মালদায় একদা কংগ্রেসের পরিচিত মুখ ছিলেন কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ। মমতা সরকারের আমলে মন্ত্রীও হয়েছিলেন। পরবর্তীকালে তৃণমূল কংগ্রেসে বহুদিন ধরেই সাইডলাইনে চলে গিয়েছিলেন। 'বড় ছাতা' মানে কি তিনি ফের কংগ্রেসে ফিরতে চাইছেন? নাকি রাজ্যের শাসকদল বিজেপি-র ছাতার তলায় যেতে চাইছেন। কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ যদি কংগ্রেসে ফিরতে চান, তা হলে প্রদেশ কংগ্রেস কি তাঁকে নেবে?
Jalpaiguri News: জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষককেই তাড়া করে মারধর করার চেষ্টার অভিযোগ ছাত্রদের বিরুদ্ধে।
জিটিএ তে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ফের কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। দুর্নীতির তদন্ত, এফআইআর এবং গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। লুটের টাকা ফেরত নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন। পাহাড়ের উন্নয়নে জিটিএর বাজেট দ্বিগুণ করা হয়েছে। কালিম্পংয়ে মেডিক্যাল কলেজ এবং বিপর্যয় মোকাবিলায় ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথাও বৈঠকে জানানো হয়েছে।
দুর্গাপুজোর আগে চা শ্রমিকদের ২০ শতাংশ বোনাস দেওয়া হবে। মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
পাহাড়ি এলাকায় আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন এবং দৃশ্যমানতার সমস্যার কথা মাথায় রেখে শেষ পর্যন্ত ঝুঁকি না নিয়ে হেলিকপ্টারটিকে বাগডোগরায় ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রতিনিয়ত বাড়ছে গঙ্গা নদীর জলস্তর। ইতিমধ্যে চরম বিপদ সীমার ৪৫ সেন্টিমিটারের উপর দিয়ে বইছে গঙ্গা। কেশরপুরের বাঁধ ভেঙে জলমগ্ন প্রায় ৩০টিরও বেশি গ্রাম। যার মধ্যে দুর্লভোলা, ভুবনটোলা, কেদারটোলা, মানিকনগর সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম ব্যাপকভাবে জলমগ্ন। জলবন্দী প্রায় ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ।
উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ কার্যত বন্ধ। এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত বাস চালাচ্ছে সরকার। সেই মতো শুরু হয়ে গিয়েছে পরিষেবা। কোন কোন রুটে বাস চলছে? আসুন জেনে নেওয়া যাক।
ফরাক্কা স্টেশনের কাছে ধস নেমে বসে গিয়েছে ট্র্যাক। আর তার জেরেই বৃহস্পতিবার থেকে একের পর এক ট্রেন বাতিল হয়েছে। শুক্রবারও দিনভর সব ট্রেন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। কতক্ষণে স্বাভাবিক হবে পরিষেবা?
মালদা ডিভিশনের তিলডাঙা-নিউ ফরাক্কার মাঝে ভূমিধসের কারণে ট্রেন বাতিলের পথে হাঁটতে হয়েছে রেলকে। যাত্রীদের ভোগান্তির আশঙ্কা। কবে পরিষেবা স্বাভাবিক হবে?
বিভিন্ন স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় যাত্রীরা। রেললাইনে ধসের কারণে স্বাভাবিকভাবে এদিন দিনভর রেল পরিষেবা কিছুটা ব্যাহত হবে বলে আশঙ্কা করছিল রেল কর্তৃপক্ষ। সেটাই ঘটল। মালদা ডিভিশনে একাধিক ট্রেন বাতিল করা হল।
গত ৩১ সেপ্টেম্বর ফরাক্কায় জলের পরিমাণ ছিল ১২ লক্ষ কিউসেক। এরপর ১ সেপ্টেম্বর সেটা সামান্য কমে ১১.৯ লক্ষ কিউসেক এবং পরবর্তী সময়ে ১১.৯ লক্ষ কিউসেকের আশেপাশেই ঘোরাফেরা করছে। তাঁর আরও দাবি, ফরাক্কা ব্যারেজ অত্যন্ত শক্তিশালী।