scorecardresearch
 

ভোট পরবর্তী হিংসা: রাজ্যপাল ধনকড়কে ফোন প্রধানমন্ত্রী মোদীর

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার রাজ্যপাল টুইট করে এ খবর জানিয়েছেন।

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
হাইলাইটস
  • ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
  • তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন
  • মঙ্গলবার রাজ্যপাল টুইট করে এ খবর জানিয়েছেন

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার রাজ্যপাল টুইট করে এ খবর জানিয়েছেন।

এদিন রাজ্যপাল টুইটে লেখেন, প্রধানমন্ত্রী ফোন করেছিলেন এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আমিও নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি। এখানে লুঠ, মারধর, খুনের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক কররা জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন।

এদিন সকালেও তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। টুইটে রাজ্য পুলিশ ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারের উদ্দেশে জগদীপ ধনখড় লেখেন, "গণতন্ত্রের পক্ষে লজ্জাজনক এমন অনর্থক হিংসা, খুন, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বন্ধ হওয়া উচিত। এই অরাজকতা নিয়ে বিশ্বব্যাপী বাঙালিরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।"

ট্যুইটে ধনখড় প্রশ্ন তোলেন, "কেন শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই নির্বাচন পরবর্তী হিংসা? কেন গণতন্ত্রের ওপরে এই হামলা? ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির ইঙ্গিত। আতঙ্কিত মানুষ প্রাণ বাঁচাতে পালাচ্ছেন।" একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কথা বলেন তিনি।

ইতিমধ্যে রাজ্যপালের কাছে দেখা করেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। ক্রমশ জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। জানা যাচ্ছে, এরপরেই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় সরকার। গোটা বিষয়টি বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

রবিবার বামফ্রন্ট সংযুক্ত মোর্চার পক্ষে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার আবেদন করেছিলেন। একই আবেদন করেছিলেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরই রাজ্যে একের পর এক জায়গায় গোলমাল হচ্ছে। বাড়ি ভাঙচুর, মারধরের ঘটনা ঘটছে। বিভিন্ন জেলায় অশান্তি হচ্ছে। শাসক থেকে বিরোধী- বাদ যাচ্ছে না কেউই।

রাজনৈতিক গোলমালের জেরে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সোমবারের পর মঙ্গলবারও একই ছবি।

রানিগঞ্জ বল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভট্টাচার্য পাড়ায় বিজেপি কর্মী সমর্থক এর বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।

সোমবার রাতে কেউ বা কারা বাড়িতে তাঁর না থাকার সময় বাড়ির চারপাশে ভাঙচুর চালায়।

পরে দু'টি বাড়ির মধ্যে মশাল জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এদিনের এই ঘটনায় ব্যাপক শোকের ছায়া এলাকায়।