লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিপশ্চিমবঙ্গে SIR নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কার্যত মুখ পুড়েছে নির্বাচন কমিশনের। শীর্ষ কোর্ট আদেশ দিয়েছে, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে যেই সব ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে, তাঁদের নাম প্রকাশ করতে হবে। আর এই আদেশকেই নিজেদের জয় হিসেবে দেখছে তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ, তাঁরা প্রথম থেকেই এই বিষয়টা নিয়ে সরব ছিল। আর অবশেষে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের সেই দাবিকেই মান্যতা দিল শীর্ষ আদালত।
আর এই আদেশের পরই অধিকাংশ মানুষ জানতে চাইছেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বিষয়টি আদতে কী? আর সেই উত্তরটাই রইল নিবন্ধটিতে।
লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি কী?
সহজে বললে, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি হল তথ্যগত অসঙ্গতি। এমন ৯৪ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটারকে চিহ্নিত করেছে কমিশন। তাঁদের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জন্য নোটিস পাঠান হচ্ছে।
কী কী অসঙ্গতি থাকলে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ধরা হয়?
আসলে কমিশনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে খোলসা করে কিছুই জানান হয়নি। তবে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলি হল- মা-বাবার বয়সের ব্যবধান ৫০ বছরের বেশি, সন্তান ও বাবা-মায়ের বয়সের ফারাক ১৫ বছরের কম, একজন ভোটারের সঙ্গে ৬ জনের বেশি ভোটারের নামের যোগ থাকা ইত্যাদি। এছাড়া কমিশনের প্রয়োজন হলে আরও কিছু ক্ষেত্রে নোটিস ধরাতে পারে।
কত জন এমন ভোটার রয়েছে?
কমিশন সূত্রে খবর, প্রথমে ১ কোটি ৩৬ লক্ষের নাম ছিল এই তালিকায়। তবে পরবর্তী সময় এই সংখ্যাটা কমানো সম্ভব হয়েছে। এখন ৯৮ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে ডাকা হচ্ছে বলে জানান হচ্ছে। আর এই সব ভোটারকেই নির্দিষ্ট দিনে শুনানিতে হাজির থাকতে হবে। দিতে হবে নির্দিষ্ট প্রমাণ।
কী কী প্রমাণ দিতে হবে?
এক্ষেত্রে কমিশনের তরফ থেকে কয়েকটি নথির কথা প্রথমেই উল্লেখ করা হয়েছিল। আর শুনানিতে এই সব নথিই জমা করতে হবে বলে জানা গিয়েছে। সেগুলি হল-