scorecardresearch
 
 

"ক্লাসে চুপ করে বোসো," শুনেই খেপে গিয়ে শিক্ষককে রড দিয়ে পেটালো ছাত্র

শিক্ষক চুপ করে ক্লাসে বসতে বলেছিল, বদলা নিতে দিল্লির রণহোলা থানা এলাকায় সিনিয়র সেকেন্ডারি সরকারি স্কুলের ছাত্র নিজের শিক্ষককে লোহার রড দিয়ে এমন মার মেরেছে, শিক্ষক এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।

শিক্ষক পিটিয়ে জেলে ছাত্র শিক্ষক পিটিয়ে জেলে ছাত্র
হাইলাইটস
  • শিক্ষককে রড দিয়ে বেধড়ক মার ছাত্রের
  • ক্লাসে শান্ত হয়ে বসতে বলায় ক্ষোভ
  • গ্রেফতার ছাত্রকে জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ

বয়েজ স্কুলের এক ছাত্র পড়াশোনা ঠিকমতো করে না। শিক্ষক যে টাস্কই দেন তাতে সে বহু যোজন পিছনে। ক্লাস ইলেভেনের দুবার ফেল করে বসে আছে সে। লকডাউনের পর স্কুল খোলার পরেও অন্যান্যদের সঙ্গে স্কুলে পৌঁছেছিল ছাত্রটি। যেখানে এমন ঘটনা ঘটল তাতে দেশজুড়ে এখন শিরোনামে সেই পিছিয়ে থাকা ছাত্রই।

শিক্ষককে রড দিয়ে মার

দিল্লির রণহোলা থানা এলাকায় সিনিয়র সেকেন্ডারি সরকারি স্কুলের ছাত্র নিজের শিক্ষককে লোহার রড দিয়ে এমন মার মারল, শিক্ষক এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এর পরই পুলিশ স্কুলে পৌঁছয় এবং অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ছাত্রকে গ্রেফতার করে নিয়ে গিয়েছে।

শান্ত হয়ে বসতে বলায় ক্ষোভ

অভিযুক্ত ছাত্রটি সরকারিভাবে ক্লাস ইলেভেনের ছাত্র পাস করে গেলে অবশ্য তার কলেজে পড়ার কথা। ২১ বছরের ওই ছাত্র শনিবার ক্লাসে টিচার উপস্থিতিতে চিৎকার চেঁচামেচি করছিল। এর মধ্যে টিচার তাকে ঠিক মত চুপচাপ বসে থাকার নির্দেশ দেন। যে নির্দেশ পাওয়ার পরেই তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে ওই ছাত্রটি।

কোনও মতে প্রাণ রক্ষা পায়

ক্লাস শেষ হওয়ার জন্য় অপেক্ষা করে সে। পরে ক্লাস শেষ হলে ওই শিক্ষকের উপর একটি লোহার রড নিয়ে এসে হামলা করে। এলোপাথাড়ি রড দিয়ে মারার ফলে গুরুতর জখম হয় শিক্ষক। অন্যান্য ছাত্র না এসে কোনও রকমে শিক্ষককে ওই ছাত্রের হাত থেকে বাঁচায়।

জেল হেফাজতে ওই শিক্ষক

আপাতত পুলিশ ওই ছাত্রকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং জেল হাজতে পাঠিয়ে দিয়েছে। পরে তার বিচার হবে। সকলের এখন প্রার্থনা শিক্ষক যেন প্রাণে বেঁচে যাযন। তাতে ছাত্রেরও সাজা কিছুটা কম হবে। নইলে খুনে অভিযুক্ত হবে সেষ

৫০ শতাংশ ছাত্র নিয়ে স্কুল খুলেছে

ডিডিএমএ-এর দ্বারা জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী দিল্লিতে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল আপাতত বন্ধ থাকছে। নবম শ্রেণি থেকে স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেখানে ক্লাস টুয়েলভ পর্যন্ত ৫০ শতাংশ ছাত্র নিয়ে ক্লাস হবে। একদিন অন্তর ছাত্ররা স্কুলে যেতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। এরই মধ্যে এমন ঘটনায় হতচকিত গোটা দিল্লি।