কিন্তু শুধু তৃণমূল কংগ্রেসই নন, সারদা চিটফান্ডে নাম জড়িয়েছিল অসমের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ও কংগ্রেস নেতা মাতঙ্গ সিংয়েরও। তদন্ত যত এগোতে থাকে, ততই একের পর এক বিস্ফোরণ রাজনৈতিক যোগাযোগ সামনে আসতে থাকে। ওদিকে সর্বস্ব খুইয়ে তখন কাঁদছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। এজেন্টরা আত্মহত্যা করছেন। টাকা ফেরত চেয়ে এজেন্টদের বাড়িতে ভাঙচুর করছে ক্ষুব্ধ জনতা।
২০১১ সালে বদল। ৩৪ বছরের বাম সরকারের পতন। রাইটার্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে আবির্ভাবেই সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন। দীর্ঘ আন্দোলনের ইতিহাস। অবশেষে ২০১১ সালে তাঁর ক্ষমতায় আসা।
পানিহাটিতে প্রচারে সিপিএম প্রার্থী কলতান দাশগুপ্ত। bangla.aajtak.in-কে আরজি কর নির্যাতিতার মায়ের বিজেপিতে প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন কলতান। বলেন, "মায়ের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। তবে বিজেপি কোনওদিনও ধর্ষকদের বিচার দেবে না। তিলোত্তমার বিচার সেইদিন থেকে সাধারণ মানুষ চাইছে, বিজেপি আজ পর্যন্ত দিতে পারেনি। ওরা উন্নাও, হাথরাসেরও বিচার দিতে পারেনি। ধর্ষকদের মালা পরিয়ে নিয়ে গেছে। বিচারের জন্য আমরা লড়ছি।
NASA Artemis Mission 2026 Update: পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে ওরিয়ন মহাকাশযান এখন চাঁদের কক্ষপথের একদম দোরগোড়ায়। শুধু তাই নয়, পৃথিবী থেকে সবথেকে দূরতম দূরত্বে পৌঁছে এক অনন্য রেকর্ড তৈরি করেছেন চার সাহসী নভশ্চর।
শিল্পখরা বঙ্গে 'কৃষি আমাদের ভিত্তি, শিল্প আমাদের ভবিষ্যৎ' স্লোগান উঠেছিল। ২০০০ সালে জ্যোতি বসুর ইস্তফার পর মুখ্যমন্ত্রী হন। ২০০১ সালের ভোটে বামেদের বিরাট জয়। ২০০৬ সালেও তিনিই মুখ্যমন্ত্রী। তখন ব্র্যান্ড বুদ্ধ। কিন্তু সিঙ্গুরই তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্ব ইতি ঘটাল। সেই সঙ্গে বাংলার বাম রাজনীতিও চলে গেল অস্তাচলে।
জ্যোতি বসু। বাংলায় বাম সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী। ১৯৭৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত বাংলার প্রশাসন তাঁর হাতে। প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগও তাঁর কাছে এসেছিল। পরে আক্ষেপও করেছেন।
বাংলার শেষ কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়। ১৯৭৭ সালে তাঁকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসে বামেরা। বিলেত ফেরত ব্যারিস্টার। প্রথমবার জমিতেছিলেন ভবানীপুরে। বিধানচন্দ্র রায়ের মন্ত্রিসভায় ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ।
'সবাইকে চাপে রেখেছি। যাঁরা যাঁরা বিরোধিতা করেছে, চর্চা করেছে বা যাঁরা ডেকেছিল, সবাই চাপে ছিল। তাই বলে আমি আমার মনের মত কাজ করব না এটা হয় না।' মমতার তৈরি জগন্নাথ মন্দির দর্শন নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষ।
যুক্তফ্রন্টের মুখ্যমন্ত্রী। বাংলা কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৬৭ থেকে ১৯৭১ সালের মধ্যে দু'দফায় মুখ্যমন্ত্রী হন অজয় মুখোপাধ্যায়। নিজের সরকারের শিল্পমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাইটার্সের সামনে অবস্থান করেছিলেন।
বিধানচন্দ্র রায়ের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হন প্রফুল্লচন্দ্র সেন। বিলেতে উচ্চশিক্ষায় যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। গান্ধীর আদর্শে সেই বাসনা ছাড়েন। কংগ্রেসে যোগ দেন। ১৯৪৮ সালে বিধানচন্দ্রে মন্ত্রিসভায় কৃষিমন্ত্রী। ১৯৬২ সালে বিধানচন্দ্র রায়ের মৃত্যুর পর মুখ্যমন্ত্রিত্ব।
খড়্গপুরে প্রত্যাবর্তন দিলীপ ঘোষের। ২০১৬ সালে এই বিধানসভায় প্রথম প্রার্থী হন। প্রথমবারই জয়। তারপর মেদিনীপুর লোকসভার সাংসদ। ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে কেন্দ্রবদল। তারপর দলের সঙ্গে দূরত্ব। বিয়ে। সস্ত্রীক মমতার জগন্নাথ মন্দির দর্শন। কিন্তু ভোটের মাস কয়েক আগেই দিলীপ ফিরলেন। শুধু ফিরলেনই না প্রার্থীও হলেন। সাক্ষাৎকারে সব বিষয়েই অকপট উত্তর দিলেন খড়্গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থী। দেখুন পুরো ভিডিও।