অমিত শাহ নিয়ে কুণাল ঘোষ২০২৬ সালের ভোটে বিজেপির জয় নিয়ে নিশ্চিত মনে করছেন অমিত শাহ। তাঁর মতে, বড় মার্জিনে বাংলা জিতবে বিজেপি। সেই মতো চলছে প্রস্তুতি। যদিও শাহের এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন কুণাল। তিনি অমিত শাহকে 'ব্যর্থ জ্যোতিষ' বলে দাগিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, 'অমিত শাহ একজন ব্যর্থ জ্যোতিষ। ২০২১ সালে তিনি বলেন, এই বার ২০০ পার। সেই ভোটে বিজেপি পেয়েছিল ৭৭ সিট। এখন তো মাত্র ৬৩ বিধায়ক রয়েছে। কমেই যাচ্ছে। আবার ২০২৪ সালে তিনি দাবি করেছিলেন বিজেপির সাংসদ সংখ্যা বাড়বে। তবে সেটা কমেছিল। এঁরা হলেন রাজনৈতিক ট্যুরিস্ট। বাংলার উন্নয়নের সঙ্গে এঁদের কোনও যোগ নেই। তাঁরা ইলেকশনের আগে আসেন। হারার পর তাঁদের খোঁজ পাওয়া যায় না।'
অনুপ্রবেশ নিয়ে কী দাবি?
পশ্চিমবঙ্গের অনুপ্রবেশ সমস্যা নিয়ে গতকাল সরব হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অনুপ্রবেশের জন্য তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি দাগিয়ে দেন শাহ। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সেই বক্তব্যেরই পাল্টা দিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, 'অমিত শাহ যে অনুপ্রবেশের কথা বলছেন, সেটা হয় আন্তর্জাতিক সীমানা থেকে। আর ইন্টারন্যাশনাল বর্ডার অমিত শাহের বিএসএফ-এর নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই এই অভিযোগের কোনও ভিত্তিই নেই।'
অর্থাৎ অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যেই সব দাবি ছিল, সেগুলি উড়িয়ে দিলেন কুণাল ঘোষ।
রোহিঙ্গা নিয়ে কী বললেন?
শনিবারের বৈঠকে রোহিঙ্গা নিয়েও মমতা সরকারকে আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তাঁর মতে, সারা দেশের জন্য এটা সমস্যার বিষয়। তবে এই বক্তব্যেরও পাল্টা দিয়েছেন কুণাল। তিনি বলেন, 'রোহিঙ্গার কথা অনেকবার তুলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে কোনও রোহিঙ্গার নামই খুঁজে পাওয়া যায়নি ভোটার লিস্টে। তাহলে কেন এই ধরনের বিভ্রান্তি গড়ে তোলা হচ্ছে?'
আনন্দপুর নিয়ে কী বললেন কুণাল?
আনন্দপুরের ঘটনা নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেছিলেন শাহ। তিনি দাবি করেন, মমতা সরকারের ব্যর্থতার জন্যই এত মৃত্যু ঘটেছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আঁতাত রয়েছে ওই মোমো সংস্থার মালিকের। আর এই দাবির বিরুদ্ধে কুণাল বলেন, 'আনন্দপুর ঘটনা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। এটা একটা দুর্ঘটনা। এই দুর্ঘটনা নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে।' পাশাপাশি কুণালের দাবি, ' দেশের আর্থিক অবস্থা খারাপ। ভারতের মধ্যবিত্ত, কৃষক, ব্যবসায়ীরা খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। দেশের মানুষের আর্থিক হাল খুবই খারাপ।'