scorecardresearch
 

Cholesterol Signs : শরীরের এই ৫ জায়গায় ক্র্যাম্প ধরছে? কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ

Cholesterol Signs: কোলেস্টেরল হল একটা মোম জাতীয় পদার্থ। যা লিভারে তৈরি হয় এবং শরীরের প্রতিটি অংশে পাওয়া যায়। আমাদের শরীরে দুই ধরনের কোলেস্টেরল পাওয়া যায়। একটা ভাল কোলেস্টেরল এবং অন্যটি খারাপ কোলেস্টেরল।

শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ার কোনও লক্ষণ দেখা না-ও যেতে পারে (প্রতীকী ছবি) শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ার কোনও লক্ষণ দেখা না-ও যেতে পারে (প্রতীকী ছবি)
হাইলাইটস
  • কোলেস্টেরল হল একটা মোম জাতীয় পদার্থ
  • যা লিভারে তৈরি হয় এবং শরীরের প্রতিটি অংশে পাওয়া যায়
  • আমাদের শরীরে দুই ধরনের কোলেস্টেরল পাওয়া যায়

Cholesterol Signs: কোলেস্টেরল হল একটা মোম জাতীয় পদার্থ। যা লিভারে তৈরি হয় এবং শরীরের প্রতিটি অংশে পাওয়া যায়। আমাদের শরীরে দুই ধরনের কোলেস্টেরল পাওয়া যায়। একটা ভাল কোলেস্টেরল এবং অন্যটি খারাপ কোলেস্টেরল। 

যদি আমরা খারাপ কোলেস্টেরল সম্পর্কে কথা বলি, তবে এটা আমাদের ধমনীতে জমা হতে পারে। যার কারণে নানা ধরনের রোগ হতে থাকে। আমাদের শরীরে সুস্থ কোষ তৈরির জন্য কোলেস্টেরল প্রয়োজন। কিন্তু শরীরে এর পরিমাণ বেশি থাকায় হার্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া, ব্যায়াম না করা, অতিরিক্ত ওজন থাকা, ধূমপান ও মদ্যপানের কারণে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। কখনও কখনও এটা জেনেটিকও হয়। 

শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ার কোনও লক্ষণ দেখা না-ও যেতে পারে। তবে এর কারণে হতে পারে নানা মারাত্মক রোগ। ধমনীতে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্র্যাম্পের সমস্যায় পড়তে হয়। এটা পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজের (PAD) লক্ষণও হতে পারে। যা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধির কারণে ঘটে।

পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ কী, জেনে নিন
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ এমন একটা রোগ যেখানে আপনার মাথা, অঙ্গ এবং পায়ে রক্ত ​​বহনকারী ধমনীতে কোলেস্টেরল তৈরি হয়। এটা একটা সাধারণ সঞ্চালন সমস্যা, যাতে ধমনীগুলি খুব প্রসারিত হয়, যার কারণে পা এবং বাহুতে সঠিক পরিমাণে রক্ত ​​পৌঁছায় না। PAD-এর প্রধান কারণ হল বার্ধক্য, ডায়াবেটিস এবং ধূমপান।

শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধির লক্ষণ
ক্যালিফোর্নিয়া সান ফ্রান্সিসকো বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জারি বিভাগের মতে, শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি হলে বিভিন্ন ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়। যার মধ্যে একটা হল ক্র্যাম্প। কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধির কারণে, আপনাকে পা, উরু, নিতম্ব এবং হাতের বিভিন্ন অংশে ক্র্যাম্পের সমস্যায় পড়তে হতে পারে। 

কিছু সময়ের জন্য বিশ্রাম নেওয়ার পরে এই ক্র্যাম্পগুলো নিজে থেকেই ভাল হয়ে যায়। পেরিফেরাল ধমনী রোগের আরও অনেক লক্ষণ ও উপসর্গ রয়েছে। যার মধ্যে পায়ের ক্ষত খুব ধীরে বা অনেক সময় সারতে চায় না। এই সময় ত্বক হলুদ বা নীল দেখা দিতে পারে, পাশাপাশি এক পায়ের তাপমাত্রা অন্যটির চেয়ে বেশি বা কম হতে পারে। এর সঙ্গে নখের বৃদ্ধির গতিও খুব ধীর হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: টেকনোলজি ব্যবহার করে আনিসের দাদাকে হুমকি ফোন? দেখছে CID

আরও পড়ুন: ২৩ বছরের ছোট তরুণী দুনিয়ার সবচেয়ে বড়লোকের গার্লফ্রেন্ড

আরও পড়ুন: Jio ধামাকা! এক বছরের জন্য Disney + Hotstar ফ্রি, কত টাকার রিচার্জে?

এই সমস্ত লক্ষণগুলো ছাড়াও অনেকের মধ্যে পেরিফেরাল ধমনী রোগের কোনও লক্ষণ দেখা যায় না। এমন পরিস্থিতিতে আপনি যদি এই লক্ষণগুলোর মধ্যে কোনওটি দেখতে পান বা ব্যথার সম্মুখীন হন, তবে অবশ্যই ডাক্তারকে দেখান।

শরীরের ওপর হাই কোলেস্টেরল মাত্রা প্রভাব
উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণে রক্তের কোষে চর্বি জমতে শুরু করে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই চর্বি আরও বেড়ে যায়, যার কারণে কোষে রক্তের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায় এবং কিছুক্ষণ পরে বন্ধ হয়ে যায়। কিছু ক্ষেত্রে, এই চর্বি ছোট ছোট জমাট বাঁধে এবং সম্পূর্ণরূপে রক্ত ​​​​প্রবাহ বন্ধ করে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। সুতরাং, উচ্চ কোলেস্টেরল স্নায়ুতন্ত্র এবং হার্টকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে।

কীভাবে কোলেস্টেরল সংক্রান্ত সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়?
কোলেস্টেরল কমাতে ব্যবহার করা যেতে পারে এমন কিছু জিনিস রয়েছে। এর জন্য আপনার ডায়েটে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিবর্তে অসম্পৃক্ত চর্বি অন্তর্ভুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ। অলিভ অয়েল, সূর্যমুখী তেল, বাদাম এবং সিড বা বীজের তেলে স্বাস্থ্যকর চর্বি থাকে। মাছের তেলেও আসে স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি। এছাড়া প্রতিদিন ব্যায়াম করে কোলেস্টেরল কমাতে পারেন।

 

 
; ; ;