scorecardresearch
 
স্পেশাল

Mariana Trench: সমুদ্রের গভীরতম স্থান! গোটা এভারেস্টটাই থাকবে জলের তলায় PHOTOS

মারিয়ানা খাত
  • 1/13

মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জ থেকে ২০০ কিলোমিটার পূর্বে বিস্তৃত বিশ্বের গভীরতম মহাসাগর সংখ্যা ৫০ কিলোমিটার লম্বা এবং ৬৯ কিলোমিটার চওড়া ট্রেঞ্চটির নাম দেওয়া হয়েছে নিকটবর্তী দ্বীপপুঞ্জের নামে। যা মারিয়ানা ট্রেঞ্চ বা মারিয়ানা খাত নামে বিখ্যাত।

মারিয়ানা খাত
  • 2/13

রহস্যময় মেঘের আড়ালে লুকোনো ঘুটঘুটে অন্ধকারে মারিয়ানা ট্রেঞ্চ এর রহস্য এখনও অজানা। কেউ কেউ অভিযানে নেমে কিছুদূর এগোলেও রহস্য উদ্ধার করতে পারেননি। কেউ বলেন প্রাণ আছে। কিন্তু এখনও তার প্রামাণ্য় কিছু পাওয়া যায়নি।

মারিয়ানা খাত
  • 3/13

মারিয়ানা খাত এই খাতের শেষ সীমায় তাপমাত্রা ১ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকে। হাড়-হিম ঠাণ্ডায় এই খাতের স্তম্ভের চাপ ও স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি। প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে চাপের পরিমাণ প্রায় ৮ টন। যা সমুদ্রতলে স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপের তুলনায় প্রায় হাজার গুণ বেশি। খাতের শেষ প্রান্তটিকে চ্যালেঞ্জার ডিপ বলে। 

মারিয়ানা খাত
  • 4/13

স্পেনের রাজা চতুর্থ ফিলিপের রানি ছিলেন মারিয়ানা। এক সময় আসপাশের দ্বীপগুলি স্প্যানিশ উপনিবেশ ছিল। তাই স্প্যানিশ রানির নামে নামকরণ করা হয়েছিল। প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের এই দীপগুলি আসলে ঘুমিয়ে থাকা আগ্নেয়গিরির চূড়া।

মারিয়ানা খাত
  • 5/13

ভূতাত্ত্বিকদের মতে পৃথিবীর ভিতরে যখন দুটি টেকটোনিক পাতের মধ্যে সংঘর্ষ হয় তখন একটি পাদ দ্বিতীয়টির নীচে ঢুকে গেলে, মারিয়ানা ট্রেঞ্চ এর মত গভীর সামুদ্রিক খাতের সৃষ্টি হয়। এটিও সেভাবেই হয়েছে।

মারিয়ানা খাত
  • 6/13

পৃথিবীর উচ্চতম শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের শীর্ষে বহু অভিযাত্রী পৌঁছাতে পেরেছেন। কিন্তু মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরে কমসংখ্যক যাত্রী যেতে পেরেছেন। ১৯৬০ সালে দুজন আমেরিকান জ্যাক পিকার্ড এবং জন ওয়ালশ পৌঁছেছিলেন ট্রেঞ্চের গভীরে।

মারিয়ানা খাত
  • 7/13

একটি বিশেষ জলযানে করে সমুদ্র অভিযানের তাদের পাঠানো হয়। ৫ ঘন্টা ধরে গভীরে যাওয়ার পর তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছেন। কিন্তু চ্যালেঞ্জার ডিপের গভীরতা থাকতে পেরেছেন তারা মাত্র ২০ মিনিট। ১০ হাজার ৯১৬ ফিট গভীরে যেতে পেরেছিলেন তাঁরা।

মারিয়ানা খাত
  • 8/13

যাত্রাপথের কোনও ছবি তুলতে পারেননি তাঁরা। কিন্তু মেঘের মত একটা বস্তু তাঁদের চারিদিকে ঘিরে ছিল। সেই কারণে তারা কোনও কিছু দেখতে পাননি। কিন্তু মহাসাগরের গভীরে মেঘ কোথা থেকে আসবে? আসলেই মেঘের মতো আকারে জলবায়ুর জলীয় বাষ্প নয় এটা হল কাদামাটি অন্যান্য উপকরণের সমষ্টি। জলের নীচে জমতে জমতে মেঘের মতো হয়ে গিয়েছে।

মারিয়ানা খাত
  • 9/13

অভিযাত্রীরা খোঁজ নিতে চেয়েছিলেন যে গভীরে জীবনের অস্তিত্ব আছে কি না। কিন্তু পিকার্ড অবশ্য বারবার দাবি করেছিলেন তিনি গভীর খাতে একটি ফ্ল্যাট ফিশ দেখেছিলেন। কিন্তু বিজ্ঞানীরা তার সঙ্গে সহমত হননি। যেহেতু কোনও ছবি তাঁরা তুলতে পারেননি, তাই সেটি গ্রাহ্য হয়নি। বিজ্ঞানীদের দাবি জলের অত চাপে কোন প্রাণী জীবিত থাকতে পারেনা। কারণ চাপের ফলে ক্যালসিয়াম দ্রবীভূত হয়ে যাবে। ক্যালসিয়াম গলে গেলে প্রাণীর হাড়ের গঠন অসম্ভব।

 

মারিয়ানা খাত
  • 10/13

তবে সমুদ্র বিজ্ঞানীরা মনে করেন এর গভীরে অনেক রহস্য লুকিয়ে আছে। ২০১২ সালে প্রথম অভিযানের প্রায় ৫০ বছর পর ফের মানুষ মারিয়ানা খাতে নামে। এবার নামেন চিত্র পরিচালক জেমস ক্যামেরন। তিনি পৌঁছেছিলেন ১০ হাজার ২২৮ মিটার। একটুর জন্য বেঁচে যায় প্রথম দুই অভিযাত্রীর রেকর্ড।

মারিয়ানা খাত
  • 11/13

তবে সম্প্রতি আরেক অভিযাত্রী পৌঁছেছিলেন ১০ হাজার ৯২৭ মিটার পর্যন্ত।  তিনি প্রথম জানতে পেরেছেন, মারিয়ানা খাতের অগভীর অংশে বেশ কিছু সামুদ্রিক প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে।

মারিয়ানা খাত
  • 12/13

তবে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত আরও কিছু রয়েছে, যা এখনও পৃথিবীর লোক জানতে পারেননি। রহস্য রোমাঞ্চের মেঘ ভেদ করে খাতের গভীরে আরও অভিযানের প্রস্তুতি চলছে। 

মারিয়ানা খাত
  • 13/13

চরম পরিবেশে কী করে প্রাণীগুলি নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে? সেই রহস্য জানা গেলে মেডিসিন বায়ো-টেকনোলজির অনেক বন্ধ দরজা খুলে যাবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে মারিয়ানা খাতের গভীরতা চালানোর সময় প্লাস্টিক পাওয়া গিয়েছে। জানার পর মুষড়ে পড়েছেন বিজ্ঞানীরা।