ইমামি ও ইস্টবেঙ্গল সম্পর্ক নিয়ে চর্চাইমামি ইস্টবেঙ্গল দ্বন্দ এখন প্রকাশ্যে। মূলত এবারের আইএসএল-এ লাল-হলুদের হোম গ্রাউন্ড কোনটা হবে সেটা নিয়েই চলছে বিতর্ক। ইস্টবেঙ্গল ক্লাব যেখানে চাইছে যুবভারতীতেই হোক ঘরের সমস্ত ম্যাচ, সেখানে ইমামি আবার ফেডারেশনকে জানিয়ে দিয়েছে তারা সব হোম ম্যাচ খেলবে কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে। আর এই বিতর্কের মধ্যেই নতুন খবর সামনে আসছে। ইমামির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে সাত স্পনসর নিয়ে পরের মরসুমে নামতে পারে লাল-হলুদ ক্লাব। এমনটাই সূত্রের খবর।
ইস্টবেঙ্গলে ইনভেস্টর সমস্যা নতুন নয়। তবে ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক যে ভাল ছিল তা প্রায় সকলেই জানেন। বৃহস্পতিবার রাতে ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার জানিয়ে দেন, ইমামি ক্লাবকে জানিয়েছে অন্য কোনও ইনভেস্টর খুঁজে নিতে। যতদিন অন্য কোনও ব্যবস্থা ইস্টবেঙ্গল করতে না পারছে ততদিন তাঁরা কাজ চালিয়ে যাবেন। সেই সময় থেকেই চিড় ধরার বিষয়টি সামনে আসে। পাশাপাশি হোম গ্রাউন্ডের বিষয়টাও রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দেবব্রত সরকার জানিয়েছিলেন, তাঁরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। শোনা যাচ্ছে পরের মরসুমে ইমামি স্পন্সর হিসেবে থাকলেও ইনভেস্টর হিসেবে থাকবে না। সাতটা স্পনসর নিয়ে আইএসএল-এ নামতে পারে। সেক্ষেত্রে দল গঠন থেকে পরিচালনা সবটা ক্লাবের কাছেই থাকবে। শুধু তাই নয়, অল্প সময়ের মধ্যে ভারতীয় ফুটবলের এই টালমাটাল অবস্থায় সাতজন স্পনসর জোগাড় করা মুখের কথা নয়। খবর যদি সত্যি হয়, তবে সেটা বিরাট ব্যাপার।
তবে স্পনসরদের তালিকায় ইমামি রয়েছে বলেই সূত্রের খবর। আর সে কারণেই হয়ত কিশোর ভারতীতে খেলা নিয়ে উস্মা প্রকাশ করলেও, যে সময় ইমামি তাদেরকে সাহায্য করেছে, সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন ক্লাবের শীর্ষকর্তা। শোনা যাচ্ছে, ম্যাকডোয়েল রয়েছে এই তালিকায়। রয়েছে লোহিয়া গ্ৰুপও। ফলে বোঝাই যাচ্ছে লগ্নি নিয়ে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে সমস্যা হতে পারে এত স্পনসরকে সামলানো নিয়ে। সেটা কতটা ভালভাবে ম্যানেজ করতে পারবেন কর্তারা, সেটার উপর নির্ভর করছে ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যৎ।