CPMবাংলার সঙ্গেই বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দক্ষিণের রাজ্য কেরলে। এই রাজ্যে লড়াইটা মূলত সিপিআইএম পরিচালিত এলডিএফ জোটের সঙ্গে কংগ্রেস পরিচালিত ইউডিএফ জোটের। তবে এবার জোড় টক্কর দিতে ময়দানে নেমেছে গেরুয়া শিবিরও। যদিও জনমত সমীক্ষা বলছে এবার মিথ ভাঙতে চলেছে কেরল। ফের একবার বামেদেরই সরকারে ফেরার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হচ্ছে।
কেরলে সাধারণত প্রতি বিধানসভা ভোটেই সরকারের পরিবর্তন হয়। একবারে ক্ষমতায় আসে বামেরা তো পরেরবার কংগ্রেস। গতবার কেরলে সরকার গড়েছিল এলডিএফ জোট। ২০১৬-এর কেরল বিধানসভা নির্বাচনে ৯১টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার নজির স্থাপন করে বাম গণতান্ত্রিক জোট। সিভোটেরের সমীক্ষা অনুযায়ী ট্র্যাডিশন ভেঙে ফের একবার ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বামেরা। রাজ্যে ক্ষমতার রঙবদলে শেষবার এমন পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল ১৯৮০ সালে। তারপর থেকে কোনওদিনই কেরলে কোনও শাসকদল বা জোট পরপর দু’দফায় ক্ষমতায় ফেরেনি।
কী বলছে সমীক্ষা?
১৪০টি আসনের কেরালা বিধানসভায় ক্ষমতায় আসতে প্রয়োজন ৭১টি আসন। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ১৪০টির মধ্যে ৭৭-৮৫টি আসনে জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে এলডিএফের, জানাচ্ছে সমীক্ষা। কংগ্রেস সমর্থিত ইউডিএফ জোট পেতে পারে ৫৪-৬২টি আসন। তবে সিভাটোরের সমীক্ষায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থা বিজেপির। অমিত শাহ-সহ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা নিয়মিত জনসভা করলেও দক্ষিণের এই রাজ্যে ২টির বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা বিজেপির নেই বলেই উঠে এসেছএ সিভোটারের সমীক্ষায়। এমতাবস্থায় সিভোটারে জনমত সমীক্ষার এই রিপোর্ট নিয়ে যথেষ্ট অস্বস্তিতে কেরল বিজেপি। আগামী ৬ এপ্রিল কেরলে একদফাতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ফল প্রকাশ হবে ২ মে।