scorecardresearch
 
উত্তরবঙ্গ

জন্ম ১০ হরিণ শাবকের! পর্যটনের নয়া দিশা দেখাচ্ছে মালদার আদিনা মৃগদাব

করোনা আবহে বন্ধ
  • 1/8

করোনা আবহে বন্ধ পর্যটক। নেই পর্যটকদের আনাগোনাও। এর মধ্যেই মালদার আদিনা মৃগদাবে জন্ম হল ১০টি হরিণ শাবকের। এনিয়ে আদিনা মৃগদাবে হরিণের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮০।

মালদহ শহর থেকে
  • 2/8

মালদহ শহর থেকে এই মৃগোদ্যানের দূরত্ব প্রায় ২১ কিলোমিটার। এখানেই বনাঞ্চলের গা ঘেঁষে রয়েছে প্রাচীন সুলতানী সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন। ইতিহাসের টানেও এখানে বেশ ভালো সংখ্যায় পর্যটক আসেন। প্রাচীন বাংলার রাজধানী গৌড় ও বৌদ্ধবিহার সমৃদ্ধ জগজীবনপুরের পাশাপাশি পর্যটনের ক্ষেত্রে মালদহ জেলার অন্যতম জায়গা আদিনা মৃগদাব। 

এতোগুলি হরিণশাবকের
  • 3/8

এতোগুলি হরিণশাবকের জন্ম হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই খুশির আবহ আদিনা ফরেস্টের কর্মী ও আধিকারিকদের মধ্যে। যদিও কোভিড আবহের জেরে আদিনা ডিয়ার পার্ক-সহ জেলার সমস্ত পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। তবে আদিনা ফরেস্টের দরজা খুললেই হরিণের টানে পর্যটকদের ছুটে আসবেন, এমনটাই মনে করছেন বনআধিকারিকরা। 

আদিনা ফরেস্টের
  • 4/8

আদিনা ফরেস্টের বিট অফিসার মহাম্মদ আখতারুজ্জামান বলেন, "হরিণ শাবকগুলি বেশ ভালো আছে। আলদা করে ঘাস দেওয়া হচ্ছে হরিণ শাবকদের। প্রয়োজন অনুসারে ওষুধও দেওয়া হচ্ছে। 
 

এই আদিনা মৃগদাবকে
  • 5/8

এই আদিনা মৃগদাবকে আরও আকর্ষনীয় করে তুলে পর্যটক টানতে ইতিমধ্যে ঢেলে সাজানো হয়েছে। তৈরি হচ্ছে ইকোপার্ক। পর্যটকদের আকর্ষণ করতে  দার্জিলিং চিড়িয়াখানা থেকে নিয়ে আসা হয়েছে গোল্ডেন ফিজেন্ট ও সিলভার ফিজেন্ট পাখি। পাখিগুলির বাসস্থান আসলে চিনের গভীর জঙ্গলে।
 

১৯৮০ সালে মালদহের
  • 6/8

১৯৮০ সালে মালদহের গাজোলের পাণ্ডুয়া পঞ্চায়েত এলাকার আদিনায় ১৭১ একর জঙ্গলে মাত্র কয়েকটি হরিণ নিয়ে পথচলা শুরু হয়েছিল এই মৃগদাবের। পরে হরিণের প্রজনন কেন্দ্রে পরিণত হয় আদিনা মৃগদাব। প্রায় প্রতি বছরই এখান থেকে হরিণ নিয়ে যাওয়া হয় ডুয়ার্সের বিভিন্ন জঙ্গলে। বর্তমানে এই মৃগদাবে হরিণের সংখ্যা দাঁড়াল ৮০।
 

শুধু তাই নয়
  • 7/8

শুধু তাই নয়, প্রতি বছরই এখানে প্রজননের তাগিদে ছুটে আসে হাজার হাজার শামুকখোল। বাসা বেঁধে, ডিম পেড়ে এবং ছানাদের বড়ো করে ফের উড়ে যায় দূরদিগন্তে। এই ভাবেই ধীরেধীরে আদিনা মৃগদাব ক্রমশ হয়ে উঠেছে  মালদা জেলার  পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ এর কেন্দ্রবিন্দু। 

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন,
  • 8/8

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শুধু হরিণ কিংবা শামুকখোল নয়, বহু বিরল প্রজাতির পরিযায়ী পাখি এখানে উড়ে এসে সমৃদ্ধ করে আদিনার জঙ্গলকে। রয়েছে বিভিন্ন ধরণের সাপও। সেই সঙ্গে রয়েছে ভাম, গন্ধগোকুল, বেজি, শেয়াল সহ বিভিন্ন ধরণের সরীসৃপ। উদ্ভিদ বিদ্যার ক্ষেত্রেও বিপুল সম্ভার রয়েছে আদিনায়। মালদহের জেলা বনাধিকারিক বি.সিদ্ধার্থ জানান, বর্তমানে আদিনা ফরেস্টে  ১০টি বাচ্চা হরিণর বাচ্চার জন্ম হয় আমরা খুশি। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সমস্ত ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।