scorecardresearch
 

এপ্রিলের শেষ সপ্তাহেই ভোটের ইঙ্গিত, 'গাফিলতিতে অপসারণ,' কড়া বার্তা কমিশনের

বুধবারই জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। সেখানেই জেলা শাসকদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কর্তব্যে গাফিলতি দেখলেই এবার অপসারণ করবে কমিশন। শোকজের উত্তরের অপেক্ষা না করেই এমন সিদ্ধান্ত নেবে তারা, তা সাফ জানান হয়েছে।

এপ্রিলের শেষ সপ্তাহের মধ্যে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহের মধ্যে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছে
হাইলাইটস
  • নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কর্তব্যে গাফিলতি দেখলেই এবার অপসারণ করবে কমিশন
  • শোকজের উত্তরের অপেক্ষা না করেই এমন সিদ্ধান্ত নেবে তারা
  • এপ্রিলের শেষ সপ্তাহের মধ্যে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার ইঙ্গিত

একুশের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে তৎপড়তা শুরু করেছে নির্বাচন কমিশনও। বুধবারই জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। সেখানেই জেলা শাসকদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কর্তব্যে গাফিলতি দেখলেই এবার অপসারণ করবে কমিশন। শোকজের উত্তরের অপেক্ষা না করেই এমন সিদ্ধান্ত নেবে তারা, তা সাফ জানান হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, বুধবার কলকাতায় সুদীপ জৈন, ডি এম, এস পি-সহ অন্যান্য পদস্থ অফিসারদের নিয়ে আগামী বিধানসভা নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয়ে পর্যালোচনা জন্যে বৈঠকে বসেন। আগামী মে মাসে সিবিএসই বোর্ড পরীক্ষার কথা বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন ইঙ্গিত দিয়েছে যে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহের মধ্যে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছে।  

ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, কমিশন সূত্রে এমনটাই খবর। পশ্চিমবঙ্গের ভারপ্রাপ্ত উপ-নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সমস্ত ডিএম এবং এসপিদের বলেছিলেন যে কমিশন কোনও অনাচার সহ্য করবে না এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন তাঁরা।  

কমিশনের এক আধিকারিক জানান, “সিবিএসই তাদের বোর্ড পরীক্ষা মে মাসে হবে। পরীক্ষাগুলি সারাদেশে সংগঠিত হবে। পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, আসাম ও তামিলনাড়ু এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল - চারটি রাজ্যে পুরো নির্বাচনের প্রক্রিয়া সাত দফায় সম্পন্ন করার কথা ভাবছে।" এপ্রিলের শেষে কমিশন যদি রাজ্যে সাত দফার নির্বাচন করার কথা ভাবে তবে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে দিন ঘোষণা হতে পারেই বলেই মত।

যদিও এই নির্বাচন নিয়ে সুদীপ জৈন রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং সমস্ত এসপিদের অ-জামিনযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা কঠোরভাবে কার্যকর করতে বলেছেন।  তিনি কলকাতার সিপি অনুজ শর্মাকে রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা আইনানুগভাবে বজায় রাখতে বলেছেন। এছাড়াও রাজ্যে এবছর কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাশার চেয়ে আরও বেশি বাহিনী থাকবে বলেই জানান হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে এই ঘটনা প্রথম। বর্তমানে পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং বিভিন্ন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নির্বাচনী ম্যাপ প্রস্তুত করছে কমিশন। ম্যাপিংয়ের কাজ শেষ হয়ে গেলে রাজ্যের জন্য প্রয়োজনীয় বাহিনী নিয়োগ করা হবে।  

কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে জেলা প্রশাসনকে বিহারের মডেলটি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত পোল কর্মীদের ব্যবস্থাও করছে।  জেলা প্রশাসনকে পর্যাপ্ত জায়গার ব্যবস্থা করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে যাতে ভোটাররা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পারে।