scorecardresearch
 

বিয়েবাড়িতে কনেকে চড় বরের, প্রতিবাদে বরমালা দিলেন অন্য পাত্রের গলায়

বিবাহের লগ্ন পেরিয়ে গেলে 'অশুভ'। তাই কালক্ষেপ না করে নির্ধারিত লগ্নেই অন্য পাত্রকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন কনে। এই ঘটনা তামিলনাড়ুর। 

প্রতীকী ছবি। প্রতীকী ছবি।
হাইলাইটস
  • বিয়েবাড়িতে কনেকে চড় বরের।
  • বিবাহ ভাঙলেন তরুণী।
  • অন্য ব্যক্তির সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন।

বিয়েবাড়িতে অবাক কাণ্ড! নাচতে নাচতেই কনেকে সপাটে চড় মারলেন বর। অপমানিত হয়ে সঙ্গে সঙ্গে বিয়ে ভেঙে দেন কনে। বর মালা দেন অন্য পাত্রকে। এমন ঘটনাই ঘটেছে তামিলনাড়ুতে। 

জানা গিয়েছে, বিয়ের দিন মঞ্চে নাচছিলেন কনে ও বর। পাত্রপাত্রীর মাঝে এসে নাচতে শুরু করেন পাত্রীর ভাই। দু'জনের মাঝে তৃতীয় কাউকে মেনে নিতে পারেননি পাত্র। রাগের মাথায় কনেকে চড় মেরে দেন। সকলের সামনে গায়ে হাত তোলা সহ্য করেননি ওই তরুণী। সঙ্গে সঙ্গে বিয়ে ভেঙে দেন তিনি। ছাদনতলায় আর একজনের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন। ওই প্রবাদবাক্য আছে না,'জন্ম, মৃত্যু ও বিয়ে, তিন বিধাতা নিয়ে'। ঘটনাটি তামিলনাড়ুর কুড্ডালোর জেলার পনরুতির। কনেপক্ষ জানিয়েছে, সবার সামনে থাপ্পড় মারার পর আর ওই পাত্রের হাতে মেয়েকে তুলে দেওয়া সম্ভব ছিল না। 

আরও পড়ুন- প্রিয়াঙ্কার মতোই গর্ভ ভাড়া নিয়ে ২২ সন্তানের জননী এই মহিলা!

এ দিকে বিবাহের লগ্ন পেরিয়ে গেলে 'অশুভ'। তাই কালক্ষেপ না করে নির্ধারিত লগ্নেই অন্য পাত্রকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন কনে। তাঁর সিদ্ধান্তে মেনে নেন পরিজনরা। ধুমধাম করে বিবাহ সম্পন্ন হয়। 

উত্তরপ্রদেশে রাজি হননি কনে

এর আগে উত্তরপ্রদেশেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। বিয়ে করতে চাননি কনে। ২০২১ সালে হঠাৎ আলিগড়ে বিয়ে ভেঙে দিয়েছিলেন কনে। দু'পক্ষের মধ্যে শুরু হয় চরম বিতণ্ডা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে পুলিশকে ডাকতে হয়।        

আলিগড়ে সাত পাকে বাঁধা পড়ে গিয়েছিলেন কনে। সিঁদুরদানও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু হাতে হলুদ লাগানোর বিধি শুরু হওয়ার পরই বেঁকে বসেন নববধূ। সঙ্গে সঙ্গে বিয়ে ভাঙতে চান। আসলে বরের হাতের তিনটি আঙুল কাটা ছিল। নববধূর বক্তব্য, তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। আঙুল কাটার ব্যাপারটি আগে থেকে বলা হয়নি। কাটা আঙুল গোপন করে বিয়ের সম্বন্ধ ঠিক করেন পাত্রপক্ষ। 

আরও পড়ুন- কনেকে বরমালা পরাতে গিয়ে VIRAL হলেন বর, কেন?