স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই ফকিরেরকুঠি এলাকায় একপ্রকার সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল ঘাসফুল শিবিরের কিছু নেতা ও পঞ্চায়েত সদস্য। গরিব মানুষের আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে জমি কেনাবেচা, সবেতেই চলত অবাধ তোলাবাজি।
Balurghat Law College Fake Certificate Scam: ঘটনাটি জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে। অভিযুক্ত ওই নেত্রীর নাম শাশ্বতী দাস। কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে বালুরঘাট ল' কলেজ কর্তৃপক্ষ। শুক্রবারই কলেজের তরফে ওই নেত্রীকে ‘শো-কজ়’ নোটিস ধরানো হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় আসল নথি সহ তাঁকে লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Minor Girl Kidnapping Case Malda: মূল অভিযুক্ত অধরা থাকলেও, তার বাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম আব্দুল মালেক (৪৩)। তাঁর বাড়ি মালদা জেলার গাজোল থানার মহানগর গ্রামে। অপহৃত নাবালিকা উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার থানার মান্নাই গ্রামের বাসিন্দা। ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরী স্থানীয় একটি হাইস্কুলের নবম শ্রেণীতে পড়ে।
বন্দি নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নজরে আসতেই কার্যত বজ্রপাত হয় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীদের মাথায়। শোরগোল পড়ে যায় সংশোধনাগার ও জেলা পুলিশ প্রশাসনের অন্দরে। খবর পাওয়া মাত্রই বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
Coochbehar TMC Cut Money Scam: ঘুঘুমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭৩ নম্বর বুথের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য জ্যোৎস্না বর্মনের বাড়ি লক্ষ্য করে হঠাৎই তীব্র গণবিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার শয়ে শয়ে বাসিন্দা। বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট অভিযোগ, আবাস যোজনার সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ৫ হাজার থেকে শুরু করে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কাটমানি বা তোলা আদায় করেছিলেন ওই তৃণমূল সদস্য ও তাঁর অনুগামীরা।
বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট অভিযোগ, দীর্ঘ এক সপ্তাহ ধরে অন্ধকারে কাটছে দিনরাত। বিদ্যুৎ দফতরে বারবার তদ্বির করেও কোনও লাভ হয়নি। তীব্র গরমে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছিল সাধারণ মানুষকে। আর সেই ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটে এ দিন। জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় বালুরঘাট-হিলি রুটে সম্পূর্ণ যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে যায়
অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে প্রথম থেকেই কড়া শুভেন্দু অধিকারী সরকার। সেই মতো সীমান্ত এলাকায় ড্রোন ব্যবহার করছে কোচবিহার পুলিশ। এর প্রধান উদ্দেশ্য হল অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ভারতে ঢুকছে কি না, সেই দিকে নজর রাখা।
কাটমানির টাকা না দিলে মিলছে না ব্যাংকের পাশবুকও। এই চাঞ্চল্যকর তোলাবাজির ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল মালদার ইংরেজবাজারে। নিজেদের হকের টাকা ফেরত পেতে এবং ওই পঞ্চায়েত সদস্যের শাস্তির দাবিতে এদিন ইংরেজবাজারের বিডিও (ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক)-এর দ্বারস্থ হয়েছেন যদুপুর ১ ও ২ নম্বর ব্লকের একঝাঁক প্রতারিত উপভোক্তা।
এদিনের হাইপ্রোফাইল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তাও। তাঁকে পাশে রেখেই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, বিমল গুরুং ও রোশন গিরিদের দাবিকে পূর্ণ মান্যতা দিয়ে পাহাড়ে সার্বিক উন্নয়নের গতি বাড়াতে সমস্ত জট কেটে কাজের রাস্তা পরিষ্কার করে দেওয়া হলো।
BJP Leader Rupesh Agarwal Attacked: রাতের অন্ধকারে তাঁকে দোকান থেকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে, রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। হামলায় ফেটে গিয়েছে ওই বিজেপি নেতার মাথা। রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম অবস্থায় বর্তমানে তিনি হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
Medical College Hospital Coochbehar: সমগ্র কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, ‘আমি কোচবিহারের মানুষকে কথা দিয়েছিলাম, রাজ্যে (বিজেপি) ক্ষমতায় আসলে এই ক্যানসার সেন্টারটির পরিকাঠামো উন্নয়ন করা হবে আমার প্রথম কাজ। ক্ষমতার অলিন্দে না থাকলেও সেই দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতেই আজ পুলিশ ও প্রশাসনের সমস্ত অনুমতি নিয়ে আমি এখানে এসেছি।