Malda Tmc Krishnendu Choudhury: 'জেলা কমিটিতে তোলাবাজ,' করিমের মালদায় সরব TMC-র কৃষ্ণেন্দুও

Malda Tmc Krishnendu Choudhury: এক তোলাবাজকে মালদা জেলা কমিটিতে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তুলে হইচই ফেলে দিয়েছেন ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী। এমনকী তিনি এও দাবি করেছেন যে অরাজনৈতিক কিছু লোককে জেলা কমিটিতে রাখা হয়েছে।

Advertisement
'জেলা কমিটিতে তোলাবাজ,' করিমের মালদায় সরব TMC-র কৃষ্ণেন্দুওকরিমের পর এবার কৃষ্ণেন্দু, দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব উত্তরবঙ্গের আরও এক নেতা
হাইলাইটস
  • করিমের পর এবার কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী
  • দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব
  • উত্তরবঙ্গের আরও এক নেতা

Malda Tmc Krishnendu Choudhury: ইসলামপুরের করিম চৌধুরীর পর এবার মালদার কৃষ্ণেন্দু। দলের বিরুদ্ধেই সরব হয়ে ফের রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় ফেলে দিয়েছেন তিনি। এক তোলাবাজকে মালদা জেলা কমিটিতে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তুলে হইচই ফেলে দিয়েছেন ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী। এমনকী তিনি এও দাবি করেছেন যে অরাজনৈতিক কিছু লোককে জেলা কমিটিতে রাখা হয়েছে। যাঁরা দলের জন্য় কিছুই করে না, তাঁদের দলে রাখার বিরোধিতা করে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন কৃষ্ণেন্দু। স্বভাবতই অস্বস্তিতে দল। এখন কৃষ্ণেন্দু নিজের বক্তব্যে অনড় থাকেন কি না, অথবা দলের তরফে তাঁর সম্পর্কে কী মনোভাব নেয় তা দেখার। যদিও যাঁর বিরুদ্ধে এই দাবি তুলেছেন কৃষ্ণেন্দুবাবুর এমন দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন বিরোধিতার জন্যই বিরোধিতা বলে।

আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ থেকে শিশু চুরির অভিযোগ, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

কী বলেছেন কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী?

কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর দাবি, যাঁরা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই নন তাঁদের রাখা হয়েছে জেলা কমিটিতে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর দাবি, ‘‘যাঁরা পদাধিকার বলে এসেছেন তাঁরা কেউ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নয়। আমার এত বছর হয়ে গেল, নির্বাচনের সময় কোনও দিন তাঁকে মিছিলে হাঁটতে দেখিনি, পার্টির স্লোগান দিতে দেখিনি, হ্যান্ডবিল দিতে দেখিনি বা পোস্টার সাঁটতে দেখিনি। তোলাবাজি করে। তাঁকে জেলা কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি করা হয়েছে। এমন কিছু লোক আছেন যাঁদের পাঁচটা ছেলে নেই, যাঁরা পাড়ার কোনও কাজ করেন না তাঁকে জেলা কমিটিতে নিয়োগ করা হয়েছে। এখন এখানকার যিনি দায়িত্বে, তিনি ভেবেছেন এঁদের নিয়ে এলে দল শক্তিশালী হবে।’' এমনকী এঁরা পঞ্চায়েত, বিধানসভা এবং লোকসভা নির্বাচনে দলের বিরোধিতাও করেছেন বলে তাঁর দাবি। নিজেদের বুথেও হেরে গিয়েছেন। তাদের দলের পদে নিয়ে এলে দলের ক্ষতি হবে বলে তিনি মনে করছেন। আজতক বাংলার তরফে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজের বক্তব্যে অনড় রয়েছেন বলেই জানান। তিনি বলেন, "আমার বক্তব্য আমি জানিয়ে দিয়েছি। প্রয়োজনে কোথাও জানানোর হলে তা ভেবে দেখব।"

Advertisement

কৃষ্ণেন্দুর মন্তব্যের জবাবে তৃণমূলের মালদা জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি জানিয়ে দিয়েছেন স্রেফ বিরোধিতা করার জন্যই এমন কথা বলা হচ্ছে। তিনি বলেন,‘‘কিছু মানুষ আছেন, যাঁদের কাজই বিরোধিতা করা। বিরোধিতা না করতে পারলে তাঁরা কৃষ্ণেন্দুর অভিযোগ, ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন তিনি।

মালদহে ১৩২ জনকে নিয়ে তৈরি হয়েছে তৃণমূলের জেলা কমিটি। যদিও ওই কমিটিতে রয়েছেন তিনি এবং তাঁর স্ত্রী কাকলি চৌধুরীও। তবু কমিটির কারও কারও বিরুদ্ধে তাঁর ক্ষোভ রয়েছে বলে জানান তিনি। আর তা থেকে যে সরে আসার প্রশ্ন নেই, তাও পরিষ্কার করে দিয়েছেন। এখন দল কোনও ব্যবস্থা নেয় কি না, তা দেখার।

 

POST A COMMENT
Advertisement