scorecardresearch
 

দিল্লির আমন্ত্রণ পাকিস্তানের বিলাবল ভুট্টোকে, বরফ গলবে? 

পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাবল ভুট্টোকে আমন্ত্রণ জানাল ভারত। সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) চেয়ার হিসেবে ভারত পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি এবং পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি উমর আতা বন্দিয়ালকে বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে দিল্লি। তবে পাকিস্তান এখনও ভারতের আমন্ত্রণে সাড়া দেয়নি।

বিলাবল ভুট্টো। বিলাবল ভুট্টো।
হাইলাইটস
  • পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাবল ভুট্টোকে আমন্ত্রণ জানাল ভারত।
  • সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) চেয়ার হিসেবে ভারত পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি এবং পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি উমর আতা বন্দিয়ালকে বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে দিল্লি।

পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাবল ভুট্টোকে আমন্ত্রণ জানাল ভারত। সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) চেয়ার হিসেবে ভারত পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি এবং পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি উমর আতা বন্দিয়ালকে বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে দিল্লি। তবে পাকিস্তান এখনও ভারতের আমন্ত্রণে সাড়া দেয়নি।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে আসন্ন শাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজ়েশন (এসসিও) গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রগুলির বিভিন্ন পর্যায়ের বৈঠক উপলক্ষ এই আমন্ত্রণ। তবে আমন্ত্রণ স্বীকার করে তাঁরা নয়াদিল্লি আসবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জম্মু ও কাশ্মীরে আর্টিকেল ৩৭০ পুনরুদ্ধার করার জন্য পাকিস্তান এবং ইসলামাবাদ থেকে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের অমীমাংসিত সমস্যার মধ্যে দুই দেশের সম্পর্ক বেশ কয়েক বছর ধরে খারাপ। এসসিওতে চিন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তানও রয়েছে। মধ্য এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে চিন ও রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রীদেরও আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে। ইরান এই সংস্থার নতুন সদস্য এবং ভারতের সভাপতিত্বে প্রথমবারের মতো পূর্ণ সদস্য হিসাবে সভায় যোগদান করবে।

জি২০-র পাশাপাশি ভারত চলতি বছরের (এসসিও) গোষ্ঠীরও সভাপতিত্ব করছে। রাশিয়া, চিন, ইরান, ভারত, পাকিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার রাষ্ট্রগুলিকে নিয়ে তৈরি এই গোষ্ঠীর প্রধান বিচারপতি পর্যায়ের বৈঠক মার্চ মাসে। বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক মে-তে। চিন এবং রাশিয়ার প্রতিনিধিত্ব রয়েছে বলে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনটির সম্মেলনের বাইরে ইসলামাবাদ থাকতে চাইবে না বলেই কূটনৈতিক মহলের অনুমান।

বৈঠকটি হবে গোয়ায়। যদি আমন্ত্রিত দু’জনই আসেন তা হলে তা দক্ষিণ এশিয়ার রণনীতিতে একটি মাইলফলক ঘটনা হতে চলেছে। বহু বছর পাকিস্তানের শীর্ষ পর্যায়ের কোনও নেতাকে আসতে দেখা যায়নি ভারতে। জুন মাসে এসসিও শীর্ষ সম্মেলন।

আরও পড়ুন- 'ধ্বংস' থেকে বাঁচতে শেষ চেষ্টা পাকিস্তানের, এবার সরকারি কর্মীদের বেতনে কোপ