কৌস্তভের 'কালো ঝাঁকড়া চুল' দেখার শখ স্ত্রীর, bangla.aajtak.in-এ প্রথম প্রতিক্রিয়া প্রীতির

২০২৩ সালের ৪ মার্চ প্রতিজ্ঞা করেছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায় না হারা অবধি মাথায় চুল রাখবেন না। তখনও ক্ষমতা থেকে অনেক দূরে আইনজীবী কৌস্তভ বাগচি। এত দিন পর্যন্ত সেই প্রতিজ্ঞা বজায় রেখেছিলেন কৌস্তভ। অবশেষে ৩৮ মাস মাথায় চুল রাখার বিষয়ে আর কোনও বাধা রইল না কৌস্তভের। কৌস্তভের জয়ে উচ্ছ্বসিত স্ত্রী প্রীতি। গোটা রাজ্যে গেরুয়া ঝড়ের মধ্যে ব্যারাকপুর থেকে জিতলেন কৌস্তভও।

Advertisement
কৌস্তভের 'কালো ঝাঁকড়া চুল' দেখার শখ স্ত্রীর, bangla.aajtak.in-এ প্রথম প্রতিক্রিয়া প্রীতিরকৌস্তভ ও প্রীতি
হাইলাইটস
  • স্বামী কৌস্তভের জয়ের পর কী বললেন প্রীতি?
  • ইতিহাস গড়ে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি

২০২৩ সালের ৪ মার্চ প্রতিজ্ঞা করেছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায় না হারা অবধি মাথায় চুল রাখবেন না। তখনও ক্ষমতা থেকে অনেক দূরে আইনজীবী কৌস্তভ বাগচি। এত দিন পর্যন্ত সেই প্রতিজ্ঞা বজায় রেখেছিলেন কৌস্তভ। অবশেষে ৩৮ মাস মাথায় চুল রাখার বিষয়ে আর কোনও বাধা রইল না কৌস্তভের। কৌস্তভের জয়ে উচ্ছ্বসিত স্ত্রী প্রীতি। গোটা রাজ্যে গেরুয়া ঝড়ের মধ্যে ব্যারাকপুর থেকে জিতলেন কৌস্তভও।

কী হেয়ারস্টাইল হবে কৌস্তভের?
bangla.aajtak.in-কে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় প্রীতি জানালেন, 'যেদিন ও মাথা মুড়িয়েছিল, সেদিনও আমি পাশে ছিলাম। আজও আছি। এটা সাধারণ মানুষের জয়। আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাবো।' সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। কৌস্তভ কি হেয়ারস্টাইল করবেন? প্রীতি এই প্রশ্ন শুনে বলেন, 'আগে যে হেয়ারস্টাইল ছিল, সেই রকমই থাকবে। কালো ব্যাকব্লাশ করা চুলই থাকবে। মাথা ভর্তি চুল নিয়ে বিধানসভায় যাবে কৌস্তভ।'

উচ্ছ্বসিত প্রীতি
গোটা রাজ্যজুড়ে বিজেপি যখন ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছেন, তখন এই উচ্ছ্বাস খুব স্বাভাবিক। প্রীতি বলেন, 'প্রচুর লড়াই করেছি। কৌস্তভও লড়াই করেছে। এটা বিরাট জয়। বাংলার মানুষ ভরসা রেখেছেন বিজেপি-র উপর। এটা আমার কাছে আনন্দের।' ব্যারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তথা তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীর তুলনায় প্রায় ১২ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন কৌস্তভ। ইতিমধ্যেই গণনাকেন্দ্রের বাইরে গেরুয়া আবির মেখে আনন্দে মেতেছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। 

তবে প্রীতি কিন্তু সতর্ক করছেন তাঁর দলের কর্মীদের। তিনি বলেন, 'কোনও জায়গায় ঝামেলা করা উচিত নয়। শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা উচিত। এটুকুই বলব কর্মীদের।' প্রীতি যখন এ কথা বলছেন, তার কিছুক্ষণ আগেই, ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীকে গগনাকেন্দ্রের ভেতরে হেনস্থার স্বীকার হতে হয়। তাঁকে কাদা ছুড়ে মারা হয়। তবে যদিও এ ঘটনা সমর্থন না করলেও, রাজ গননাকেন্দ্র থেকে চলে যাওয়ায় প্রীতি বলেন, 'ভাল লাগছে, যখন দেখলাম কাউন্টিং সেন্টার থেকে রাজ চক্রবর্তী পালাচ্ছেন।'     

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement