দময়ন্তী সেন (বাঁদিকে), কলকাতা হাইকোর্ট। দময়ন্তী সেনের ছবি সৌজন্য: ফেসবুকCalcutta High Court on Rape Case Probe: রাজ্যে চারটি ধর্ষণের মামলা হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। হাইকোর্ট আরও নির্দেশ দিয়েছে যে এই তদন্তগুলি পুলিশ অফিসার দময়ন্তী সেনের তত্ত্বাবধানে করা হবে। এই চারটি ধর্ষণের ঘটনা হল উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা, মালদা, বাঁশদ্রোণী ও মাটিয়া।
প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বলেছেন, এখন পর্যন্ত এ সব মামলায় রাজ্য পুলিশের ওপর তাদের আস্থা রয়েছে।
মমতার বক্তব্য নিয়ে
নদিয়ার হাঁসখালি গণধর্ষণ মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে স্বতঃস্ফূর্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের এক আইনজীবী। বিষয়টি বিবেচনা করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।
আরও পড়ুন: ফিরহাদ থেকে মীনাদেবী- ভোটের তারাদের জয় মোটের ওপর মসৃণ পথেই
আরও পড়ুন: বিশ্বভারতীর ঘণ্টাতলা নতুন করে বানিয়ে দিল ASI, খুশি আশ্রমিকরা
মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছিলেন
সোমবার এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন যে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মৃত্যুর পাঁচ দিন পর কেন থানায় অভিযোগ করা হল? শেষকৃত্যও সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। এখন কোনও প্রমাণ পাব কীভাবে? আসলে ধর্ষণ হয়েছিল নাকি গর্ভবতী ছিল, নাকি অন্য কোনও কারণ ছিল? কেউ একজন চড় মেরেছিল।
আরও পড়ুন: বোল্ড লুকে 'ঝুমা বউদি', 'এমন করলে কী করে চলবে!' প্রশ্ন ফ্য়ানের
আরও পড়ুন: ২০২১ সালে ডবল টাকা ফিরিয়েছে এই কোম্পানিগুলো, দেখুন Top 10
সোচ্চার বিরোধীরা
এ নিয়ে তাঁর সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরি, সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। সিপিআইএম নেতা মহম্মদ সেলিম বলেন, একদিকে মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের বাহিনী, দুষ্টু ছেলেরা দুষ্টুমি করবে। আর এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটলেই তদন্তের আগে জানিয়ে দিতে হবে, এটা ধর্ষণ না।
শুভেন্দুর তোপ
মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কে নিজের মুখ ব্লিচিং পাউডার এবং ফিনাইল দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত। সোমবার এভাবেই তাঁকে আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাঁসখালি গ্রামে একটি নির্যাতিতার মৃত্যু ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর করা মন্তব্যকে তুলোধোনা তিনি।
হুগলিতে তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রীর লজ্জা করে না যে উনি একটি নির্যাতিতা মেয়ের ব্যাপারে এমন মন্তব্য করছেন? মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যে যতই নিন্দা করা যায়, সেটা হবে কম।