scorecardresearch
 

হঠাত্‍ আকাশ লাল, জেগে উঠল বিশ্বের বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি

৩৮ বছরের ঘুম ভেঙে জেগে ওঠা আগ্নেয়গিরি (Volcano) ফের অগ্নিশর্মা হয়ে উঠল। জ্বালামুখ থেকে গড়িয়ে পড়ল ফুটন্ত লাল লাভা (Volcain Lava)। আকাশ লাল হয়ে উঠল। এ ভাবেই রবিবার বিশ্বের সবচেয়ে বড় জীবিত আগ্নেয়গিরি (world's largest volcano) ফের গা ঝাড়া দিয়ে উঠল। সোমবার হাওয়াই দ্বীপের মাউনা লোয়া আগ্নেয়গিরির চূড়া থেকে উত্তপ্ত লাভা ছড়িয়ে পড়ল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাতের আকাশ লালে লাল হয়ে উঠল।

Volcano Volcano
হাইলাইটস
  • ৩৮ বছরের ঘুম ভেঙে জেগে ওঠা আগ্নেয়গিরি (Volcano) ফের অগ্নিশর্মা হয়ে উঠল।
  • জ্বালামুখ থেকে গড়িয়ে পড়ল ফুটন্ত লাল লাভা (Volcain Lava)।
  • আকাশ লাল হয়ে উঠল।

৩৮ বছরের ঘুম ভেঙে জেগে ওঠা আগ্নেয়গিরি (Volcano) ফের অগ্নিশর্মা হয়ে উঠল। জ্বালামুখ থেকে গড়িয়ে পড়ল ফুটন্ত লাল লাভা (Volcain Lava)। আকাশ লাল হয়ে উঠল। এ ভাবেই রবিবার বিশ্বের সবচেয়ে বড় জীবিত আগ্নেয়গিরি (world's largest volcano) ফের গা ঝাড়া দিয়ে উঠল। সোমবার হাওয়াই দ্বীপের মাউনা লোয়া আগ্নেয়গিরির চূড়া থেকে উত্তপ্ত লাভা ছড়িয়ে পড়ল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাতের আকাশ লালে লাল হয়ে উঠল।

বিগত ৩৮ বছর নিরাপদের কেটেছে হাওয়াই দ্বীপের বাসিন্দেদের। কিন্তু রবিবার রাত ১১টা নাগাদ আচমকাই বিস্ফোরণের আওয়াজ (world's largest active volcano)। যুদ্ধ নাকি! তবে? কীসের আওয়াজ, বাইরে ও কীসের আলো? কিছুক্ষণ পরেই বোঝো গেল ঘুম ভেঙেছে ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরির (Mauna Loa)।  

রবিবার এই এলাকায় বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প অনুভব করার পরই আশঙ্কা ছিল যে, অগ্নুৎপাত হতে পারে। মাউনা লোয়া (Hawaii's Mauna Loa) সামিটের উত্তর দিকের একটি ইউএসজিএস ওয়েবক্যামে রাতের অন্ধকারে আগ্নেয়গিরির গর্তের মধ্যে দীর্ঘ উজ্জ্বল বিস্ফোরিত ফাটল দেখা গেছে।

তবে লাভা স্রোতে ঢালের নীচে বসবাসকারীদের সমস্যা হবে না বলেই  ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভিস (ইউএসজিএস)। তবে, সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে, আগ্নেয়গিরির গ্যাস এবং সূক্ষ্ম ছাই আবাসিক এলাকায় প্রবেশ করতে পারে। অগ্ন্যুৎপাতের পরেই দ্বীপের রাতের আকাশ লাল হয়ে গেছে। মাউনা লোয়া ইতিহাসের দীর্ঘতম শান্ত সময় শেষ করেছে।

মাউনা লোয়া আগ্নেয়গিরির শৃঙ্খলের অংশ যা হাওয়াই দ্বীপগুলি তৈরি করেছিল। এই আগ্নেয়গিরিতে শেষবার ১৯৮৪ সালের মার্চ এবং এপ্রিলে অগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল। দ্বীপের বৃহত্তম শহর হিলোর ৮ কিলোমিটারের মধ্যে গরম লাভার স্রোত বয়েছিল।

সেখানকার প্রশাসন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে একটি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে। কিন্তু এখনও কাউকে বাড়ি ছাড়তে বলেনি। প্রশাসনের মনে ওই লাভা জনবহুল এলাকার কোনও ক্ষতি করতে পারবে না।

তবে এখনও এই পর্বতের উপরিভাগেই দেখা যাচ্ছে এই লাভার স্রোত। এখনও নিম্নগামী হয়ে ওঠেনি। ফলে বিপদের আশঙ্কা নেই বলেই প্রশাসনিক স্তরে মনে করা হচ্ছে। যদিও ইতিমধ্যেই দ্বীপপুঞ্জের বাতাসে মিশেছে আগ্নেয়গিরির ছাই। হাওয়াইয়ের ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস বিগ আইল্যান্ডে অ্যাশফল অ্যাডভাইজরি জারি করেছে। শ্বাসকষ্ট হয় এমন ব্যক্তিদের বাড়ির ভিতরেই থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকিদের ক্ষেত্রে মাস্ক পরতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে অগ্নুৎপাতের মুহূর্তের 'ভয়ঙ্কর সুন্দর' সব ছবি।

আরও পড়ুন :বিরলতম 'হাইব্রিড' সূর্যগ্রহণ, শতাব্দীতে এক আধবারই হয়; কবে দেখা যাবে ?