৩ হাজার টাকা SIP এ কোটিপতি হতে পারেনআজকাল অনেকেই স্বপ্ন দেখেন কোটিপতি হওয়ার। যদিও রাতের ঘুম ভেঙে গেলেই সম্বিৎ ফেরে। মনে হয়, এই কটা টাকা আয় করে আর যাই হোক, কোটিপতি হওয়া সম্ভব নয়। তবে সাধারণ মানুষের একাংশের এহেন ধারণাকেই ভুল বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, যে কোনও মানুষ একটু হিসেব করে টাকা জমালে, একটা সময়ের পর ১ কোটি টাকা অনায়াসে হাতে পেতে পারেন। এমনকী মাত্র মাসিক ৩ হাজার টাকা SIP করেও হওয়া যেতে পারে কোটিপতি। ভাবছেন কীভাবে? সেই উত্তরটাই দেওয়া হল নিবন্ধটিতে।
আসলে সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা SIP হল মিউচুয়াল ফান্ডে ইনভেস্টমেন্টের সহজ পথ। এই পদ্ধতিতে প্রতি মাসে অল্প কিছু টাকা জমিয়ে যেতে হবে। তাহলেই মিলবে ভালো পরিমাণ রিটার্ন। হাতে পাবেন একগাদা টাকা।
এখন প্রশ্ন হল, এসআইপি-এর সাহায্যে কীভাবে মাত্র ৩০০০ টাকা জমিয়ে হতে পারবেন কোটিপতি? সেই উত্তর জানতে পড়ুন।
হিসেবটা কী?
ঐতিহাসিকভাবে দেখা গিয়েছে, এসআইপি করলে বছরে মোটামুটি ১২ থেকে ১৩ শতাংশ রিটার্ন পাওয়া যায়। এবার আপনি যদি মাসে মাত্র ৩ হাজার টাকা করে ৩০ বছর ইনভেস্ট করেন, তাহলেই পেতে পারেন ১ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে মাসে ৩ হাজার টাকা করে ৩০ বছর জমাবেন ১০৮০০০০ টাকা। তবে, চক্রবৃদ্ধি হারে আপনার টাকা বেড়ে ১ কোটিতে পৌঁছে যেতে পারে। এটাই হল সহজ হিসেব।
তবে অনেকেই আরও কম সময়ের মধ্যে কোটি টাকা পেতে চান। সেক্ষেত্রেও রাস্তা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইনভেস্ট করতে হবে একটু বেশি টাকা।
যদি ৫ বছরে কোটিপতি হতে চান, তাহলে প্রতিমাসে জমাতে হবে ১২০০০০ টাকা। ১০ বছরে হতে চাইলে ৪৩০০০ থেকে ৪৫০০০ টাকার মধ্যে প্রতিমাসে এসআইপি করুন। ১৫ বছরে চাইলে ২০০০০ টাকা করে এসআইপি করা জরুরি। ২০ বছরে কোটিপতি হাওয়ার ইচ্ছে থাকলে ১০০০০ থেকে ১২০০০ টাকা জমান। এছাড়া ২৫ বছর ধরে মাসে ৬০০০০ টাকা জমিয়েও আপনি কোটিপতি হতে পারেন।
তবে একটা কথা বলি, কোন ফান্ডে বিনিয়োগ করছেন, সেটাও দেখা জরুরি। নইলে তেমন একটা রিটার্ন পাবেন না। পৌঁছাতে পারবেন না কাঙ্খিত লক্ষ্যে।
পরিশেষে বলি, এই নিবন্ধে যেই হিসেবটা দেওয়া হয়েছে, সেটা অনুমানভিত্তিক। এটা শিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। তাই আমাদের প্রতিবেদন পড়েই বিনিয়োগ করতে শুরু করবেন না। তার আগে নিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ। এমনকী নিজেও রিসার্চ করেই বিনিয়োগ করুন।