দেশের সমতলে যখন সূর্যদেব অগ্নিবর্ষণ করছেন, তখন হিমাচলের পাহাড়ি ও উঁচু এলাকাগুলিতে তুষারপাতের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে ভিড় জমিয়েছেন হাজার হাজার পর্যটক। তীব্র গরম থেকে বাঁচতে এবং গরমের ছুটিতে বরফ ছোঁয়ার অদম্য ইচ্ছা নিয়ে আট থেকে আশি, সবাই এখন হিমাচলের পাহাড়ে।
Sikkim Mangan Chungthang Route Closed: ঘটনার খবর পেয়েই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে ছোটেন মঙ্গনের জেলাশাসক (DC) অনন্ত জৈন এবং পুলিশ সুপার (SP) এল বি ছেত্রী। তাঁরা পুরো এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাপ করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই পাহাড়ি রুট দিয়ে যাতায়াত করা পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দা উভয়ের জন্যই অত্যন্ত বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন।
Gorumara National Park Elephant Safari: বর্তমানে ধূপঝোরা এলিফ্যান্ট ক্যাম্প থেকে মাত্র তিনটি হাতি দিয়ে পর্যটকদের জঙ্গল ঘোরানো হয়। কিন্তু দিন দিন যেভাবে গরুমারায় হাতি সাফারির চাহিদা তুঙ্গে উঠছে, তাতে পর্যটকদের ভিড় সামাল দিতে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকেই আসরে নামানো হচ্ছে চতুর্থ হাতিটিকে। অর্থাৎ, এবার থেকে মোট চারটি হাতি দিয়ে জঙ্গল সাফারির মজা লুটতে পারবেন পর্যটকরা।
গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা শহরবাসীর। বিকেল হলে অনেকেরই ইচ্ছে হয়, একটু খোলা হাওয়ায় বেরিয়ে আসতে। নিরিবিলি সময় প্রকৃতির কোলে কাটাতে পছন্দ করেন বহু প্রকৃতিপ্রেমীই। তাঁদের জন্য সেরা অপশন হতে পারে কলকাতা থেকে মাত্র ৬০-৭০ কিমি দূরে অবস্থিতি 'মিনি দিঘা'।
শিয়ালদা বা হাওড়ার চেনা ভিড় এড়িয়ে আপনি বেছে নিতে পারেন কলকাতা স্টেশনকে। এখান থেকে নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) যাওয়ার জন্য সবথেকে সস্তা এবং সেরা ট্রেন হলো ১২৩৬৩ কলকাতা-হলদিবাড়ি এক্সপ্রেস। সকালের দিকে যে ক’টি ট্রেন উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়, তার মধ্যে এটি অন্যতম সেরা।
Sikkim Travel Restriction: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীর কাছে জ্বালানি সাশ্রয়ের যে আবেদন জানিয়েছিলেন, তাতে সাড়া দিয়ে বড়সড় পদক্ষেপ করল সিকিম সরকার।
PM Modi Demestic Travel Appeal: পরিসংখ্যান বলছে, ভারতীয়দের মধ্যে বিদেশে ছুটি কাটানোর প্রবণতা আকাশছোঁয়া। রাষ্ট্রপুঞ্জের পর্যটন বিভাগের ২০২৫ সালের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভারতীয়রা বিদেশ ভ্রমণে প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছেন। ২০১৯ সালে, অর্থাৎ অতিমারির আগে এই অঙ্কটি ছিল ২২.৯ বিলিয়ন ডলার।
Summer Vacation Destinations 2026: গরমের ছুটিতে মন ও শরীর জুড়োতে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ের কোলে এমন কিছু জায়গা আছে, যা আপনার ক্লান্তি ধুয়ে দেবে মুহূর্তেই। একঘেয়েমি কাটাতে ঝটপট ব্যাগ গুছিয়ে ঘুরে আসতে পারেন এই ৩ ঠিকানায়।
ঘুরতে যাওয়া অথবা কাজের সূত্রে হোটেলে থাকা এখন অত্যন্ত সাধারণ বিষয়। কিন্তু অনেক সময় অজান্তেই এমন কিছু কাজ করে ফেলেন অতিথিরা, যা হোটেলের নিয়ম ভঙ্গের পাশাপাশি আইনি সমস্যাও ডেকে আনতে পারে। তাই হোটেলের ঘরে ওঠার আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি।
Taj Mahal Crowd Control Plan: একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঠিক কতজন পর্যটক স্বচ্ছন্দে স্মৃতিসৌধের ভেতরে থাকতে পারবেন, যাতে স্থাপত্যের ওপর কোনও বাড়তি চাপ না পড়ে। পর্যটকদের হাঁটার ধরণ, প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ এবং ভিড়ের চাপে কম্পন বা কাঠামোর কোনও ক্ষতি হচ্ছে কি না, সবটাই খতিয়ে দেখছেন আইআইটি-র ইঞ্জিনিয়াররা।
শিলিগুড়ি থেকে মাত্র ১১২ কিলোমিটার আর জলঢাকা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই গ্রামটি নির্জনতাপ্রিয় মানুষের জন্য স্বর্গরাজ্য। চারদিকে সবুজের গালিচা, আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা আর দূর থেকে ভেসে আসা নদীর কলতান, সব মিলিয়ে প্যারেনে পা রাখলেই এক অদ্ভুত প্রশান্তি শরীরে ও মনে হিল্লোল বইয়ে দেয়।