Paparkheti Offbeat Tour Kalimpong: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০০ ফুট উঁচুতে গরুবাথানের কাছে অবস্থিত এই ছিমছাম পাহাড়ি গ্রামটি এখনও পর্যটকদের নজর থেকে অনেকটাই দূরে রয়েছে। এখানে এলে আপনার মন ও শরীর দুই জুড়িয়ে যাবে। সেই সঙ্গে আপনার মনে হতেই পারে যে কেন আপনি এতদিন এই অসাধারণ জায়গায় আসেননি।
শিবের দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম গুজরাতের সোমনাথ। অনেকেরই স্বপ্ন থাকে এই মন্দির দর্শনের। সেই সুযোগ করে দিচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। ১১০০ জন পুণ্যার্থীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে গুজরাতের সোমনাথ মন্দির দর্শনে পাঠাচ্ছে রাজ্য সরকার। আজ থেকেই শুরু হয়েছে সেই আবেদন। আপনিও যদি সোমনাথ দর্শনে যেতে চান তাহলে জেনে নিন পুরো পদ্ধতি।
Mongpu Darjeeling Travel Guide 2026: ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যায় যে মংপুর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত গভীর। ১৯৩৮ থেকে ১৯৪০ সালের মধ্যে কবিগুরু মোট চারবার এই মংপুতে এসেছিলেন। ১৯৩৮ সালের ২১ মে প্রথমবার কালিম্পং থেকে মংপুতে পা রাখেন তিনি। পাহাড়ের নিস্তব্ধতা, নির্মল পরিবেশ এবং প্রকৃতির অমোঘ টানে এই জায়গার সঙ্গে তাঁর হৃদয়ের সম্পর্ক আরও নিবিড় হয়ে ওঠে।
পাহাড়ের গা ছমছমে নীরবতার বুক চিরে এমন হাড়হিম করা অভিজ্ঞতার কথাই বারবার ফিরে আসে কার্শিয়ঙের ডাউহিলের নাম উঠলে, ভারতের অন্যতম সেরা মোস্ট হন্টেড বা ভূতুড়ে জায়গা হিসেবে ডাউহিলের কুখ্যাতি বহু বছরের, দেশ বিদেশের অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী পর্যটকদের কাছে তাই এই পাহাড়ি পথ চিরকালই এক পরম বিস্ময় ও কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু।
বন দফরের এই সম্ভাব্য সিদ্ধান্তের জেরে আগামী দিনে স্থানীয় স্তরে বড়সড় বিরোধ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ এই গ্রামের একটি বিশাল অংশের মানুষের রুটি রুজি জড়িয়ে রয়েছে এই পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে। দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকরা রাতে হোমস্টেগুলিতে থাকলে তবেই স্থানীয় পাহাড়বাসীদের আয়ের পথ সচল থাকে।
প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এই নির্জন গ্রামটি এক আদর্শ সাপ্তাহিক ছুটি কাটানোর ঠিকানা। সবচেয়ে বড় কথা হলো এই শান্ত নিরিবিলি গ্রামে বসে কাঞ্চনজঙ্ঘার সবচেয়ে সুন্দর ও জাঁকজমকপূর্ণ রূপ দেখা যায়। পাহাড় যেন সারাক্ষণ আপনাকে পাহারা দেবে।
Relikhola Kalimpong Travel Guide: সবুজ পাহাড়, ঘন জঙ্গল, বুনো পাখির ডাক, স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ নদী আর মেঘে ঢাকা সকালের মায়াবী রূপ নিয়ে রেলিখোলা এখন উত্তরবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় অফবিট পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠছে। শহরের ব্যস্ত জীবন থেকে ছুটি নিয়ে যারা একদম নিরিবিলি পরিবেশে মানসিক শান্তি খুঁজছেন, তাদের জন্য এই পাহাড়ি গ্রামটি এক্কেবারে আদর্শ জায়গা।
কুয়াশায় মোড়া পাহাড়, নদীর ধারের শান্ত পরিবেশ, নিরিবিলি সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী দুর্গের ধ্বংসাবশেষ, শহরের কোলাহল থেকে দূরে বর্ষার ছুটিতে ঘুরে আসার জন্য এই গন্তব্যগুলি হতে পারে আদর্শ ঠিকানা। কলকাতা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বেই এই ৭ স্পটে ঘুরে আসতে পারেন।
Manebhanjan To Sandakphu Distance: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,৩০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই শান্ত গ্রামটি একদিকে যেমন সিঙ্গালিলা ন্যাশনাল পার্কের প্রবেশদ্বার, তেমনই সান্দাকফু ও ফালুট ভ্রমণের প্রধান বেস ক্যাম্প। চারপাশে পাইন, ওক ও রডোডেনড্রনের জঙ্গল, মেঘে ঢাকা পাহাড় আর নিরিবিলি পরিবেশ মানেভঞ্জনকে নিজেই একটি আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত করেছে।
Bindu Tourism Kalimpong Landslide: একাধিকবার ধস সরানোর চেষ্টা হলেও টানা বর্ষণের কারণে বারবার নতুন করে ধস নামছে। ফলে এখনও রাস্তা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে পর্যটনের ওপর।
Kalimpong Duka Valley: ডুকা ভ্যালিতে থাকলে খুব সহজেই ঘুরে নেওয়া যায় উত্তরবঙ্গের একাধিক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এখান থেকে লাভা, রিশপ, দাঁড়াগাঁও, কোলাখাম, রামধুরা এবং মারুনগাঁও অনায়াসেই ঘুরে আসা যায়। তাই এক জায়গায় থেকে একাধিক দর্শনীয় স্থান দেখার সুযোগও মিলবে।