জাতীয় উন্নয়ন পার্টিপশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আবার এক নতুন রাজনৈতিক দল। নাম JUP বা জাতীয় উন্নয়ন পার্টি। এই দলটি তৈরি করেছেন পীরজাদা সৈয়দ রুহুল আলম। তাঁর দাবি, শুধু মাইনোরিটি নয়, মেজোরিটি ভোটই লক্ষ্য।
ভোটের আগেই একাধিক নতুন দল
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আর বেশি দিন বাকি নেই। তার আগেই রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন নতুন দল সামনে আসছে। এর আগেই হুমায়ুন কবীর তৈরি করেছেন জনতা উন্নয়ন পার্টি। ছোট করে JUP। তিনি সিপিএম, কংগ্রেস এবং আইএসএফ সহ বিভিন্ন দলের সঙ্গে জোট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর এসবের মাঝেই আবার নতুন দল তৈরি হল বাংলায়। মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র এবং পীরজাদা হিসেবে পরিচিত সৈয়দ রুহুল আলম তৈরি করলেন জাতীয় উন্নয়ন পার্টি। এই পার্টিরও শর্ট ফর্মও সেই JUP। আর হুমায়ুন এবং আলমের দলের এই নামের এই মিলও কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের চর্চার কেন্দ্রে রয়েছে।
মাথায় রাখতে হবে, হুমায়ুন নিজের দলকে সেকুলার বলে ঘোষণা করছেন। তিনি সব ধর্মের মানুষকে নিজের দলের হয়ে ভোটে প্রার্থী করবেন বলে জানিয়েছেন। তবে এখনও এমন কিছু দাবি করেনি আলমের JUP। যদিও তিনি যে শুধু সংখ্যালঘু ভোটকে পাখির চোখ করছেন না, সেটা জানিয়ে দিয়েছেন।
২০২৪ সাল থেকেই রয়েছে...
পার্টির পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে তাঁরা নতুন কোনও দল নয়। জাতীয় উন্নয়ন পার্টি অনেক দিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে। তারা ২০২৪ সালে ইলেকশন কমিশনে নিজেদের নথিভুক্ত করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
কারও বি টিম নয়...
ভোটের আগে এভাবে দল গঠনকে অনেকেই বড় বড় রাজনৈতিক দলের বি-টিম বলে ঘোষণা করে দেন। তাঁরা ভোট কাটুয়া হিসেবেই মোটের উপর কাজ করে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে জাতীয় উন্নয়ন পার্টির পক্ষ থেকে।
কতগুলি সিটে লড়বে?
এই পার্টির তরফে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ১৫টি কেন্দ্রে তারা ভোটে প্রার্থী দেবে। এগুলির মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা এবং হাওড়া রয়েছে।
কী বলছেন তিনি?
'আমরা শুধু সংখ্যালঘু ভোটারদের সামনে রেখে ভোটে লড়ছি না। আমরা মেজোরিটি মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে চাই।' পাশাপাশি তাঁর দাবি আমরা এককভাবে লড়াই করতে চাই।
আর নতুন এই পার্টির দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন অনেকে। তাঁরা বোঝার চেষ্টা করছেন, ছাব্বিশের ভোটে ঠিক কোন দিকে যায় পরিস্থিতি।