Mathabhanga TMC Worker Murder: গভীর রাতে বাড়ি ফিরছিলেন তৃণমূল কর্মী সঞ্জয় বর্মন। পৌঁছনো আর হল না। বাড়ির দোরগোড়ায় পৌঁছনোর আগেই খুন হলেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে, কোচবিহারের মাথাভাঙ্গা ১ নম্বর ব্লকের জোরপাটকি গ্রামে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মাথাভাঙ্গা থানার পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। ওই খুনের ঘটনায় দু'জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর ৩৭-এর সঞ্জয় পেশায় নির্মাণ শ্রমিক। পাশাপাশি সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবেও এলাকায় পরিচিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতেও তিনি প্রতিদিনের মতো কাজ সেরে ফিরছিলেন। ওই সময় জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের সামনে বচসা চলছিল দুই রাজমিস্ত্রি অজয় বর্মন ও মন্টু বর্মনের মধ্যে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শান্ত স্বভাবের সঞ্জয় বচসা থামাতে এগিয়ে যান। তখনই এক অভিযুক্ত শাবল দিয়ে সঞ্জয়ের মাথায় হঠাৎ একের পর এক আঘাত করে। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। অভিযোগ, এরপর তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
খবর পেয়ে প্রহরারত এক সিভিক ভলান্টিয়ার ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মাথাভাঙ্গা থানার পুলিশ। সঞ্জয়কে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পর রাতেই অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে মাথাভাঙ্গা মর্গে সঞ্জয়ের দেহের ময়নাতদন্ত হয়। পরে দেহ তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এলাকায় শোকের ছায়া। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, সঞ্জয় কোনও ঝামেলায় জড়ান না। একজন শান্ত, পরিশ্রমী এবং জনপ্রিয় কর্মী ছিলেন। “এভাবে খুন হওয়া অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। দোষীদের কড়া শাস্তি হওয়া উচিত,” দাবি এক স্থানীয় নেতার।