এবার ৮৩ জন আধিকারিককে বদলির নির্দেশ EC-র, তালিকায় নন্দীগ্রামের BDO-ও

এই ব্যাপক রদবদলের তালিকায় রয়েছে কোচবিহারের দিনহাটা-২ ব্লক থেকে শুরু করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার-১ ও ২ নম্বর ব্লক পর্যন্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।

Advertisement
এবার ৮৩ জন আধিকারিককে বদলির নির্দেশ EC-র, তালিকায় নন্দীগ্রামের BDO-ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে আধিকারিকদের রদবদল
হাইলাইটস
  • আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে ফের বড়সড় প্রশাসনিক রদবদল
  • নির্বাচন কমিশনের দিল্লি দফতর থেকেই এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে বলে এক শীর্ষ নির্বাচন আধিকারিক জানিয়েছেন

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে ফের বড়সড় প্রশাসনিক রদবদল। রাজ্যের ১৮টি জেলার মোট ৮৩ জন ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (বিডিও) এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার (এআরও)-কে বদলি করল নির্বাচন কমিশন। 

এই ব্যাপক রদবদলের তালিকায় রয়েছে কোচবিহারের দিনহাটা-২ ব্লক থেকে শুরু করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার-১ ও ২ নম্বর ব্লক পর্যন্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর, নন্দীগ্রাম-১ ও ২, বীরভূমের নানুর, লাভপুর, সিউড়ি-১, মহম্মদ বাজার, ইলামবাজার এবং ময়ূরেশ্বর-১ সহ আরও বেশ কয়েকটি ব্লকের আধিকারিকদের বদলি করা হয়েছে। 

যে জেলাগুলিতে এই বদলির প্রভাব পড়েছে, তার মধ্যে রয়েছে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম।

নির্বাচন কমিশনের দিল্লি দফতর থেকেই এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে বলে এক শীর্ষ নির্বাচন আধিকারিক জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, 'আসন্ন নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা এবং সব পক্ষের জন্য সমান ক্ষেত্র তৈরি করতেই এই বদলি করা হয়েছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্থানীয় প্রভাব এড়াতে এই ধরনের পদক্ষেপ নিয়মিতভাবেই নেওয়া হয়।'

তবে এই পদক্ষেপ এমন এক সময় নেওয়া হল, যখন নির্বাচনকে ঘিরে রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রের মধ্যে আধিকারিক বদলি নিয়ে টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। এর আগেও একাধিক দফায় বিভিন্ন পদে থাকা আধিকারিকদের বদলি নিয়ে মতবিরোধ সামনে এসেছে।

এর আগে, গত ২৬ মার্চ বাসন্তী বাজার এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল কমিশন। বাসন্তী থানার আইসি অভিজিৎ পালের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছিল। কর্তব্যে গুরুতর গাফিলতির দায়ে অভিজিৎ পালকে গত ২৭ মার্চ সাসপেন্ড করা হয়।
 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement