scorecardresearch
 

Floating Car: গাড়িতে বুলেট ট্রেনের প্রযুক্তি, রাস্তায় প্রায় ভাসে এই ইলেকট্রিক গাড়ি

Floating Car: চিন, একটি নতুন টেকনোলজির উপর কাজ শুরু করে দিয়েছে। এই টেকনোলজিতে ইলেকট্রিক গাড়ির মাইলেজ বাড়ানো যেতে পারে। শুধু তাই নয়, এটির চাকা রাস্তা স্পর্শ  না করে কয়েক মিলিমিটার উপর দিয়ে দৌড়তে পারে। বলা ভাল ভাসতে পারে। 

গাড়িতে বুলেট ট্রেনের প্রযুক্তি, রাস্তায় প্রায় ভাসে এই ইলেকট্রিক কার গাড়িতে বুলেট ট্রেনের প্রযুক্তি, রাস্তায় প্রায় ভাসে এই ইলেকট্রিক কার
হাইলাইটস
  • গাড়িতে বুলেট ট্রেনের প্রযুক্তি লাগালো চিন
  • , রাস্তায় প্রায় ভাসে এই ইলেকট্রিক কার
  • রাস্তা থেকে ৩৫ মিলিমিটার উপর দিয়ে চলে

Floating Car: ফ্লাইং কার এবং বাইকের উপর এই সময় বিশ্ব জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন গবেষণা চলছে গাড়িকে আকাশ দিয়ে ওড়ানো যায় কি না তা নিয়ে। কিন্তু চিন, একটি নতুন টেকনোলজির উপর কাজ শুরু করে দিয়েছে। এই টেকনোলজিতে ইলেকট্রিক গাড়ির মাইলেজ বাড়ানো যেতে পারে। শুধু তাই নয়, এটির চাকা রাস্তা স্পর্শ  না করে কয়েক মিলিমিটার উপর দিয়ে দৌড়তে পারে। বলা ভাল ভাসতে পারে। ভবিষ্যতে কোন টেকনোলজির থাকবে এবং কোন টেকনোলজি মানুষ ব্যবহার করবে, তা এখনও কিছু বলা যায় না। কিন্তু ইলেকট্রিক কারের ব্যবহার যে খুব দ্রুত গতিতে বাড়ছে তা পরিষ্কার।

আরও পড়ুনঃ পুজোয় সস্তায় ঘুরে আসুন দার্জিলিং-কার্শিয়াং-কালিম্পং, কীভাবে ঘুরলে বাঁচবে খরচ?

গোটা দুনিয়ার পেট্রোল এবং ডিজেল গাড়ি থেকে মানুষের ঝোঁক ইলেকট্রিক গাড়ির দিকে আস্তে আস্তে সরে আসছে। সেটা ইলেকট্রিক গাড়ির বিক্রি বাড়ার হার দেখেই বোঝা যাচ্ছে। এই সমস্ত গাড়ির সমস্যা হল, ব্যাটারি এবং চার্জিং স্টেশন। সব জায়গায় ফাস্ট চার্জিং স্টেশন না থাকায় সিঙ্গেল চার্জে আপনি কত দূর নিয়ে যেতে পারবেন সে বিষয়ে একটা সন্দেহ থাকায় কিছুটা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে চিন ম্যাগলেভ (Maglev) টেকনোলজির উপরে কাজ করছে।

কী এই ম্যাগলেভ টেকনোলজি?

একাধিক দেশ, ট্রেনের ওপর এই টেকনোলজিতে কাজ করছে। সাউথ-ওয়েস্ট জিয়াটং ইউনিভার্সিটির (Southwest Jiaotong)  গবেষকরা প্যাসেঞ্জার গাড়িতে মডিফাই করেছে। এই গাড়িগুলি ম্যাগনেট এর সাহায্যে কন্ডাক্টর রোডে ১৪৩ মাইল প্রতি ঘন্টা গতিতে চালানো যেতে পারে। ম্যাগলেভ টেকনোলজি ব্যবহার করে রাস্তা থেকে ৩৫ এমএম উপরে দিয়ে চলে। চিন মিডিয়া একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। এই প্রোগ্রামের সঙ্গে জড়িত গবেষণা বলছে, যে প্যাসেঞ্জার গাড়ির মধ্যে ম্যাগলেভ টেকনোলজি ব্যবহার এনার্জির ব্যবহার কমবে। সঙ্গে ভেহিক্যালের রেঞ্জও বাড়বে।

কমার্শিয়াল ট্রেন এই ম্যাগলেভ টেকনোলজিতে কাজ করে

কিছু কমার্শিয়াল ট্রেন রয়েছে, যেখানে এই টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়। ম্যাগলেভ টেকনোলজি ব্যবহার করে ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে ইলেক্ট্রিফাই করে দেওয়া হয়। এতে গাড়ির আগে এবং পেছনে স্পিড বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়। এর ব্যবহার ১৯৮০ সাল থেকেই হচ্ছে। চিন, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রেন চালাচ্ছে। চিনে একটি বুলেট ট্রেন এই টেকনোলজি ব্যবহার করে ৩৭৩ মাইল প্রতি ঘন্টায় গতিতে চালানো হয়।

আরও পড়ুনঃ পুজোর আগে কমিয়ে ফেলুন ওজন, এভাবে হয়ে যান এক্কেবারে ছিপছিপে

কিছু সমস্যাও আছে

ম্যাগলেভ টেকনোলজির সাহায্যে আপনি কম এনার্জি খরচ করে হাইস্পিড ভেহিক্যাল মুভ করতে পারবেন ।কিন্তু এতে কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। যেমন ধরুন একই রাস্তায় একটি সাধারণ কার এবং ম্যাগলেভ কার একসঙ্গে চলছে। দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে। একটার সঙ্গে আরেকটি ধাক্কা লেগে যাওয়ার একটা বড় সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া অত্যন্ত কঠিন কাজ। লম্বা সময় এবং খরচের ব্যাপার রয়েছে।