scorecardresearch
 

চিতাবাঘ না ফিশিং ক্যাট! আতঙ্কে ঘুম উড়েছে কোচবিহারের বাসিন্দাদের

পায়ের ছাপে আতঙ্ক। চিতাবাঘ না ফিশিং ক্যাট, নিশ্চিত নন কেউ। তবে বনদফতর ঝুঁকি নিতে চায়নি। পাশাপাশি আতঙ্ক কমাতে খাঁচা পাতা হয়েছে। ঘুম উড়েছে এলাকাবাসীর।

চিতাবাঘে রহস্য চিতাবাঘে রহস্য
হাইলাইটস
  • রসিকবিল এলাকায় চিতাবাঘের আতঙ্ক
  • চিতাবাঘ দেখেছেন এক বাইক আরোহী, দাবি
  • খাঁচা পাতলো বন দফতর, এলাকায় আতঙ্ক

এবারে চিতাবাঘের আতঙ্ক ছড়ালো কোচবিহারে। কোচবিহারে ফিশিং ক্যাট দেখা গেলেও চিতাবাঘ খুব একটা শোনা যায় না। তবে এর আগেও কয়েকবার বিক্ষিপ্তভাবে দেখা গিয়েছিল। তবে নতুন করে চিতাবাঘের আতঙ্ক ছড়ানোতে এলাকা থমথমে। সকলেই ভয়ে এই যদি মুখোমুখি পড়তে হয়।

বাইক আরোহীর নজরে শ্বাপদ

শুক্রবার রাতে জেলার পর্যটনকেন্দ্র রসিকবিলের বনাঞ্চল এলাকা লাগোয়া লোকালয় এলাকাতে চিতাবাঘের আতঙ্ক ছড়িয়েছে ৷ রসিকবিল লাগোয়া এলাকা থেকে কামাখ্যাগুড়ি যাওয়ার পথে রাজ্য সড়কের পাশে বনাঞ্চলে এক বাইক আরোহী চিতাবাঘটিকে দেখতে পান বলে দাবি করেছেন ওই ব্যক্তি। 

রসিক বিল এলাকায় আনাগোণা

এর পর রসিকবিল প্রকৃতি পর্যটন কেন্দ্রের বনকর্মীদের খবর দিলে তাঁরা ওই বনাঞ্চল এলাকায় এসে কিছু জন্তুর পায়ের ছাপ দেখতে পান। তা দেখে তাঁদের মনেও সন্দেহ হয়। তবে তাঁরা প্রাথমিকভাবে ওটা চিতাবাঘেরই পদক্ষেপের ছাপ কি না, তা নিশ্চিত নন। তবে ঝুঁকিও নিতে চাননি তাঁরা।

খাঁচাপাতা হয়

এরপরই বনদপ্তরের কর্মীরা তড়িঘড়ি এলাকায় সাবধানতা অবলম্বন করতে এবং যদি চিতাবাঘ থেকে থাকে, তাহলে তা খাঁচাবন্দি করতে খাঁচা পাতা হয় এলাকায়।

ফিসিং ক্যাট না চিতাবাঘ!

জানা গিয়েছে, এর আগেও বারংবার চিতাবাঘের আতঙ্ক দেখা গিয়েছে গ্রামে। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই এলাকায় ফিসিং ক্যাট আছে প্রচুর সংখ্যায় ৷ আদৌ চিতাবাঘ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে বন দপ্তর৷

 
; ; ;