Pratik Ur Rahaman: 'গরিব মানুষকে অধিকার দিয়েছেন মমতা', ভবিষ্যৎ স্পষ্ট করলেন প্রতীক উর?

মমতার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার,যুবসাথীর মতো স্কিমের প্রশংসা করলেন। তাঁর মতে,'লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে আমরা ভিক্ষা বলেছিলাম, সেটা ভুল। আসলে গরিব মানুষকে অধিকার দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়'।

Advertisement
'গরিব মানুষকে অধিকার দিয়েছেন মমতা', ভবিষ্যৎ স্পষ্ট করলেন প্রতীক উর? প্রতীক উর রহমান
হাইলাইটস
  • জনপ্রিয়তাই কি ঈর্ষার কারণ হল?
  • জবাব দিলেন প্রতীক উর রহমান।

আর কোনও রাখঢাক নেই। তৃণমূলের যাওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন প্রতীক উর রহমান। মমতার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার,যুবসাথীর মতো স্কিমের প্রশংসা করলেন। তাঁর মতে,'লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে আমরা ভিক্ষা বলেছিলাম, সেটা ভুল। আসলে গরিব মানুষকে অধিকার দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়'। সদ্য 'সিপিএম-ত্যাগী' প্রতীক উরের এই একটা মন্তব্যেই স্পষ্ট হয়ে গেল তাঁর আগামীর গন্তব্য।  

মঙ্গলবার সিপিএমের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন প্রতীক উর রহমান। বৃহস্পতিবার এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রতীক অভিযোগ করলেন, দলে লবিবাজির শিকার। দমবন্ধ হয়ে আসছিল। তিনি বলেন,'আমি লবিবাজির শিকার। দলের অভ্যন্তরে একাধিক ইস্যুতে প্রশ্ন করার কারণে। নেতার শেখানো বুলি মেনে চলতে পারি না। এই যে বাংলা বাঁচাও যাত্রা হল, সেই তালিকায় নাম নেই সৃজন ভট্টাচার্যের। সৃজন আর আমি একসঙ্গে ছাত্র রাজনীতি করেছি। ওঁর মতো বাংলা ভাষার উপর দখল কারও নেই। সৃজনের নাম নেই। কেন নেই? এই প্রশ্ন করার জন্য টানা দু'বছর দলের কোনও পদে নেই'।

জনপ্রিয়তাই কি ঈর্ষার কারণ হল? সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রতীক উর। তাঁর কথায়,'দিনের পর দিন আস্তে আস্তে আমাকে আলাদা করে দেওয়া হল। এর আগের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রের সমালোচনা করেছি। যখন প্রশ্ন করেছিলাম সৃজন ভট্টাচার্য কেন নেই? বলা হল, জনপ্রিয়তার জামা পরানো হয়েছে তোমাদের গায়ে। সারাজীবন জিম করেও সেই জামাতে ফিট হতে পারবে না। আমাকে বললে অন্তরালে চলে যেতাম। ৮৪টা কেস রয়েছে। তার পরও শুনতে হয়েছে আমার সঙ্গে নাকি তৃণমূলের সঙ্গে সেটিং। এখন মনে হচ্ছে, রাজ্যের অনুমতি না থাকলে ডায়মন্ড হারবার থেকে চিঠি যেত!'

মহম্মদ সেলিমকে বিঁধেছেন প্রতীক উর। তাঁর কথায়,'যে বা যারা হুমায়ুনের সঙ্গে যখন বসতে যায়, তখন সেটিং হয় না! নিজে বিধায়ক-সাংসদ হওয়ার জন্য কখনও টাকা, কখনও সেটিং করে... আমি দাঁতে দাঁত চিপে লড়াই করলে সেটিং? আসলে কালিমালিপ্ত করে দাও। রাজ্য সম্পাদকের খাস লোক আছে। যাঁদের পরিমণ্ডলে আবদ্ধ থাকেন। ওঁর শেখানো বুলিই তাঁরা বলেন। ওঁর কথাতেই দল চলবে। আমি রাজ্য সম্পাদক চিঠি দিয়েছি। রাজ্য কমিটির সদস্যর সঙ্গে কথা বলার আপনার সময় নেই। হুমায়ুনের সঙ্গে বৈঠক করার সময় আছে। এই দ্বিচারিতা কত দিন চলবে?'

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement