Mamata Banerjee Letter To CEC: 'কোনও গাফিলতি, অনিয়ম ছাড়াই বদলি করা হয়েছে', জ্ঞানেশকে কড়া চিঠি মমতার

ভোটের আগেই পশ্চিমবঙ্গে একাধিক প্রশাসনিক রদবদল করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। আর সেই বদল নিয়েই ক্ষুদ্ধ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন পরিস্থিতিতে তিনি ১৬ মার্চ, সোমবার দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি লেখেন। সেই চিঠিতে তিনি রাজ্যের কয়েকজন শীর্ষ আমলা এবং পুলিশ আধিকারিকের বদলির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

Advertisement
'কোনও গাফিলতি, অনিয়ম ছাড়াই বদলি করা হয়েছে', জ্ঞানেশকে কড়া চিঠি মমতারজ্ঞানেশকে চিঠি দিলেন মমতা
হাইলাইটস
  • ভোটের আগেই পশ্চিমবঙ্গে একাধিক প্রশাসনিক রদবদল করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন
  • বদল নিয়েই ক্ষুদ্ধ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
  • সোমবার দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি লেখেন

ভোটের আগেই পশ্চিমবঙ্গে একাধিক প্রশাসনিক রদবদল করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। আর সেই বদল নিয়েই ক্ষুদ্ধ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন পরিস্থিতিতে তিনি ১৬ মার্চ, সোমবার দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি লেখেন। সেই চিঠিতে তিনি রাজ্যের কয়েকজন শীর্ষ আমলা এবং পুলিশ আধিকারিকের বদলির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

এই বদলি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী গভীর উদ্বেগ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি চিঠিতে লেখেন, নির্বাচন কমিশন হঠাৎ করে রাজ্যের মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র ও পাহাড় বিষয়ক সচিব এবং ডিরেক্টর জেনারেল ও ইনস্পেক্টর জেনারেল অফ পুলিশকে বদলির নির্দেশ দিয়ে দিয়েছে। এই নির্দেশগুলি নির্বাচন ঘোষণার পরপরই ১৫ ও ১৬ মার্চ জারি করা হয়েছে। 

প্রসঙ্গত, ভোট ঘোষণার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মিনাকে সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। তারপর একে একে আরও একাধিক বদলি করে কমিশন। যেমন ডিজি পীযূষ পাণ্ডের জায়াগায় আনা হয়েছে সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে। বদলি করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকেও। তাঁর জায়গায় এসেছেন অজয় কুমার নন্দ। এছাড়া এডিজি আইনশৃঙ্খলার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বিনীত গোয়েলকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব নিয়েছেন মুকুন্দ রানাডে। 

আর ভোট ঘোষণার পর এহেন বদলকে ভাল চোখে দেখছেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তাই তিনি এই বদলি নিয়ে মুখ্য কমিশনার জ্ঞানেশকে চিঠি লিখেছেন।

সেই চিঠিতে মমতা এই ব্যাপক বদলিকে 'ইচ্ছে মতো' এবং 'অযৌক্তিক' বলে উল্লেখ করেন। চিঠিতে তিনি লেখে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনও ধরনের গাফিলতি বা অনিয়মের অভিযোগ ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

তাঁর আরও অভিযোগ, এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সাধারণত রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলে কমিশন। যদিও এবার সেই কাজ করা হয়নি। এমনকী শূন্যপদ পূরণের জন্য কোনও প্যানেলও চাওয়া হয়নি বলে খবর মিলেছে। নিজের থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

আর তাতেই ক্ষুদ্ধ মমতা। তাই তিনি এই বদলিকে একতরফা বলেন। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রীয়-গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার পরিপন্থী বলে দেগে দেন।

Advertisement

যদিও চিঠির শেষে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধও করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লেখেন, ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনও পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে যেন বিরত থাকে কমিশন। তাতেই কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় থাকবে বলে মনে করেন তিনি। 

 

POST A COMMENT
Advertisement