প্রতীকী ছবিরাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা আরও মজবুত করতে পদক্ষেপ স্বরাষ্ট্র দফতরের। রাজ্যে নয়া ৮টি থানা তৈরির ঘোষণা করেছে নবান্ন। এই বিষয়ে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন থানাগুলি হল দক্ষিণেশ্বর, নাগেরবাজার, কামারহাটি, মোহনপুর, বাসুদেবপুর, শিবদাসপুর, হালিশহর ও জেটিয়া।
জানা গিয়েছে, বীজপুর থানা ভেঙে তৈরি হবে জেটিয়া থানা। বীজপুর ও নৈহাটি থানার একাংশ নিয়ে হবে হালিশহর থানা। নৈহাটি থানার আরও একটি অংশ নিয়ে তৈরি হবে শিবদাসপুর থানা। দমদম থানা ভেঙে তৈরি হবে নাগেরবাজার থানা। টিটাগড় থানা ভেঙে তৈরি হবে মোহনপুর থানা। পাশাপাশি জগদ্দল থানার একাংশ নিয়ে হবে বাসুদেবপুর থানা। অন্যদিকে বেলঘরিয়া থানা ভেঙে হবে দক্ষিণেশ্বর ও কামারহাটি থানা। খুব দ্রুত থানাগুলি কাজ করা শুরু করবে বলেও জানানো হয়েছে নবান্নের তরফে।
আর শুধু তাই নয়, ক্রমবর্ধমান সাইবার ক্রাইমে রাশ টানতে রাজ্য সরকার আরও নতুন পাঁচটি সাইবার থানাও তৈরি করছে। সেই থানাগুলি হবে রানাঘাট, কল্যাণী, ইসলামপুর, বনগাঁ এবং চন্দননগরে। প্রতিটি থানাকে ইতিমধ্যেই নির্দিষ্ট আদালতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
কিন্তু অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, বর্তমান রাজ্য সরকার এর আগেও থানার সংখ্যা বাড়িয়েছে। পাশাপাশি বাড়ান হয়েছে, কমিশনারেটের সংখ্যা। কিন্তু তাতে অপরাধ কি কমেছে? এই প্রসঙ্গে প্রাক্তন পুলিশ কর্তা নজরুল ইসলাম জানাচ্ছেন, 'পুলিশের কাজ যাতে অপরাধীরা অপরাধ করতে না পারে তা দেখা এবং কেউ যদি অপরাধ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করে তাকে আদালতে পাঠানো। আর এই কাজ ভালভাবে করার জন্য লোকের সংখ্যা বাড়ানো দরকার। কিন্তু যদি শুধুমাত্র থানার সংখ্যা বাড়ানো হয় এবং লোকের সংখ্যা বাড়ানো না হয়, তাহলে ভাল কিছু হবে না। শুধুামাত্র এটাই হবে যে কম দূরত্বে থানা থাকবে।' তাই তাঁর মতে, 'শুধুমাত্র বেশি করে থানা করলেই হবে না, পূরণ করতে হবে শূন্যপদ এবং বাড়াতে হবে পুলিশের সংখ্যা।'
আরও পড়ুন - ২০২২-এর এই ফলাফল ২০২৪-এর পরিণাম নির্ধারণ করে দিল : PM মোদী