BLO death Jadavpur: এবার যাদবপুরে BLO-র মৃত্যু, SIR-এর কাজের চাপেই আত্মহত্যা?

SIR-এর মাঝে আরও এক বিএলও-এর অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ। মৃতের নাম অশোক দাস। আজ সকালে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। বাড়ির লোকজনই তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন। এরপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের ধারের হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে জানিয়ে দেন। এরপর পুলিশে খবর যায়। মৃতের বাড়ি পৌঁছে যান কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। তিনি ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। 

Advertisement
এবার যাদবপুরে BLO-র মৃত্যু, SIR-এর কাজের চাপেই আত্মহত্যা?যাদবপুরে BLO মৃত্যু
হাইলাইটস
  • SIR-এর মাঝে আরও এক বিএলও-এর অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ
  • মৃতের নাম অশোক দাস
  • আজ সকালে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়

SIR-এর মাঝে আরও এক বিএলও-এর অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ। মৃতের নাম অশোক দাস। আজ সকালে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। বাড়ির লোকজনই তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন। এরপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের ধারের হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে জানিয়ে দেন। এরপর পুলিশে খবর যায়। মৃতের বাড়ি পৌঁছে যান কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। তিনি ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। 

পরিবারের লোকজনের দাবি, SIR-এর জন্য দীর্ঘদিন চাপে ছিলেন অশোক। সেই কারণেই এই মৃত্যু। তাই তাঁরা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি তুলেছেন।

কী জানা যাচ্ছে? 
পূর্ব যাদবপুরের মুকন্দপুরের অহল্যা নগরে বাস করতেন অশোক দাস। তিনি পড়াতেন বহরু হাইস্কুলে। সেখানে তিনি সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। 

এই শিক্ষককে SIR-এ কাজের জন্য বেছে নেওয়া হয়। তিনি পূর্ব যাদবপুরের চিতকালিকাপুর এফপি স্কুলের ১১০ নম্বর ভোট কেন্দ্রের বিএলও হিসেবে কাজ করেছেন। আর সেই কাজ করতে গিয়েই তিনি চাপে ভুগছিলেন বলে খবর। 

আজ কী দেখা যায়? 
বৃহস্পতিবার সকালে অশোক দাসের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তাঁর পরিবারেরই মানুষজন। এরপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকেরা অশোককে মৃত বলে ঘোষণা করে দেন বলে খবর।

পরিবারের কী দাবি? 
পরিবারের তরফে জানান হয়েছে, SIR নিয়ে চাপ ছিল অশোক দাসের উপর। মূলত চাপ ছিল পাড়ায়। তাই কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, সেটাও দেখার দাবি করা হয়েছে পরিবারের পক্ষ থেকে। 

আর এই খবর সামনে আসার পরই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। তাঁদের তরফ থেকে এই ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখন দেখার তদন্ত শেষের পর কী জানা যায়। তবে এখনও এই বিষয় নিয়ে মুখ খুলতে চাইছে না পুলিশ।

যদিও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল-বিজেপি দুইপক্ষই পরস্পরকে দোষ দিতে ব্যস্ত। 

Advertisement


 

POST A COMMENT
Advertisement