ISF হুমায়ুনের জোটসামনেই পশ্চিমবঙ্গের ভোট। আর সেই ভোটের আগে জনতা উন্নয়ন পার্টি এবং আইএসএফ-এর জোট নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। আর এই বিষয়টা নিয়ে কথা বললেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। তিনি সংবাদ সংস্থা ANI-কে বলেন, 'হুমায়ুন কবীর আগে যে কথা বলেছেন, সেটা তুলে নিতে হবে। নইলে তাঁর সঙ্গে কথা হবে না।'
পাশাপাশি তাঁর দাবি, 'আগামিদিনে আমাদের পার্টির রাজ্য কমিটির মিটিং হবে। সেখানে এই বিষয়ে আলোচনা হবে। যদি জোটের দিকে যাওয়া হয়, তাহলে কীভাবে যাওয়া হবে, এই সব বিষয় নিয়ে হবে আলোচনা।'
২৯৪টি আসনে একা লড়াই করবে আইএসএফ?
এই বিষয়টা নিয়েও নিজের মতামত জানিয়েছেন নওশাদ। তিনি বলেছেন যে, '২৯৪টি আসন রয়েছে বাংলায়, সব সিটে প্রার্থী দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই। আমাদের ততটা ভাল অবস্থা নয়। আমরা ৫০ থেকে ৬০-৭০টা সিটে লড়াই করতে পারি। কিন্তু জোট হলে কিছুটা সিট কমবে।
তাঁর স্পষ্ট দাবি, তৃণমূল এবং বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। সেই জন্য তাঁরা যে কোনও দলের সঙ্গে জোট চাইছেন। তিনি বলেন, 'বিজেপি এবং তৃণমূল ছাড়া যত দল রয়েছে, তাঁরা একসঙ্গে এসে লড়াই করতে চাইছি।'
কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে কথা হয়েছে?
এই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন নওশাদ। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে প্রদেশ কংগ্রেস এবং জাতীয় কংগ্রেসকে ইতিমধ্যেই চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে কোনও রেসপন্স আসেনি।
জোট নিয়ে সমস্যার শেষ নেই...
জনতা উন্নয়ন পার্টির চিফ হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে জোট বৈঠক করেছিলেন সিপিআইএম-এর মহম্মদ সেলিম। আর তাতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। এই বৈঠকের পর থেকেই তৃণমূল এবং বিজেপি একযোগে সিপিআইএম-কে আক্রমণ করে।
এই দুই দলের মোদ্দা কথা হল, সিপিআইএম রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে। তাই হুমায়ুনের মতো একটা সাম্প্রদায়িক মানুষের সঙ্গে জোটের কথা বলতেও তারা পিছপা হচ্ছে না।
তবে এই বিষয়টা নিয়ে চুপ থাকেনি সিপিআইএম। তাদের তরফ থেকেও দেওয়া হয়েছে জবাব। তারা অভিযোগ করে, এই হুমায়ুনকে নিয়ে তৃণমূল এবং বিজেপির এত কথা মানায় না। তারা নিজেরাই হুমায়ুনকে সঙ্গে নিয়ে ঘর করেছে। এখন সিপিএম কথা বললেই যত দোষ!
যদিও এই বৈঠক ঘরেই প্রশ্নের মুখে পড়েছেন সেলিম। তাঁকে নানা কথায় বিদ্ধ হতেও হচ্ছে।