সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস’ থেকে মাঝপথেই বেরিয়ে আসতে হয়েছিল ঝিলমকে। শো থেকে বেরিয়ে আসার পর নিজের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়ায় আপডেট দিতে থাকেন তিনি। কখনও হাসপাতালে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া, কখনও আবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর ভাগ করে নিয়েছিলেন অনুরাগীদের সঙ্গে।
এর আগে রাজবীরের সঙ্গে জিতুর একাধিকবার বিবাদ হয়েছে। নারীদের উদ্দেশ্যে করে তুই একটা মেয়েছেলে এবং পুরুষ হয়ে দেখার মতো মন্তব্য ঘিরেও অতীতে ধর্শকদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছিলেন। গুড়িয়া নিয়ে খেলার প্রসঙ্গেও জিতুর কথাবার্তা ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা হয়েছিল। এবার লাক্সারি বাজেট টাস্কে রাজবীরকে দীর্ঘ সময় জলে রাখার মন্তব্য সেই পুরনো অশান্তিগুলোকে ফের উসকে দিয়েছে।
বিয়ের তোড়জোড় একেবারে তুঙ্গে। শ্রুতি জানিয়েছেন, শ্যুটিংয়ের ফাঁকে ফাঁকেই চলছে বিয়ের সব প্রস্তুতি। কারণ হাতে সময় বড্ড কম। বিয়ের জন্য এক সপ্তাহের ছুটি চেয়েছেন অভিনেত্রী।
এক গানেই রাতারাতি স্টার হয়ে গিয়েছেন রোহিত। তবে জানেন কী গান নিয়ে প্রথাগত শিক্ষা নেই রোহিতের। কিন্তু তাও সঙ্গীত শিল্পী হওয়ার স্বপ্ন ছিল রোহিতের। এমনকী মোবাইলে নেট ভরার পয়সা ছিল না। মেট্রোর ওয়াই-ফাই থেকে গিটারের টিউটোরিয়াল ডাউনলোড করে গায়ক শিখেছিলেন গিটার।
প্রতি বৃহস্পতিবার মানেই যেন বাংলা টেলিভিশনের সিরিয়াল ও শোগুলোর রেজাল্ট আসার দিন। তারকা থেকে পরিচালক-প্রযোজকেরা সকলেই তীর্থের কাকের মতো এই দিনটার অপেক্ষায় থাকতেন। তবে বহুমাস ধরেই সেই TRP-এর দেখা নেই।
বিগ বস-এর টুইস্ট অনুযায়ী মনামীকে পাওয়ার দেওয়া হয়েছিল বাড়ির পাঁচজন নমিনেশনে অংশ নিতে পারবেন। সেই পাঁচজনের মধ্য়ে মনামীও থাকতে পারেন। মনামী সেই তালিকায় রেখেছিলেন সৌরভ, সোনামণি, নন্দিনী, নিরঞ্জন ও নিজেকে।
শনিবার দাদার দরবার শুরু হতে না হতেই দাবাং মেজাজে দেখা যায় সৌরভকে। এদিন রাজবীর ও দুর্নিবারকে তাঁদের আচরণের জন্য সতর্ক করেন দাদা সৌরভ। প্রয়োজনে বিগ বস তাঁদের বেরও করে দিতে পারেন বলে জানান তিনি। এরপর জিতু কমল ও রাজবীরের অশান্তি নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন। প্রথম থেকেই রাজবীরের একগুঁয়ে আচরণ একেবারেই পছন্দ ছিল না সৌরভের।
'বিগ বস'-এর ঘরে যেদিন প্রথম এন্ট্রি নিয়েছিলেন দুর্নিবার, সেদিন থেকেই তাঁর খেলা, স্ট্র্যাটেজি সবটাই দর্শকদের ভীষণভাবে মন জয় করে নিয়েছিল। প্রথম থেকেই দুর্নিবারকে নিয়ে দর্শকরা ছিলেন আশাবাদী। দুর্নিবারও তাঁর ভক্ত-অনুরাগীদের হতাশ করেননি। এই বাড়িতে ঝিলম, নীরঞ্জন ও সৃজলার সঙ্গে থাকতে দেখা যেত টলিপাড়ার এই গায়ককে।
অভিনয় থেকে অনেক কাল আগেই দূরে সরে যান তিথি। যদিও ২০২৪-২৫ সালে কিছু ছবিতে কাজ করেছিলেন। কিন্তু সেগুলো এখনও মুক্তি পায়নি। এক সাক্ষাৎকারে তিথি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে তিনি অনেকটাই সরে গিয়েছিলেন ইন্ডাস্ট্রি থেকে। যদিও সেটা তৃণমূল আমলে। তবে এখন পালা বদলের পর ফের ফিরতে আগ্রহী পর্দার ঝিলিক।
প্রেমের কাহিনী চলছিল অনেকদিন ধরেই। তবে তা প্রকাশ্যে আসতে একটু সময় নিল। আর পুজো মানেই তো রোম্যান্স-ভালোবাসা। টলিপাড়ার আলোচিত এই জুটি এবার একেবারে ধরা পড়ে গেছেন। না, আর কোনও রাখঢাক নেই। গোটা পুজোটাই একসঙ্গে কাটালেন সাহেব ভট্টাচার্য ও সুস্মিতা দে।
চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্টের ঘটনায় মৃত্যু ১৯ জন দর্শনার্থীর। সপ্তমীর সন্ধেতে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে আচমকা বৃষ্টি আসায় হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। আর এই হুড়োহুড়িতে পদপিষ্টের মতো ঘটনা ঘটে, যার জেরে প্রাণ হারাতে হয় ১৯ জন নিরীহ মানুষকে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ কলকাতাবাসী।