scorecardresearch
 

Weight Loss Viral Transformation journey : ১৯৪ কেজি থেকে ৮৩ কেজি, চেন্নাইয়ের চিকিৎসকের ভাইরাল Transformation

ছিল রুমাল, হয়ে গেল বিড়াল। ১৯৪ কেজি ওজন থেকে মাত্র ২ বছরে নেমে এলেন ৮৩ কেজিতে। বেঙ্গালুরুর চিকিৎসকের ভাইরাল Transformation.

১৯৪ থেকে ৮৩ কেজি ১৯৪ থেকে ৮৩ কেজি
হাইলাইটস
  • ১৯৪ কেজি থেকে ৮৩ কেজি
  • চেন্নাইয়ের চিকিৎসকের ভাইরাল Transformation
  • তাঁর জার্নি এখন দেশের জনতার কাছে অনুপ্রেরণা

Waight Loss Transformation Journey : কেউ খুব ভাল বলেছেন যদি আপনি আপনার শরীরের বদল দেখতে চান তাহলে সবার আগে আপনি আপনার চিন্তাভাবনা বদলান। এই বিষয়টি পুরোপুরি সত্যি এবং কোনও কাজই করার আগে তার আগে নিজের মস্তিষ্কের মধ্যে তার বিশ্বাস এবং তা নিশ্চিত করে তার পরই এগোনো উচিত। সঠিক পদ্ধতি ফলো করতে হবে। এর পরে আপনি লক্ষ্য পর্যন্ত পৌঁছতে পারবেন। আজ আমরা আপনাকে এমন একটি ওয়েট লস ট্রান্সফরমেশনের স্টোরির বিষয়ে জানাব। এখানে এক চিকিৎসক নিজের প্রায় ১১০ কেজি ওজন কম করে দিয়েছে। এর চেয়ে বেশি ওজন কম করা মাত্র দু'বছর সময় লেগেছে। এখন মানুষ মনে করছে যে ওজন কম করা খুব মুশকিল। কিন্তু চিকিৎসকদের বক্তব্য অনুযায়ী এটা সহজ। আসুন জেনে নিই ইন্সপায়ার্ড ফিটনেস জার্নির বিষয়।

নাম (Name) ডাক্তার অনিরুদ্ধ দীপক (Dr Aniruddha Deepak)

বয়স (Age) ২৮ বছর (28 years)

পেশা (Occupation)চিকিৎসক, সার্টিফাইড নিউট্রিশনিস্ট (Doctor, Certified Nutritionist)

শহর (City) চেন্নাই (Chennai)

উচ্চতা (Height) ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি, ১৭০ সেন্টিমিটার (170 cm)

সর্বাধিক (Highest Weight) ওজন ১৯৪.৫ কেজি (194.5)

বর্তমান (Present Wight) ৮৩ কেজি (৮৩ Kg)

 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Fittr (@fittrwithsquats)

ভবিষ্যত ভিউচার প্লান (Future Plan) ফিটনেসের জন্য লোকেদের গাইড করা (Guide Others for fitness)

১৯৪ থেকে ৮৩ কিলো পর্যন্ত ফিটনেস জার্নি

ডাক্তার অনিরুদ্ধ aajtak.in কে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে আমার ছোট থেকেই খাওয়া-দাওয়ার অত্যন্ত পছন্দ। আমি নানা রকম খাবার খেতে ভালোবাসি। সেই কারণেই আমি এত বেশি খাওয়া শুরু করি। আমার ওজন বাড়তে থাকে এবং আমি তার উপর কখনও গুরুত্ব দিইনি। এটাই আমার শরীরকে যে অত্যধিক ওজনে নিয়ে যাচ্ছে সেটাও ভাবিনি। আমি পিজা, বার্গার, হটডগ, ফ্রাইড ফুড খেতেই থাকতাম। যখন পর্যন্ত পেট ভরে না ততক্ষণ পর্যন্ত আমি সমস্ত জিনিস পেটে ঢুকিয়ে যেতে থাকতাম।

ওজনের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়

যখন ২০১৮ তে আমি এমবিবিএস এর জন্য কলেজে এডমিশন নিই, তখন আমার ইটিং হ্যাবিটস বদলাইনি। এরপরে কিছু সময় পরে আমার শরীর অতটা খারাপ হতে শুরু করে। যে আমাকে হসপিটালে এডমিট হতে হয়। ওই সময় ডক্টর আমাকে জানান যে আমি আগামী তিন মাসে কোনও বড় রোগের মধ্যে পড়তে পারি এবং আমার সুস্থভাবে বাঁচার আশা খুব কম। ওই সময় আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় এবং টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়। যখন আমি মনে এটা নিশ্চিত করেনি যে আমার ওজন কম করতে হবে।

