শুভেন্দু অধিকারী'আমায় জিজ্ঞেস করলে বলব, নন্দীগ্রামে লড়তে চাই।' আজ নন্দীগ্রামে সাংবাদিকদের সামনে এমনটাই বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি তাঁর দাবি, এরপর পার্টি যা সিদ্ধান্ত নেবে তাই হবে। পার্টি অন্য কোথাও দাঁড়াতে বললেও তিনি পিছু হটবেন না বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। তবে তাঁর প্রথম পছন্দ যে নন্দীগ্রাম, সেটা আজ বলে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
মাথায় রাখতে হবে যে এবার ভোটে শুভেন্দু নন্দীগ্রামের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভবানীপুরে লড়বেন বলে জল্পনা তুঙ্গে রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে এহেন পোস্ট। এমনকী বিজেপির মধ্যেও কান পাতলে এমন খবর ভাসছে। যদিও আজ এই বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্যই করতে চাইলেন না শুভেন্দু। বরং তাঁর প্রথম পছন্দ নন্দীগ্রাম আসন বলেই জানিয়ে দিলেন। পাশাপাশি দল যদি এরপর তাঁকে অন্য কোনও দায়িত্ব দেয় বা অন্য কোথাও দাঁড় করায়, তাহলেও তিনি সেই দায়িত্ব পালন করবেন বলে দাবি করলেন।
এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'আমার ভাবার কিছু নেই। ভারতীয় জনতা পার্টিতে ব্যক্তিগতভাবে কিছু হয় না। এটা পিসি-ভাইপোর পার্টি নয়। এখানে ব্যক্তির সিদ্ধান্ত হয় না। এখানে সমষ্টিগত সিদ্ধান্ত হয়। ভারতীয় জনতা পার্টি আমায় না লড়ালেও ঠিক আছে, লড়তে দিলেও ঠিক আছে। আর আমাকে জিজ্ঞেস করলে বলব, আমি নন্দীগ্রামেই লড়ব। তারপর বিজেপি যদি বলে এটা করতে হবে, ওটা করতে হবে, তাই হবে। নন্দীগ্রামের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। আমাকে যদি লড়তেই হয় তাহলে নন্দীগ্রাম রেখেই আমি অন্য কিছু ভাবতে পারি।'
ভোট হোক কম দফায়
আজকের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে শুভেন্দু জানিয়ে দেন যে বিজেপি চাইছে কম দফায় ভোট হোক। এটাই কমিশনকে জানিয়েছে তারা। তবে দফা কম হলেও নিরাপত্তা জোরদার করার কথা বলেছেন শুভেন্দু।
তাঁর মতে, "বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে নিতে হবে। বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ 'চাটাদের' হাতে থাকলে ব্যবহার হবে না।" তাঁর আরও অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাস্তায় দেখা যাচ্ছে না। কোথাও কোনও বাহিনী নেই।
গতকালের গিরিশ পার্ক নিয়ে কী বললেন?
শুভেন্দুর মতে, এই ঘটনা ইচ্ছে করে ঘটনা হয়েছে। তৃণমূল এবং আইপ্যাক ইচ্ছাকৃত ভাবে ঝামেলা পাকিয়েছে।
৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটার
শুভেন্দুর কথায়, '৬০ লক্ষ বিবেচনাধীনকে সুপ্রিম কোর্ট দেখছে। জুডিশিয়াল অফিসাররা দেখছেন। যাঁরা ঠিক ঠাক তথ্য দেবে, তাঁদের নাম থাকবে... ডিজিটাল ফুট প্রিন্টের উপর সিদ্ধান্ত হচ্ছে। যাঁরা ঠিক ঠাক তথ্য দেবে না তাঁদের নাম থাকবে না।'