multibagger stockউত্থান-পতন লেগেই থাকে শেয়ারবাজারে। কখন কোন স্টক বিনিয়োগকারীদের মালামাল করে তুলবে তা ঠাওর করা যায় না। এমন একটি মাল্টিব্যাগার স্টক, যা বিনিয়োগকারীদের লাভে ভরিয়ে দিয়েছে। মাত্র ১০ বছরে রাসায়নিক শিল্পের একটি সংস্থা দীপক নাইট্রেটের শেয়ারের ঊর্ধ্বমুখী গতি স্তম্ভিত করে দেওয়ার মতো।
দীপক নাইট্রেইটের দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারীরা মালামাল হয়েছেন। ২০১০ সালের পর সংস্থার শেয়ার রকেট গতিতে উপরে উঠেছে। যে বিনিয়োগকারীরা এই শেয়ারে মাত্র ১৩,০০০ টাকা বিনিয়োগ করেছিল তাঁরা আজ কোটিপতি। ২০০২ সালে ১৫ নভেম্বর শেয়ারের দাম ছিল মাত্র ২.৮৩ টাকা। এক দশক ধরে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। ২০১০ সালের পর আচমকা তেজি আসে শেয়ারে।
২০১০ সালের ১ অক্টোবর এই রাসায়নিক কোম্পানির শেয়ারের দাম ছিল ১৭.৮১ টাকা। ২০১৬ সালের ৫ আগস্ট প্রথমবার ১০০ টাকায় পৌঁছয়। ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্ব দীপক নাইট্রেটের একটি শেয়ারের দাম বেড়ে হয় ৯২২ টাকা। গত ২ বছরে শেয়ারের বৃদ্ধিতে কোনও বাধা আসেনি। ২০২১ সালের ১৫ জানুয়ারি ১০০০ টাকা অতিক্রম করে শেয়ারদর। গত বছর ১৪ অক্টোবর তা সর্বকালের সর্বোচ্চ দাম ২৮৯৭.৮০ টাকায় পৌঁছয়। তার পর বিনিয়োগকারীরা লাভ তোলায় কমতে শুরু করে দাম।
২০২২ সালের ১৪ জানুয়ারি দীপক নাইট্রেটের শেয়ারের দাম ছিল ২,৬৫৯ টাকা। যা ২০২২ সালের ২০ মে কমে দাঁড়ায় ১,৯৬৪ টাকায়। পরে সামান্য বাড়ে শেয়ার। ১১ নভেম্বর, শুক্রবার গত সপ্তাহের শেষ ব্যবসায়িক দিনে সংস্থার শেয়ার বন্ধ হয়েছে ২১১৯ টাকায়। সংস্থার বাজারমূল্য ২৮,৯০১.৬৯ কোটি টাকা।
যদিও এই স্টক বিনিয়োগকারীদের জন্য বাম্পার লটারিতে পরিণত হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দাম ছোঁয়ার পর থেকে এই স্টক নিম্নমুখী। তাই বিশেষজ্ঞরাও পরামর্শ দিচ্ছেন, শেয়ার থাকলে বেচে লাভ তুলে নিন। এইচডিএফসি সিকিউরিটিজের মতে,কাঁচামাল, পরিবহণ এবং আনুষঙ্গিক খরচ সংস্থার লাভে প্রভাব ফেলতে পারে।
আরও পড়ুন- ভেজাল গুড় কিনছেন না তো? গুড় কেনার সময় এই ৩ উপায়ে চিনে নিন আসল-নকল