
IMF, বিশ্ব ব্যাঙ্কের মতো সংস্থা বারেবারে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ালেও মুদ্রাস্ফীতির নাগপাশ থেকে বেরোতে পারছে না ইসলামাবাদ। সাধারণ পাকিস্তানির পকেটেও আর্থিক বোঝা টানা চেপেই চলেছে। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, পাকিস্তানে সাপ্তাহিক মুদ্রাস্ফীতির হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই নিয়ে টানা ২২তম সপ্তাহে পাকিস্তানে বৃদ্ধি পেল মুদ্রাস্ফীতির হার। মুরগি থেকে শুরু করে চাল, গম থেকে শুরু করে ভোজ্যতেল পর্যন্ত সবকিছুর দাম একেবারে আকাশছোঁয়া। ফলে মাথায় হাত পড়েছে আমজনতার।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের রিপোর্ট বলছে, আটা, চিনি ও চাল, মুরগির মাংসের মতো নানা খাবারের দাম বৃদ্ধির ফলে পাকিস্তানে আরও একবার মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। চিনি থেকে শুরু করে মুরগি- সব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির জেরেই প্রতিবেশী দেশটিতে মুদ্রাস্ফীতি চড়চড় করে বাড়ছে।

রিপোর্ট বলছে, আগের সপ্তাহের তুলনায় যেসব জিনিসের দাম সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে তার মধ্যে রয়েছে আটা (৫.০৭%), মুরগির মাংস (২.৮৬%), রসুন (২.৪৪%), মরিচের গুঁড়ো (১.০১%), এলপিজির দাম (০.৮৮%), চা (০.৭৩%), চিনি (০.৫৮%), রুটি (০.৫১%), বাসমতি চাল (০.৪১%) এবং জ্বালানি কাঠ (০.২৫%)।

এছাড়াও, ১ লিটার দুধের দাম ০.৭৮ ডলার (২১৯ পাকিস্তানি রুপি), ৫০০ গ্রাম রুটির প্যাকেটের দাম ১৬৩ পাকিস্তানি রুপি, ১২টি ডিমের দাম ৩১৭ পাকিস্তানি রুপি, টমেটোর দাম ১৪০ পাকিস্তানি রুপি, আলুর দাম ৯৫ পাকিস্তানি রুপি, পেঁয়াজ ১২১ পাকিস্তানি রুপি।

ফলের দামে নজর রাখলে দেখা যাচ্ছে, আপেলের দাম প্রতি কেজি প্রায় ৩০০ পাক রুপি, ১ কেজি কলার দাম ১৭৪ PKR। এছাড়াও, ১ কেজি কমলা কিনতে হলে দিতে হবে ২২২ পাকিস্তানি রুপি। (বি.দ্র: এই দামগুলি উপরোক্ত ওয়েবসাইটে উল্লিখিত উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।)