'আজ কোর্টে হারালাম, এপ্রিলে ভোটে হারাব,' SIR মামলার নির্দেশ শুনেই BJP-কে টার্গেট অভিষেকের

বারাসতের রণ সংকল্প সভা থেকে নির্বাচন কমিশনকে একহাত নিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়। সোমবার SIR-এর লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ সংক্রান্ত নির্দেশকে হাতিয়ার করেই জ্ঞানেশ কুমারের টিমকে আক্রমণ করলেন অভিষেক।

Advertisement
'আজ কোর্টে হারালাম, এপ্রিলে ভোটে হারাব,' SIR মামলার নির্দেশ শুনেই BJP-কে টার্গেট অভিষেকেরবারাসত থেকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ নিয়ে কী বললেন অভিষেক?
হাইলাইটস
  • নির্বাচন কমিশনকে একহাত নিলেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়।
  • লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিকে হাতিয়ার করে নির্বাচন কমিশন বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।
  • সর্বোচ্চ আদালতের এই নির্দেশকে হাতিয়ার করেই এদিন সুর চড়ান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

বারাসতের রণ সংকল্প সভা থেকে নির্বাচন কমিশনকে একহাত নিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়। সোমবার SIR-এর  লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ সংক্রান্ত নির্দেশকে হাতিয়ার করেই জ্ঞানেশ কুমারের টিমকে আক্রমণ করলেন অভিষেক। একইসঙ্গে বিজেপিকেও নিশানা করতে ছাড়েননি তিনি।

লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিকে হাতিয়ার করে নির্বাচন কমিশন বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধিতা গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। তৃণমূলের তরফে সেই দায়ের করা মামলাতেই এদিন নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।  নির্বাচন কমিশনকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। 

আর সর্বোচ্চ আদালতের এই নির্দেশকে হাতিয়ার করেই এদিন সুর চড়ান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হুঙ্কার, 'আজ কোর্টে হারিয়েছি, এপ্রিলে ভোটে হারাবো।' তিনি জানান, যারা বাংলার মানুষের ভাতে মারতে চেয়েছিল এবং ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল, দেশের সর্বোচ্চ আদালত তাদের গালে কষিয়ে চড় মেরেছে।

অভিষেক বলেন, "এটাই তো আমরা চেয়েছিলাম। বিজেপি চেয়েছিল, যাঁরা ওদের ভোট দেয় না, তাঁদের ওরা জব্দ করবে। তাই ১ কোটি নাম বাদ দিতে চেয়েছিল কমিশন-মোদী সরকার। আজকে তো সুপ্রিম কোর্ট ওদের ভোকাট্টা করে দিল!"

বারাসত থেকে জনতার উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, গতবারে ওদের ৭০ এর বেশি আসনে জিতিয়েছিলেন বলে ওরা বাংলার প্রাপ্য ২ লক্ষ কোটি টাকা আটকে রেখেছে। যার অর্থ বিধানসভা ভিত্তিক প্রায় ৬৮০ কোটি টাকা আটকে রেখেছে। এবারে ওদের ৫০ এর নীচে নামান। তাহলেই ওদের অহঙ্কারের পতন হবে।

এদিন সভা থেকে অভিষেক ভোটারদের পরামর্শ দেন, "বিজেপি টাকা দিয়ে ভোট কিনতে এলে টাকা নেবেন, কিন্তু ভোট দেবেন জোড়া ফুলেই।" তাঁর মতে, এই নির্বাচন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য নয়, বরং যারা বাংলার মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছে, তাদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement