scorecardresearch
 

মাইনাস ৫ ডিগ্রিতে ৪৫কিমি হেঁটে পোল্যান্ডে, শিলিগুড়িতে ২ ডাক্তারি পডু়য়া

কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পথ হেঁটে পোল্যান্ড সীমান্ত পেরিয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরল দার্জিলিংয়ের দুই ডাক্তারি পড়ুয়া। সন্তানরা বাড়ি ফিরতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে তাদের অভিভাবকেরা। জানালেন রোমহর্ষক অভিজ্ঞতা।

ইউক্রেন ফেরত আরও একজন ইউক্রেন ফেরত আরও একজন
হাইলাইটস
  • শিলিগুড়িতে ফিরলেন দুই ডাক্তারি পড়ুয়া
  • জানালেন হাড়হিম অভিজ্ঞতা
  • স্বস্তির নিঃশ্বাস দুই পরিবারে

যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেন, চারিদিকে গোলাগুলি আর বারুদের গন্ধ। তার ওপর আবার হাঁড় কাঁপানো ঠাণ্ডা। খাবার কিংবা জল। তাতেই কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পথ হেঁটে পোল্যান্ড সীমান্ত পেরিয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরল দার্জিলিংয়ের দুই ডাক্তারি পড়ুয়া। দেশে ফিরে ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানাল তারা। অন্যদিকে সন্তানরা বাড়ি ফিরতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে তাদের অভিভাবকেরা।

চারিদিকে বারুদের গন্ধ পার করে পোল্যান্ড

অচেনা দেশ, অচেনা রাস্তা তার উপর এই গোটা দেশজুড়ে এখন চারিদিকে বারুদের গন্ধ। এই পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র মনের জোরকে সঙ্গে নিয়ে টানা সাত দিন ধরে গভীর জঙ্গল দিয়ে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পায়ে হেঁটে পার করতে হয়েছিল পোলান্ড সীমান্ত। তারপরই অবশেষে বাড়ি ফিরতে পারলো দার্জিলিংয়ের জেলার পড়ুয়া।

বৃহস্পতিবার সকালে তারা বাগডোগরা বিমানবন্দরে ফেরেন

বৃহস্পতিবার সকালে তারা বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেমে নিজেদের বাড়ি ফেরে। তবে তাঁদের চোখে মুখে ছিল আতঙ্কের ছাপ। দার্জিলিংয়ের ভুটিয়া বস্তির বাসিন্দা কেলস্যাং গেয়াৎসো ভুটিয়া (Kelsang Gyatsho Bhutia) এবং শিলিগুড়ি মহকুমার অলোক মিশ্রা (Alok mishra)। জানা গিয়েছে ইউক্রেনে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পরেই তাদের দেশ ছাড়তে বলা হয়েছিল। কিন্তু যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতেই সমস্ত রকম পরিবহণ বন্ধ হয়ে যায়।

মাইনাস ৫ ডিগ্রিতে ৪৫ কিলোমিটার

তাই হাড় কাঁপানো শীতে গভীর জঙ্গলের ভেতর দিয়ে প্রাণ হাতে নিয়ে তাদের পৌঁছতে হয়েছিল সীমান্তে। সেখান থেকে ভারতীয় দূতাবাসের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় নিজের দেশে ফিরতে পেরেছে এই পড়ুয়ারা। এদিন শিলিগুড়িতে বাগডোগরা বিমানবন্দর সংবাদ মাধ্যমে কেলস্যাং গেয়াৎসো ভুটিয়া বলেন, পোলান্ডের তাপমাত্রা মাইনাস ৫ ডিগ্রির নীচে ছিল। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের জিনিসপত্র নিয়ে গভীর জঙ্গলের ভেতর দিয়ে টানা প্রায় ৪৫ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে অতিক্রম করে পৌঁছাতে হয়েছিল সীমান্তে।

গভীর জঙ্গলে কেটেছে অনেকটা দিন

এই যাত্রাপথে সঙ্গে কোনও খাবার এবং জলের ব্যবস্থা ছিল না তা ছাড়াও রাত কাটাতে হয়েছে গভীর জঙ্গলেই। এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিকে অতিক্রম করেই দেশে ফিরতে পেরেছি। তবে এখনও সেখানে প্রচুর ছাত্র-ছাত্রী আটকে রয়েছে। অন্যদিকে অলক মিশ্রা বলেন, এই সাত দিন প্রচুর কষ্ট করে সীমান্তে পৌঁছাতে হয়েছে তবে দেশে ফিরতে পেরে স্বস্তি ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।