scorecardresearch
 

Corona : "৭মে-এর মধ্যে পিকে উঠবে করোনা", মত এম বিদ্যাসাগরের

ইন্ডিয়া টুডে টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এম বিদ্যাসাগর বলেন, "যদি সামগ্রিক দেশের বিচার করা হয়, তবে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে করোনা কমতে দেখা যেতে পারে। তবে বিভিন্ন রাজ্যে এই শিখরে পৌঁছানোর সময়টি পৃথক হবে। যদি বাস্তবেই এমনটা হয় তবে সেটা দেশের জন্য অনেক বড় স্বস্তি হবে।" তিনি আরও বলেন, "আমরা ৭ দিনের গড় নিয়ে কাজ করি, কারণ প্রতিদিনই সংখ্যাগুলি ওঠানামা করে। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে সেই সংখ্যা নামতে শুরু করবে।"

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
হাইলাইটস
  • "চলতি সপ্তাহেই পিকে করোনা"
  • মনে করছেন এম বিদ্যাসাগর
  • এই বিষয় রয়েছে ভিন্নমতও

"করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ের (Corona Second Wave) সর্বোচ্চ দাপট দেখা যেতে পারে চলতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যেই।" এমনটাই জানালেন কোভিড ১৯ সংক্রান্ত সরকারের ম্যাথামেটিক্যাল মডেলিং বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম বিদ্যাসাগর (M Vidyasagar)। ইন্ডিয়া টুডে টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিদ্যাসাগর বলেন, "যদি সামগ্রিক দেশের বিচার করা হয়, তবে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে করোনা কমতে দেখা যেতে পারে। তবে বিভিন্ন রাজ্যে এই শিখরে পৌঁছানোর সময়টি পৃথক হবে। যদি বাস্তবেই এমনটা হয় তবে সেটা দেশের জন্য অনেক বড় স্বস্তি হবে।" তিনি আরও বলেন, "আমরা ৭ দিনের গড় নিয়ে কাজ করি, কারণ প্রতিদিনই সংখ্যাগুলি ওঠানামা করে। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে সেই সংখ্যা নামতে শুরু করবে।"


 
অধ্যাপক বিদ্যাসাগর বলেন, "প্রতিটি রাজ্য়ে পৃথক সময় পিকে উঠবে করোনা এবং তারপর নামতে শুরু করবে। যেমন বর্তমানে মহারাষ্ট্রে দেখা যাচ্ছে।" তিনি বলেন, "দ্বিতীয় ঢেউ মহারাষ্ট্রেই শুরু হয়েছিল। যে সমস্ত রাজ্য মহারাষ্ট্র থেকে দূর অবস্থিত তারা ধীরে ধীরে পিকে উঠবে ও তারপর নামবে। আর যে রাজ্যগুলি মহারাষ্ট্রের কাছে সেগুলি খুব দ্রুত পিকে উঠবে এবং তারপর সেখানে করোনার সংখ্যা হ্রাস পেতে শুরু করবে।" তবে মে মাসের পরে আর কোনও রাজ্যের পিকে যাওয়ার সম্ভাবনা  নেই বলেই মনে করেন বিদ্যাসাগর। 

অধ্যাপক এম বিদ্যাসাগর বলছেন," পিকে পৌঁছতে প্রায় সাড়ে ৩ মাস সময় লেগেছে। নামতেও কমবেশি একই সময় লাগবে। এপ্রিল মাসের ১ তারিখে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭৫ হাজার। একমাস পর সেই সংখ্যাটা ৪ লক্ষে পৌঁছায়।" মে মাসের শেষের দিকে সংখ্যাটা নেমে দৈনিক ১.২ লক্ষ্যে পৌঁছানো উচিত বলে মনে করেন তিনি। তবে সংখ্যাটা শূন্যয় পৌঁছবে না বলেই জানিয়েদেন বিদ্যাসাগর।

তবে এই বিষয়ে ভিন্ন মতামতও রয়েছে। অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজির অধ্যাপক গৌতম মেনন মনে করেন, মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বা মাঝামাঝির দিকে পিকে পৌঁছবে করোনা। অন্যদিকে ব্রাউন ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ পাবলিক হেলথের ডিন আশিস ঝা অধ্যাপক বিদ্যাসাগরের বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন। দ্বিতীয় ঢেউতে যত দ্রুত সংখ্যা বেড়েছে, তত দ্রুত তা নামবে না বলেই মনে করেন আশিস ঝা।