scorecardresearch
 

সাঁতারুকে আক্রমণ হাঙরের, চোখের নিমেষে দু'টুকরো হয়ে গেল শরীর

Shark Attack-এর তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানাচ্ছে নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ। তারা দলে মানব দেহের অংশ পেয়েছে। ১৯৬৩ সালের পর সিডনি এই দ্বিতীয় হাঙরের হামলা। ১৯৬৩-তে হাঙরের হামলায় অভিনেত্রী Marcia Hathaway মারা গিয়েছিলেন। 

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
হাইলাইটস
  • হাঙরের আক্রমণে মৃত্যু
  • লাল হয়ে গেল সমুদ্রের জল
  • শিউরে উঠলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে এক সাঁতারুকে খেয়ে ফেলল হাঙর। সামুদ্রিক এই প্রাণীর হামলায় মৃত্যু হয়েছে ওই সাঁতারুর। ঘটনাটি দেখে শিউরে উঠেছিলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। জানা যাচ্ছে, হাঙরের হামলা থেকে বাঁচতে চিৎকার করে সাহায্য চেয়েছিলেন ওই সাঁতারু। কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শীরা অসহায় ছিলেন। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানাচ্ছেন, সাঁতারুর রক্তে লাল হয়ে যায় জল। সাঁতারুর দেহাংশ ছিল হাঙরের মুখের মধ্যে। পরে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা জল থেকে ওই সাঁতারুর দেহাংশ উদ্ধার করেন। 

ডেলি মেলের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরে সিডনির Little Bay Beach-এ সাঁতার কাটছিলেন ওই সাঁতারু। তখনই হঠাৎ ১৪ ফুটেরও বেশি একটি হাঙর তাঁর ওপরে হামলা চালায়। সাঁতারুর চিৎকারে সতর্ক হয়ে পড়ে উদ্ধারকারী দল। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গিয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সাঁতারুর দেহটি দু'টুকরো করে ফেলে হাঙরটি। 

জলে পাওয়া গেল দেহাংশ
Shark Attack-এর তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানাচ্ছে নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ। তারা দলে মানব দেহের অংশ পেয়েছে। ১৯৬৩ সালের পর সিডনি এই দ্বিতীয় হাঙরের হামলা। ১৯৬৩-তে হাঙরের হামলায় অভিনেত্রী Marcia Hathaway মারা গিয়েছিলেন। 

প্রত্যক্ষদর্শীদের কয়েকজন গোটা ঘটনাটি ক্যামেরায় রেকর্ড করেন। ফুটেজে এক মৎস্যজীবীকে চিৎকার করতে দেখা যাচ্ছে। তিনি চিৎকার করে বলছেন, 'এক্ষুনি একজনকে হাঙর খেয়ে ফেলছে।'

HORROR: Sydney, Australia suffered its first fatal shark attack in almost 60 years, after a swimmer died after suffering "catastrophic injuries," from a shark.

অপর একটি ভিডিওতে হাঙরটিকে সমুদ্রে এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াতে এবং নিজের শিকারকে জলের ভিতরে টেনে নামানোর চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছে। সমুদ্রের জল রক্তে লাল হয়ে যায় এবং মানুষ ভীষণই আতঙ্কে পড়ে যান। মৎস্যজীবী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, কেউই এখনও ঘটনার স্মৃতি ভুলতে পারেননি। 

আরও পড়ুনসময় কম-বাজেটও কম? দেশের এই হিল-স্টেশনগুলি ঘুরে আসুন, কাছেই এয়ারপোর্ট