scorecardresearch
 
 

বিনিয়োগ ছিল ৪৩,৫০০ কোটি , ফ্রিজ হল আদানি গ্রুপের ৩ বিদেশি তহবিল

জাতীয় সিকিউরিটিজ ডিপোজিটরি লিমিটেড (NSDL) তিনটি বিদেশি তহবিলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে। এই তহবিলগুলি আদানি গ্রুপের বিভিন্ন কোম্পানিতে ৪৩,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল। এই কারণে আদনি গ্রুপের কোম্পানির শেয়ারে ব্যাপক পতন দেখা গিয়েছে।

 আদানি গ্রুপের ৩ বিদেশি তহবিল ফ্রিজ করা হল আদানি গ্রুপের ৩ বিদেশি তহবিল ফ্রিজ করা হল
হাইলাইটস
  • আদানি গ্রুপের ৩ বিদেশি তহবিল ফ্রিজ করা হল
  • বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৪৩,৫০০ কোটি
  • খবর সামনে আসতেই শেয়ারে ব্যাপক পতন

জাতীয় সিকিউরিটিজ ডিপোজিটরি লিমিটেড (NSDL) তিনটি বিদেশি তহবিলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে। এই তহবিলগুলি আদানি গ্রুপের বিভিন্ন কোম্পানিতে  ৪৩,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল। এই কারণে আদনি গ্রুপের কোম্পানির শেয়ারে ব্যাপক পতন দেখা গিয়েছে।

NSDL Albula বিনিয়োগ তহবিল, Crest তহবিল এবং APMS বিনিয়োগ তহবিলের অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করেছে। আমানতকারীর ওয়েবসাইট অনুসারে, এই অ্যাকাউন্টগুলি ৩১ মে বা তার আগে প্রিজ করা হয়েছে।

সমস্ত তালিকাভুক্ত সংস্থার শেয়ার কমেছে
 এই খবরের কারণে, আজ আদানি গ্রুপের শেয়ারগুলি গত নিম্নমুখী ছিল। আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ার ১৫  শতাংশ কমে  ১৩৬১.২৫ টাকায়  এসে দাঁড়িয়েছে। আদনি পোর্টস ও ইকোনমিক জোনের শেয়ার কমেছে ১৪ শতাংশ, আদানি পাওয়ার ৫ শতাংশ, আদানি ট্রান্সমিশন ৫ শতাংশ, আদানি গ্রিন এনার্জি ৫ শতাংশ, আদানি টোটাল গ্যাস পাঁচ শতাংশ কমেছে।

এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে আদানি গ্রুপের পক্ষ থেকে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই তিনটি তহবিলই মরিশাস থেকে এবং সেবি-তে বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারী (FPIs) হিসাবে নিবন্ধিত হয়েছে। তিনটির একসাথে অদানf এন্টারপ্রাইজে ৬.৮২ শতাংশ, আদানি ট্রান্সমিশনে ৮.০৩ শতাংশ, আদানি টোটাল গ্যাসে ৫.৯২ শতাংশ এবং আদনি  গ্রিনে ৩.৫৮ শতাংশ বিনিয়োগ রয়েছে।

কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে 
ইকোনমিক টাইমসের মতে, মালিকানা সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য না দেওয়ার কারণে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হওয়ার অর্থ এই তহবিলগুলি আর তাদের অ্যাকাউন্টে শেয়ার বিক্রি করতে বা নতুন শেয়ার কিনতে পারবে না।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পরিচালিত করা এই আমানতকারীরা বলেছে যে অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং আইন (MLA) এর আওতায় এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে মালিকানা নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য প্রকাশ না করার কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গ্রাহকরা সাধারণত এ জাতীয় পদক্ষেপের আগে তাদের ক্লায়েন্টদের নোটিশ দেন, তবে ফান্ডের  কাছ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া না এলে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ  করার মতো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।