scorecardresearch
 

Ration: প্রবল আপত্তি অর্থমন্ত্রকের, ফ্রি রেশন বন্ধ করতে পারে কেন্দ্র

Ration: অর্থ মন্ত্রকের ব্যয় বিভাগ (ব্যয় দফতর) সেপ্টেম্বর ২০২২ থেকে বিনামূল্যে রেশন প্রকল্পের আরও বাড়ানোর বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। পাশাপাশি কর থেকে ছাড় দেওয়ার বিষয়েও বিরূপ মতামত দিয়েছে মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রক বলেছে যে বিনামূল্যে রেশন প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া বা ট্যাক্সে কোনও ত্রাণ দেওয়া সরকারের আর্থিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।

রেশন। রেশন।
হাইলাইটস
  • ফ্রি-তে রেশন বন্ধ করতে পারে কেন্দ্র
  • প্রবল আপত্তি জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রক
  • জানুন বিস্তারিত তথ্য

Ration: কোভিড মহামারির সময় থেকে দেশের কোটি কোটি দরিদ্র পরিবারকে দেওয়া 'ফ্রি রেশন' প্রকল্পটি শীঘ্রই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। অর্থ মন্ত্রকের ব্যয় বিভাগ (ব্যয় দফতর) সেপ্টেম্বর ২০২২ থেকে বিনামূল্যে রেশন প্রকল্পের আরও বাড়ানোর বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। পাশাপাশি কর থেকে ছাড় দেওয়ার বিষয়েও বিরূপ মতামত দিয়েছে মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রক বলেছে যে বিনামূল্যে রেশন প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া বা ট্যাক্সে কোনও ত্রাণ দেওয়া সরকারের আর্থিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।

খাদ্য ভর্তুকি বিল এত বাড়তে পারে

চলতি বছরের মার্চে কেন্দ্রীয় সরকার প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনাকে ছয় মাসের জন্য অর্থাৎ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে। সরকার এই বছরের বাজেটে খাদ্য ভর্তুকির জন্য ২.০৭ লক্ষ কোটি টাকা প্রস্তাব করেছিল। এটি ২০২১-২২ (FY22) আর্থিক বছরে ২.৮৬ লক্ষ কোটি টাকার কম ছিল। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর সঙ্গে খাদ্য ভর্তুকি বিল ২.৮৭ লক্ষ কোটি টাকায় বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদি এই প্রকল্পটি আরও ছয় মাসের জন্য বাড়ানো হয়, তবে এটি খাদ্য ভর্তুকি বিল ৮০ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে প্রায় ৩.৭ লক্ষ কোটি টাকা করতে পারে।

সরকারের আর্থিক স্বাস্থ্য খারাপ হওয়ার আশঙ্কা

প্রতিবেদন অনুসারে, সংশ্লিষ্ট বিভাগ স্পষ্টভাবে বলেছে যে কোনও কর ছাড় দেওয়া বা খাদ্য ভর্তুকি প্রকল্প এগিয়ে নেওয়া আর্থিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। বিভাগ জানিয়েছে, 'প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনা সেপ্টেম্বরের পরে বাড়ানো উচিত নয় বলে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা এবং আর্থিক অবস্থা উভয়ের ভিত্তিতেই এই পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে'। ব্যয় বিভাগ আরও বলেছে যে বিনামূল্যের রেশন প্রকল্প বাড়ানো, সার ভর্তুকি বাড়ানো, এলপিজিতে ভর্তুকি ফিরিয়ে আনা, পেট্রোল ও ডিজেলের উপর আবগারি শুল্ক হ্রাস, ভোজ্য তেলের উপর শুল্ক হ্রাস ইত্যাদির মতো সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তগুলি আরও খারাপ করেছে।

পেট্রোল-ডিজেলে স্বস্তির কারণে এত ক্ষতি
অর্থ মন্ত্রকের ব্যয় বিভাগ অনুসারে, গত মাসে পেট্রোল এবং ডিজেলের উপর শুল্ক হ্রাসের কারণে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। এবারের বাজেটে সরকার রাজস্ব ঘাটতি জিডিপির ৬.৪ শতাংশের সমান রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। ফিচ রেটিং অনুমান করে যে ভর্তুকি এবং কর ত্রাণের কারণে রাজকোষ ঘাটতি জিডিপির ৬.৮ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। এই সপ্তাহে মঙ্গলবার প্রকাশিত মোনালি অর্থনৈতিক পর্যালোচনাতে অর্থ মন্ত্রক ভর্তুকি এবং কর কমানোর বিরুদ্ধে একটি যুক্তিও উপস্থাপন করেছিল।