ফিটনেস কমিউনিটিতে যোগ দেন 

তিনি বন্ধুদের সঙ্গে ফিটনেস কমিউনিটির সঙ্গে জড়িত হতে শুরু করেন। আমি যখন এই কমিউনিটিতো যোগ দিই এবং ফিটনেস গুরুর সঙ্গে কথা বলি, তখন তিনি আমাকে আমার ওজন মাপতে বলেন। এরপরে আমি কখনও নিজের ওজন চেক করিনি। এরপর যখন আমি আমার প্রথম ওয়েট মেশিনে ওজন চেক করি তখন ১৯৪.৫ কিলো বেরোয়। এরপর ট্রেনার আমাকে মোটিভেট করেন এবং আমার ফিটনেস জার্নি শুরু হয়। ডায়েট এবং ওয়ার্ক আউটের সঠিক কম্বিনেশনে আমি প্রায় দু'বছরে ১১০ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেছি। জানান ডক্টর অনিরুদ্ধ। তিনি জানিয়েছেন যে আমাকে আমি মন থেকে নিশ্চিত করেনি যে আমাকে কোন পরিস্থিতিতেই ওজন কম করা হতে হবে আমার জার্নির এই সময় লকডাউন শুরু হয়ে যায়। কিন্তু আমি সেই সময় নিজের ডায়েটের কাউকে কোনও রকম চিট করিনি। আমি ১১০ কেজি ওজন কম করেছি। যদিও ওজন কমাতে গিয়ে আমার স্ক্রিন ঝুলে যায়। তার জন্য আমি সার্জারি করাই এবং এক্সট্রা স্কিন ডাক্তাররা বের করে দেন।

দীপকের ডায়েট

ডক্টর অনিরুদ্ধ জানান তিনি ডায়েটিং নয় বরং নিউট্রিশনে ওজন কম করেছেন। কোয়ান্টিফাইড নিউট্রেশন (Quantified Nutrition) কী? যাতে আপনি খাদ্যগুণের মাত্রা দেখে ঠিক করে রাখবেন, কতটা খাচ্ছেন সঙ্গে আপনার ক্যালোরি এবং মাত্রার বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। এরপরে প্রোটিন, ফ্যাট কার্বহাইড্রেট এর মাত্রা ভারসাম্য এনে খাবার খেতে হবে। তিনি রোজ ২০০০ ক্যালোরি খাবার খেতেন, এবং সেই সময়ে নিজের অ্যাক্টিভিটি বানিয়ে ফেলেন।

ডঃ অনিরুদ্ধের খাবার

ব্রেকফাস্ট ভাত অথবা রুটি, সালাড

স্ন্যাক্স বাদাম, ছোলা

দুপুরের ভোজন ভাত রুটি ডাল অথবা ছোলা অথবা রাজমা সবজি দই

ইভিনিং স্নাক্স হোয়ে প্রোটিন

রাতের খাবার ভাত বা রুটি পনির-সবজি

অনিরুদ্ধ জানিয়েছেন জামায়াতের সময়ে হিসেবে বদলে গিয়েছে আমি কিছু কিছু আলাদা বানিয়ে খেতে শুরু করি। আমি শুধু আমাকেই বদলাতে থাকি।

ওজন কম করার জন্য টিপস

ডক্টর অনিরুদ্ধ বলেন ওজন কম করতে হলে আমাকে সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটি সাহায্য করে সেটি আমার গোল। আমার মাথার মধ্যে ঢুকিয়ে নেওয়া আমাকে এটা করতেই হবে। শুরুতে আমি ভেবে নিয়েছিলাম যে আমার লক্ষ্য স্থির। তাই আমি সেই জায়গাটিকে পার হতে পেরেছি। মাঝপথে প্রলোভনে পা দিলে চলবে না। সুস্বাদু খাবার বা অন্যান্য বিষয়গুলির যেন আমাকে আমার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত না করতে পারে এটি ঠিক করতে পারলেই বাকিগুলি অটোমেটিকালি হয়ে যাবে। তবে যেকোন ফিটনেস ট্রেনিং এর ক্ষেত্রে সার্টিফাইড কোচের অধীনে এটি করা উচিত।