scorecardresearch
 
 

ভুয়া আরটিপিসিআর রিপোর্ট তৈরির অভিযোগে শিলিগুড়িতে গ্রেফতার যুবক

ফের ভূতুড়ে ল্যাবের নামে ভুয়া রিপোর্ট তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার এক যুবক। জানা গিয়েছে, ধৃত ওই যুবকের নাম ইন্দ্রজিৎ কুমার। শুক্রবার ধৃত ওই যুবকে শিলিগুড়ি আদালতে তুলে ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ভুয়া রিপোর্ট তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার ভুয়া রিপোর্ট তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার
হাইলাইটস
  • ভুয়া আরটিপিসিআর রিপোর্ট তৈরি করত যুবক
  • শুক্রবার পুলিশের জালে আটক যুবক
  • পুলিশ ও স্বাস্থ্য দফতরের অভিযান চলবে

ভুয়া আরটিপিসিআর রিপোর্ট তৈরির অভিযোগ

ফের ভূতুড়ে ল্যাবের নামে ভুয়া রিপোর্ট তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার এক যুবক। জানা গিয়েছে, ধৃত ওই যুবকের নাম ইন্দ্রজিৎ কুমার। শুক্রবার ধৃত ওই যুবকে শিলিগুড়ি আদালতে তুলে ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

বাড়ি বাড়ি নমুনা সংগ্রহ করে রিপোর্ট দিত

পুলিশ সূত্রের খবর, করোনা সময় থেকে গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করতো ইন্দ্রজিৎ। এরপর ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করে গ্রাহকদের ভুয়া রিপোর্ট দিত সে।

ওষুধের দোকান থাকা সত্ত্বেও জালিয়াতি!

জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের ঘোগোমালি চয়নপাড়া মেইন রোডে একটি ওষুধের দোকান ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ছিল। সেই ওষুধের দোকান ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার কয়েক মাস ধরে বন্ধ ছিল। 

ভুুয়া ল্যাবে জেরবার স্বাস্থ্য দফতর

করোনার কারণে শিলিগুড়ি শহর জুড়ে গজিয়ে উঠেছে বিভিন্ন ল্যাব। যেখানে ফোন করলেই মিলবে পরিষেবা। অর্থাৎ বাড়ি এসে সেই ল্যাবের এজেন্টরা নমুনা সংগ্রহ করে রিপোর্ট পৌঁছে দেবেন বাড়িতে। তবে এতে যেমন শহরবাসী সুবিধে হচ্ছে তেমনি বিপাকে পড়ছে বহু মানুষ। শিলিগুড়িতে গজিয়ে উঠেছে ভুয়া ল্যাব। যার কারণে চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়েছে চিকিৎসক মহলে। সেই কারণে শহরবাসীকে আরও সচেতন হওয়ার কথা বলেন চিকিৎসকরা।

এর আগেও একজন গ্রেফতার হয়

প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন আগে করোনার ভুয়া রিপোর্ট প্রদান করার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে শিলিগুড়ি থানার পুলিশ। এরপর ফের বৃহস্পতিবার রাতে শিলিগুড়ি সংলগ্ন শিবমন্দির থেকে ইন্দ্রজিৎ কুমারকে গ্রেপ্তার করে মাটিগাড়া থানা ও গোয়েন্দা দপ্তর। ধৃত যুবকের কাছ থেকে একটি ল্যাবের প্রচুর কাগজ পাওয়া গিয়েছে।

আরও ভুয়া ল্যাব চিহ্নিত

শিলিগুড়িতে দুদিন আগেই স্বাস্থ্য দফতর, পুলিশ ও পুরনিগম বসে সিদ্ধান্ত নেয় ভুয়া ল্যাব ও সোয়াব সংগ্রহকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার পরই শুরু হয়েছে অভিযান। আরও এমন কয়েকটি ল্যাব ও সংগ্রহকারী চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হবে।