শুধু নবদম্পতিদের জন্যই নয়, যারা সঙ্গী বা পরিবারের সঙ্গে কিছুটা মানসম্মত সময় কাটাতে চান, তাদের জন্যও রয়েছে দারুণ সুযোগ। IRCTC এবার একদম জলের দরে নেপাল ভ্রমণের সুযোগ দিচ্ছে। নেপালের সৌন্দর্য যে অনন্য তা নতুন করে বলার নয়।
গত বছর মাত্র চারটি স্টল থাকলেও এবারে উৎসবের দ্বিতীয় বর্ষেই তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫-১৬টিতে। বক্সার সমস্ত গ্রামই এ বছর অংশ নিচ্ছে স্টল স্থাপনে। কোথাও মিলবে বিভিন্ন ধরনের খাবার, কোথাও পোশাক, আবার কোথাও থাকছে ডুকপা সমাজের হস্তশিল্প।
Kalimpong Offbeat Homestay: নেপালি হোমস্টে ঘর থেকে বেরোলেই ভেসে আসে ঝরনার শব্দ। সকালে পর্দা সরাতেই দেখা মেলে বরফঢাকা কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোরম দৃশ্য। বুর্মিকের এই নির্জন পাহাড়ি সৌন্দর্যই এখন পর্যটকদের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।
আমাদের ভারতেই রয়েছে ওয়াইন সিটি। এই শহরে রয়েছে চোখ ধাঁধানো সব পাহাড়। এখানকার মরসুম মনোরম। যার ফলে এখানে ফলে আঙুর। সেই আঙুর থেকেই তৈরি হয় ওয়াইন।
তবে গ্যাংটক জয়রাইড এবং চার্টার ফ্লাইটের ভাড়া আগের মতোই থাকবে। পরিবর্তন শুধুমাত্র বাগডোগরা-গ্যাংটক রুটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়েছে।
পশ্চিমঘাট পর্বতমালার মাঝখানে অবস্থিত, এই পরিকল্পিত পাহাড়ি শহরটি বিশেষভাবে ইতালীয় শহর পোর্টোফিনো দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি করা হয়েছে। আপনি যদি রোমান্টিক ভ্রমণ, সপ্তাহান্তে ভ্রমণ, অথবা প্রকৃতির মাঝে একটি শান্ত সময় কাটানোর পরিকল্পনা করেন, তাহলে লাভাসা আপনার জন্য উপযুক্ত গন্তব্য।
কড়াইশুঁটির অপেক্ষায় না থেকে আজই বানিয়ে ফেলতে পারেন দারুণ স্বাদের ছানার পুরভরা কচুরি। বানাতে সময় লাগে কম, খেতে অসাধারণ। ছুটির দিন হোক বা সন্ধের নাস্তা, দু’দিকেই একেবারে জমে যাবে।
Buxa Forest Butterfly Park: ২০১৭ সালে বন দফতরের উদ্যোগে তৈরি হওয়া চার একর জুড়ে এই উদ্যানটি প্রথমে পরিচিত ছিল প্রজাপতিদের আশ্রয়স্থল হিসেবে। বন দফতরের দাবি, এখানে এখনও পর্যন্ত দেখা মিলেছে ১৪১ প্রজাতির প্রজাপতির।
Laos Cheap Travel: ভারতের সঙ্গে লাওসের সম্পর্কও বেশ পুরনো। ঐতিহাসিকভাবে বলা হয়, প্রাচীন সময়ে ভারত থেকে বহু মানুষ পূর্বাঞ্চল পেরিয়ে বর্তমান লাওস অঞ্চলে বসতি গড়েছিলেন। সেই কারণে এখানকার বহু মানুষ নিজেদের সাংস্কৃতিক শিকড়কে ভারতীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করেন।
যারা মনে করেন বিদেশ ঘুরতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন, লাওস তাঁদের মিথ ভেঙে দিতে পারে। কারণ এই দেশে কোনও ভারতীয় ব্যক্তি ৫০ হাজার টাকা (ইন্ডিয়ান রুপি) ঘুরতে নিয়ে গিয়েও কোটিপতিদের মতো সুবিধা উপভোগ করতে পারেন।
Winter Destination Kalimpong: রেশমগাঁও যেতে চাইলে প্রথমে পৌঁছাতে হবে বাগডোগরা বিমানবন্দর বা এনজেপি রেলস্টেশনে। সেখান থেকে গাড়িতে কালিম্পং হয়ে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় এই গ্রামে।