
আইপিএল-এর শুরু থেকেই একের পর এক ক্রিকেটার চোটের কবলে পড়েছিলেন। যার জেরে সমস্যায় পড়তে হয় কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। একের পর এক বোলারের চোট সমস্যায় ফেলে নাইট শিবিরকে। শেষ অবধি সাত নম্বরে শেষ করে কলকাতা। তবে পরের মরসুমে এই পাঁচ ক্রিকেটারকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা অল রাউন্ডারকে এবারে ২৫ কোটি টাকার বিনিময়ে কিনলেও, সেভাবে দাগ কাটতে পারেননি। ১৪টি ম্যাচে করেছেন ৩২২ রান। প্রথম চারটি ম্যাচে বল করতে পারেননি। পরের ১০টি ম্যাচে ৭ উইকেট। তাই ২৫ কোটি টাকা দিয়ে গ্রিনকে ধরে রাখার সম্ভাবনা কম।

১৮ কোটি টাকায় মাথিশা পাথিরানাকে দলে নিলেও, তাঁকে একটাও ম্যাচ খেলাতে পারেনি কেকেআর। পরে যোগ দিলেও ফিটনেস সমস্যার কারণে খেলানো যায়নি। গত ১৬ মে গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে তাঁকে নামানো হয়। ১.২ ওভার বল করার পর আবার চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। তাঁকে হয়ত আর ধরে রাখা হবে না।

হর্ষিত রানা, মাথিশা পাথিরানাদের অনুপস্থিতিতে তাঁর উপরে অনেকটা ভরসা করেছিলেন অভিষেক নায়ারেরা। বৈভব আস্থার মর্যাদা দিতে পারেননি।গোটা প্রতিযোগিতায় বৈভবের উইকেট সংখ্যা ১১টি। ওভার প্রতি ১০.২৬ রান দিয়েছেন। তাঁকে ছেড়ে দিতে পারেন কেকেআর কর্তৃপক্ষ।

গত দুই মরসুম অজিঙ্কা রাহানে ক্যাপ্টেন হিসেবে কাজ করেছেন। তবে প্লে অফে যেতে পারেনি দল। ফলে পরের মরসুমে তাঁকে নাও রাখা হতে পারে। ব্যাট হাতে একেরাবেই রান পাননি। ১৪টি ম্যাচে ৩৩৫ রান করেছেন ১৩৫.০৮ স্ট্রাইক রেটে। আগামী বছর রাহানের বয়স হবে ৩৮।

রমনদীপ সিংকে কেকেআর ফিনিশার হিসেবে ভাবলেও, তিনি সেভাবে দাগ কাটতে পারেননি। ফিনিশার তো দূরের কথা তাঁর স্ট্রাইক রেট আধুনিক টি২০ ক্রিকেটে যে কোনও ক্ষেত্রেই বেমানান। গোটা প্রতিযোগিতায় ৬৮টি বল খেলে ৮টি চার এবং ২টি ছয় মেরেছেন। ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাট করতে নেমে তাঁর স্ট্রাইক রেট ১২০.৫৮। ফলে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

কেকেআর প্রথম দিকে পরপর ম্যাচ হেরে নিজেদের কাজটা আরও কঠিন করে ফেলেছে। ফলে শেষদিকে পরপর ম্যাচ জিতলেও, সেই ক্ষতি পূরন করা যায়নি। এর ফলে পরপর দুই মরসুম প্লে অফে যেতে পারল না কেকেআর।