Bike Reel Death: দুর্ঘটনার সময় দু’জনের কারও মাথায় হেলমেট ছিল না। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, দুর্ঘটনার সময় দু’জনেই নেশাগ্রস্ত ছিলেন।
তবে বদলির নির্দেশ যাই হোক না কেন, বিদায়ের আয়োজন থেমে থাকেনি। শুক্রবার থানার সহকর্মীরা তাঁকে আন্তরিক বিদায় সংবর্ধনা দেন। শনিবার জেলা পুলিশ সুপারের দপ্তরেও তাঁর জন্য বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
Gautam Pal MLA controversy: ব্যানারে লেখা ছিল, “জনগণের রায় মানতে হবে, ব্যর্থ বিধায়ককে যেতে হবে।” এই বার্তা ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। করণদিঘি শহরের পাশাপাশি টুঙ্গিদিঘি, বোতলবাড়ি, দোমোহনা, রসাখোয়া, ভুলকি সহ ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় ব্যানারগুলি নজরে আসে।
Malda Youth Deadbody Found: আনারুল হকের বাড়ি পার্শ্ববর্তী হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের মশালদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহনপুর এলাকায়। তিনি সম্প্রতি নিজের পাকা বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন।
Sitalkuchi Bridge Collapsed: এদিন সকালে বালি বা পাথর বোঝাই একটি ভারী ডাম্পার সেতুটি অতিক্রম করার চেষ্টা করছিল। ডাম্পারটি সেতুর মাঝামাঝি পৌঁছতেই অতিরিক্ত ওজনের চাপে সেতুর মূল কাঠামো ভেঙে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের উপরেই আটকে যায় ডাম্পারটি।
তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, এসআইআর (SIR-Special Intensive Revision) সংক্রান্ত কাজের অতিরিক্ত চাপ সহ্য করতে না পেরেই আত্মহত্যা করেছেন ওই বিএলও। যদিও এই মুহূর্তে এমন কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।
মন্ত্রী সরাসরি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘চক্রান্তের’ অভিযোগ তুলে বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই নোটিস পেয়ে হাজির হয়েছি। আমার এবং আমার পরিবারের সমস্ত নথি নির্ভুল। কিন্তু একজন মন্ত্রীর ক্ষেত্রেও যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা, তা সহজেই বোঝা যায়।”
ছোটবেলা থেকেই আর্থিক অনটনের মধ্যে বড় হওয়া সনাতন হালদারকে ঘিরে প্রত্যাশা ছিল সীমিত। অনেকেই ভেবেছিলেন, সংসারের টানে পড়াশোনা মাঝপথেই থেমে যাবে। কিন্তু বাস্তবে ঠিক উলটোটা ঘটেছে।
Bengal Himalayan Carnival: এই কার্নিভালে পর্যটকদের সহায়তায় থাকবেন ৩২০ জনেরও বেশি প্রশিক্ষিত ট্যুরিস্ট গাইড। অংশ নিচ্ছেন অ্যাডভেঞ্চার ট্যুর অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (ATOAI)-এর সদস্যরাও। পাশাপাশি লাটপানচারে পাখি দেখার অভিজ্ঞতাও মিলবে।
শহর কলকাতা সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে বিদায়ের পথে ঠান্ডা। চলতি মরশুমে মাত্র ৪-৫ দিন একেবারে হাড়কাঁপানো ঠান্ডার দেখা মিললেও, তারপর থেকেই পালাই পালাই করছে শীত। ভোরে ও বেশি রাতের দিকে কিছুটা তাপমাত্রা নামলেও, বেলা গড়াতেই চড়চড় করে চড়ছে তাপমাত্রা।
কার্শিয়াঙে ‘দুর্লভ মুহূর্ত।’ অতীতে মাঝমধ্যেই পাহাড়ের জঙ্গলে কালো চিতাবাঘের দেখা মিলত। তবে একটিই। এ বার একই সঙ্গে দু’টি কালো চিতাবাঘের দেখা মিলল। রবিবার সকালে জোড়া কালো চিতাবাঘের ছবি প্রকাশ করেছে কার্শিয়াং বনবিভাগ। সম্প্রতি ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছে ওই দুটো কালো চিতাবাঘের ছবি। তারা দম্পতি না কি ভাইবোন, তা নিয়ে আলোচনায় বসেছেন বন দফতরের বিশেষজ্ঞেরা।