মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়বগটুইকাণ্ডে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির ভূমিকা ও রিপোর্টের তীব্র সমালোচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমরা তদন্তে সবরকম সাহায্য করছি। গতকাল যে গ্রেফতার হয়েছ তাকেও আমরাই গ্রেফতার করেছি। কিন্তু বিজেপির রিপোর্ট তদন্তকে প্রভাবিত করবে। এর নিন্দা করছি। রিপোর্টে তারা দলের জেলা সভাপতির নাম নিয়েছে, এটা প্রতিহিংসামূলক আচরণ।"
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, "তদন্ত যখন চলছ, তখন সেখানে দল থেকে কোনও হস্তক্ষেপ উচিত নয়। এটা ক্ষমতার অপব্যবহার। এতে মানুষ তদন্তের ওপর থেকে আস্থা হারাবেন। বিজেপি ও কেন্দ্রের আচরণের নিন্দা করছি। এটা অবশ্যই বিজেপির চক্রান্ত, আর তা রিপোর্টেই দেখা যাচ্ছে।"
নাম না করে রিপোর্টে অনুব্রত মণ্ডলের নাম রাখা হয়েছে বলেও এদিন দাবি করেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন, "রিপোর্টে তারা জেলা সভাপতির নাম দিয়েছে। কীভাবে তারা জেলা সভাপতির নাম দিতে পারে? তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই নাম নিচ্ছে। তার মানে তারা তাকে গ্রেফতার করতে চায়। যারাই ওদের বিরোধিতা করে তাদেরই ওরা গ্রেফতার করতে চায়। তারা কী চাইছে, দেশে শুধু তারাই থাকবে, আর পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়াবে?"
প্রসঙ্গত, রামপুরহাটের বগটুইকণ্ডের প্রেক্ষিতে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং দল গড়ে দেয় বিজেপি। সেই কমিটিতে রাখা হয়, বিজেপি সাংসদ তথা উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি ব্রজলাল, সাংসদ তথা মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সত্যপাল সিং, সাংসদ তথা কর্ণাটকের প্রাক্তন পুলিশকর্তা কে সি রামমূর্তি, বাংলার বিজেপি সভাপতি তথা সাংসদ সুকান্ত মজুমদার ও প্রাক্তন পুলিশকর্তা ভারতী ঘোষকে। সেই দলই ঘুরে দেখে রামপুরহাটের বগটুই গ্রাম। কথা বলে স্বজনহারাজের সঙ্গে। এরপর আজ বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে জমা পড়ে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির রিপোর্ট।
আরও পড়ুন - মার্চের মধ্যে এই কাজগুলি না সারলে মাসের শেষে পুরো মাইনে পাবেন না!