললেই আপনি কোটিপতি হতে পারেন। এমনকী মাত্র ১০ বছরের মধ্যেই আপনি হয়ে যেতে পারেন কোটিপতি। ভাবছেন কীভাবে? তাহলে শুনুন সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট স্কিম বা SIP-এর মাধ্যমেই আপনি কোটিপতি হয়ে যেতে পারেন।

Advertisement
১০ বছরেই হবেন কোটিপতি, কত টাকার SIP করবেন? হিসেব রইল কোটিপতি হওয়ার ফর্মুলা
হাইলাইটস
  • মাত্র ১০ বছরের মধ্যেই আপনি হয়ে যেতে পারেন কোটিপতি
  • সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট স্কিম বা SIP-এর মাধ্যমেই আপনি কোটিপতি হয়ে যেতে পারেন
  • হিসেবটা জেনে নিন দ্রুত

কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন আপনার মনে থাকতেই পারে। আর সেই স্বপ্নপূরণ করাও সম্ভব। একটু হিসেব করে চললেই আপনি কোটিপতি হতে পারেন। এমনকী মাত্র ১০ বছরের মধ্যেই আপনি হয়ে যেতে পারেন কোটিপতি। ভাবছেন কীভাবে? তাহলে শুনুন সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট স্কিম বা SIP-এর মাধ্যমেই আপনি কোটিপতি হয়ে যেতে পারেন।

SIP নিয়ে দুই-চার কথা

অনেকেই SIP সম্পর্কে জানেন। আবার কারও কারও কাছে এই বিষয়টা সম্পর্কে তেমন একটা খবর নেই। তাই সকলের সুবিধার্তে দুই-এক কথায় SIP সম্পর্কে বলে রাখি।

আসলে SIP হল একটি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় প্রতিমাসে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করতে পারেন। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট থিমের মিউচুয়াল ফান্ডে টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। তাহলে সেই টাকাটা আপনার বেছে নেওয়া ফান্ড হাউজ তাদের থিমে থাকা স্টকের মধ্যে বিনিয়োগ করে দেবে। এটাই হল SIP। এর মাধ্যমেই আপনি হয়ে উঠতে পারেন কোটিপতি।

১০ বছরে কোটিপতি হতে কত টাকা করে জমাতে হবে?

ধরা যাক আপনি ১২ শতাংশ হারে রিটার্ন পাচ্ছেন বছরে। আর এই হিসেবে ৪৩০০০ টাকা প্রতি মাসে জমালে আপনি ১০ বছরে ১ কোটি টাকা পাবেন। এক্ষেত্রে আপনি ১০ বছরে জমিয়ে ফেলবেন ৫১.৬ লক্ষ টাকা। আর রিটার্ন পাবেন ৪৮.৪ লক্ষ টাকা।

আবার অনেক ক্ষেত্রে আপনি শেয়ারবাজার থেকে বেশি টাকাও রিটার্ন পেতে পারেন। সেক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ অ্যানুয়াল রিটার্ন পাওয়াও সম্ভব। আর এই পরিমাণ রিটার্ন পেলে মাত্র ৩৫ হাজার টাকা প্রতিমাসে SIP করেই ১০ বছরে পেয়ে যাবেন ১ কোটি টাকা।

আর যদি আরও বেশি রিটার্ন পান (১৮ শতাংশ হারে), তাহলে পেতে পারেন খুব বেশি রিটার্ন। এক্ষেত্রে মাসে ২৮০০০ টাকা করে SIP করলেও রিটার্ন পেতে পারেন ৩৩.৬ লাখ টাকা।

এই স্ট্র্যাটেজি মেনে চলুন

আপনাকে সবার আগে সঠিক ফান্ড বেছে নিতে হবে। যেমন ধরুন-

Advertisement

  • লার্জ অ্যান্ড মিড ক্যাপ ইক্যুয়েটি ফান্ডস
  • ফ্লেক্সি ক্যাপ ফান্ডস
  • নিফটি ৫০/নিফটি ৫০ ইন্ডেক্স ফান্ডস

এক্ষেত্রে হাইব্রিড বা ডেবট ফান্ড এড়িয়ে যেতে হবে। তাহলেই আপনি কোটিপতি হতে পারেন। আর একটা কথা, প্রতিমাসেই আপনাকে করতে হবে বিনিয়োগ।

বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।

POST A COMMENT
Advertisement