কংগ্রেসে দল ভাঙানোর আশঙ্কা। প্রতীকী ছবিনির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা আগেই দল ভাঙানোর আশঙ্কা। অসমের অন্তত ২২ কংগ্রেস প্রার্থীকে জয়পুরে নিয়ে আসা হয়েছে। জয়পুরের একটি বিলাসবহুল হোটেলে নিয়ে আসা হয়েছে ওই প্রার্থীদের। সূত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে। অসমের বিধানসভা নির্বাচন সদ্য শেষ হয়েছে। ফল ঘোষণা ২রা মে। তার আগেই ২২ প্রার্থীকে জয়পুরের নিয়ে আসা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। এর আগে কর্ণাটক কিংবা রাজস্থানের বিধায়কদের দল ভাঙানোর রুখতে কংগ্রেস এমনটা করেছিল। তবে ভোটের ফল ঘোষণার আগেই প্রার্থীদের হোটেলে রাখতে হচ্ছে, এমন ঘটনা বোধহয় আগে হয়নি।
জয়পুরে নিয়ে আসা হল বিধায়কদের
জানা গিয়েছে, পুরো বিষয়টি দেখভাল করছে কংগ্রেসের চিফ হুইপ মহেশ জোশি ও কংগ্রেস বিধায়ক রফিক খান। কংগ্রেসের পাশাপাশি নিয়ে আসা হয়েছে বদরুদ্দিন আজমলের এআইইউডিএফ প্রার্থীদেরও। অসমে বদরুদ্দিনের এই দলের সঙ্গে জোটে লড়েছে কংগ্রেস। তবে ঠিক কোন কারণে এই প্রার্থীদের নিয়ে আসা হয়েছে, সেই বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানায়নি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। জয়পুরের হোটেল ফেয়ারমাউন্টে রাখা হয়েছে ওই প্রার্থীদের। সেখানে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, কোচবিহারের মাথাভাঙ্গার TMC প্রার্থী গীরিন বর্মন আক্রান্ত বলে অভিযোগ! কাঠগড়ায় BJP
দল ভাঙানোর আশঙ্কা
শুধু অসম নয়, দল ভাঙানোর ছায়া রয়েছে বঙ্গের ভোটেও। বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক ও নেতা বিজেপিতে গিয়েছেন। তাদের অনেকে প্রার্থী হয়েছেন। কয়েকদিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক জনসভা থেকে মন্তব্য করেন, বাংলার বিধানসভায় জিততে গেলে ২০০ আসন তার চাই। না হলে কিছু গদ্দারকে আবার টাকা খাইয়ে ভাঙিয়ে নিতে পারে ওরা। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই শুরু হয়েছে জল্পনা। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে ফের দল ভাঙানোর আশঙ্কা করছেন মমতা। বাংলার বিধানসভায় মোট ২৯৪টি আসন। ম্যাজিক ফিগার ১৪৮। সেখানে তৃণমূল নেত্রী বলছেন ২০০ আসন না পেলে সরকারই গঠন করতে পারবেন না। স্বাভাবিক ভাবেই মমতার এই মন্তব্য ঘিরে প্রবল জল্পনা শুরু হয়েছে। তবে এখন এই রাজ্যে প্রার্থীদের কোথাও গিয়ে রাখা হয়েছে, এমন দৃশ্য দেখা যায়নি। কিন্তু অসমে অন্তত ২০ প্রার্থীকে জয়পুরে নিয়ে গিয়েছে কংগ্রেস।