scorecardresearch
 

২ পিকনিক থেকে ফেরার পথে বধূকে ধর্ষণ মিনাখাঁয়, পুলিশের জালে ৬ দুষ্কৃতী

পিকনিক থেকে ফেরার পথে মিনাখাঁয় গোলমাল দুই পার্টির মধ্যে। তার জেরে ফিল্মি কায়দায় এক পার্টির সদস্যা বধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ। যা নিয়ে মিনাখাঁয় অবিশ্বাসের বাতাবরণ। গা ছমছমে ঘটনা ঘিরে আতঙ্ক।

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
হাইলাইটস
  • পিকনিক থেকে ফেরার পথে ধর্ষণের অভিযোগ
  • গাড়ির ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে বচসা
  • তার জেরেই প্রতিশোধমূলক আচরণের অভিযোগ

পিকনিক থেকে বাড়ি ফেরার পথে হিন্দি সিনেমার কায়দায় ঘটল গোলমাল। দুই পিকনিক পার্টির বিবাদের জেরে যা ঘটলো, অন্তত এখনও পর্যন্ত অভিযোগে যা জানানো হচ্ছে, তাতে গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠতে বাধ্য। তাও খোদ বাংলারই একটি এলাকায়। ক্রাইম সিরিয়াল, বা থ্রিলারকেও হার মানাবে এই ঘটনা। গোটা ঘটনায় এলাকা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

অবিশ্বাস্য ঘটনা

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, দুই পিকনিক পার্টির বিবাদের জেরে এক বধূকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় প্রথমে উত্তেজনা, পরে থমথমে গোটা মিনাখাঁয়। অবিশ্বাস্য ঘটনা বলছে এলাকাবাসী। সেই সঙ্গে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা এলাকায় দুষ্কৃতীদের বাড়বাড়ন্তের সুযোগ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে।

প্রাথমিকভাবে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়ায় মিনাখাঁ থানা সংলগ্ন এলাকায়। পুলিশ নিগৃহীত বধূর অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে একে একে খুঁজে বের করে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।

ঘটনাটি কী?

সূত্রের খবর, শনিবার ১ জানুয়ারির রাতে টাকি থেকে পিকনিক করে বাড়ি ফিরছিল একটি পিকনিক পার্টি। পথে মিনাখাঁয় আরও একটি বাড়ি ফেরত পিকনিক পার্টির গাড়ির সঙ্গে থাক্কা লাগে তাঁদের। এই ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে বচসায় জড়িয়ে পড়ে দুটি দলের যুবক-যুবতীরা। একটি পার্টি স্থানীয় মিনাখাঁ এলাকার ছিল। ফলে তাদের এলাকায় ক্ষমতা বেশি থাকার সুযোগে তারা অন্য পার্টির লোকজনকে মারধর করে বলে অভিযোগ। এরপর একটি পিকনিক পার্টির ছেলেদের হাতে মার খেয়ে ভাঙ্গড় থেকে আসা পিকনিকের গাড়ির যুবকরা পালিয়ে যায়। সেই সুযোগে ভাঙ্গড় থেকে পিকনিকে আসা এক বধূকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ নিগৃহীতা যুবতীর।

পুলিশের নজরে দুষ্কৃতীদের পুরনো রেকর্ড

পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে। সেই সঙ্গে ওই অভিযোগকারী যুবতীর মেডিক্যাল টেস্ট করানো হবে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি মুহূর্তের উত্তেজনায় হলেও, এমন ঘটনা ঘটানোর মতো মানসিকতা যাদের রয়েছে, তাদের পুরনো অপরাধের রেকর্ড থাকতে পারে বলে পুলিশ মনে করছে। ফলে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।