
পশ্চিমবঙ্গের ৭ নির্বাচনী আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশিকায় ক্যানিং পূর্বের দুই AERO, সুতি বিধানসভার এক AERO, ময়নাগুড়ির এক AERO, ফরাক্কার এক AERO ও সামশেরগঞ্জের এক AERO, ডেবরার AERO-কে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। এই মর্মে রবিবারই একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে।
কী কারণে এই সাসপেনশন?
SIR-এর কাজে গাফিলতি, অসঙ্গতি এবং ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেই এই আধিকারিকদের সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে রাজ্যের CEO দপ্তর সূত্রে খবর। নির্বাচন কমিশন ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১৩সিসি ধারার অধীনে ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই অফিসারদের সাসপেন্ড করেছে। রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে লেখা চিঠিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই অফিসারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কোনওরকম বিলম্ব না করে অবিলম্বে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে পদক্ষেপ করতে হবে তাঁদের বিরুদ্ধে। তবে এই নির্দেশ পাওয়ার পরে রাজ্য কী পদক্ষেপ করছে, তা অবশ্যই কমিশনকে জানাতে হবে।
এর আগে রাজ্যের ৪ আধিকারিককের বিরুদ্ধে FIR করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পূর্ব মেদিনীপুর ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ERO এবং AERO-দের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। ওই আধিকারিকেরা ‘ভুয়ো’ বা ‘ভূতুড়ে’ ভোটারদের নাম তালিকায় বেআইনি ভাবে তুলেছেন বলে অভিযোগ ছিল। ওই ৪ আধিকারিক হলেন তথাগত মণ্ডল, দেবোত্তম দত্তচৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস। তাঁদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে FIR না করার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিবকে দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল।
ফর্ম ৭ নিয়েও রবিবার নতুন নির্দেশ এসেছে কমিশনের। সোমবারের মধ্যেই এতদিন পর্যন্ত রাজ্যের CEO দপ্তর ও DEO-দের দফতরে FORM 7 জমা পড়েছে সেগুলি ERO/AERO-দের পাঠিয়ে নিষ্পত্তির কাজ শেষ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।