scorecardresearch
 
 
বিশ্ব

মানুষ কি ধ্বংসের পথে এগোচ্ছে? ১৯ বছর পরে নরক হয়ে উঠতে পারে জীবন

প্রতীকী ছবি
  • 1/12

বিশ্বকে কি ধ্বসের পথে এগিয়ে নিয়ে চলেছে মানুষ? এক রিপোর্টে অন্তত এমনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ১৯৭২ সালের একটি রিপোর্টকে ফের একবার বিশ্লেষণ করে এমনই আশঙ্কার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। যেখানে বলা হয়েছ ১৯ বছর পর, অর্থাৎ ২০৪০ সালে মানুষের জীবন কার্যত নরকে পরিণত হবে। মূলত মানুষ নিজের দায়িত্ব থেকে পালাচ্ছে বলেই এমনটা হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। (ছবি সূত্র-গেটি)

প্রতীকী ছবি
  • 2/12

১৯৭২ সালে দ্য লিমিটস টু গ্রোথ নামে একটি বই ছাপা হয়েছিল। যেখানে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির বৈজ্ঞানিকেরা দাবি করেছিলেন যে, যদি শিল্প সভ্যতা সর্বদাই অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হতে থাকে তবে একদিন সরকার পড়ে যাবে। পারস্পরিক সহযোগিতা শেষ হয়ে যাবে। যার জেরে, ভবিষ্যতে এমন ১২ টি সম্ভাব্য বিপর্যয় পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে যা কোনও মানব সম্প্রদায় বা দেশ তথা পৃথিবীর পক্ষে ভাল হবে না।
 

প্রতীকী ছবি
  • 3/12

সেই ১২টি সম্ভাব্য বিপর্যয়ের মধ্যে একটি হল ২০৪০ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর আর্থিক উন্নতি দ্রুত হবে। কার্যত শীর্ষে থাকবে। কিন্তু তারপর তার দ্রুত পতন হবে। একইসঙ্গে কমবে জনসংখ্যা। ঘাটতি হবে খাদ্য ও প্রাকৃতিক সম্পদের। 

প্রতীকী ছবি
  • 4/12

এরফলে মনুষ্য জাতি ধ্বংস হবে না। তবে অর্থ, খাদ্য ও প্রাকৃতিক সম্পদের অভাবে জীবন একপ্রকার নরকে পরিণত হবে। জীবনযাত্রার মান বিশ্বব্যাপী নেমে যাবে। সেই রিপোর্টটি নিয়ে ফের একবার বিশ্লেষণ করেন এমআইটি-র গবেষক গ্যারি হ্যারিংটন। যার রিপোর্ট ইয়েল জার্নাল অফ ইন্ডাস্ট্রিয়া

প্রতীকী ছবি
  • 5/12

গ্যরি গতবছরই হার্বার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হয়েছেন। তিনি বিশ্বের রিয়েল টাইম ডেটার সঙ্গে দ্য লিমিটস টু গ্রোথ-এর বিশ্লেষণ করেন। তাতে মূলত ১০টি বিষষয়ের ওপরে গুরুত্ব দেন তিনি। তারমধ্যে রয়েছে প্রজননের হার, জনসংখ্যা, দূষণ সহ বেশকিছু বিষয়। তিনি দেখেন গোটা বিষয়টি ১৯৭২-এর রিপোর্টের সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রেই মিলে যাচ্ছে। 
 

প্রতীকী ছবি
  • 6/12

গ্যারি বলেন, ওই রিপোর্টে একটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছিল, যাকে বলা হয়েছিল কমপ্রিহেন্সিভ টেকনোলজি। অর্থাৎ প্রযুক্তির উন্নতি এতটাই হবে যে তাতে দূষণ কমানো যাবে ও খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করা যাবে। ফলে প্রাকৃতিক সম্পদের অভাব দেখা দিলেও খাদ্যের অভাব হবে না। কিন্তু তাতে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও ব্যক্তিগত কল্যাণের ভাবনা ধাক্কা খাবে। 
 

প্রতীকী ছবি
  • 7/12

এর কারণ হল, যখন প্রাকৃতিক সম্পদ কমবে তখন আর্থিক বিকাশও দ্রুত নামতে থাকবে। ফলে সভ্যতার পতন হবে। গ্যার বলছেন, আজ থেকে ১০ বছর পর কার্যত অবিচ্ছিন্ন উন্নয়নের কোনও ধারণা পরিপূর্ণ হবে না, যা মানুষের ক্ষতি করবে।
 

প্রতীকী ছবি
  • 8/12

তবে গ্যারি বলছেন, এখনও দেরি হয়নি। এই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে মানুষকে সঠিক দিশায় কাজ করতে হবে। এর বিকল্প হল Stablilized World Scenario, অর্থাৎ দুনিয়ার স্থির পরিস্থিতি। তাতে জনসংখ্যা, দূষণ ও আর্থিক উন্নতি বাড়বে, তবে প্রাকৃতিক সম্পদ ধীরে ধীরে শেষ হবে। 
 

প্রতীকী ছবি
  • 9/12

প্রযুক্তিগত উন্নতির সঙ্গে যদি Stablilized World Scenario এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাতে সমাজের অগ্রাধিকারে পরিবর্তন আসবে। গ্যারির মতে মানুষকে নিজেদের মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিতে হবে। নীতি তৈরি করতে হবে। পরিবার ছোট রাখতে হবে। প্রয়োজন কমাতে হবে। জন্মের হার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এইসবের মধ্যে দিয়েই দেশ তথা পৃথিবী বাঁচবে। 
 

প্রতীকী ছবি
  • 10/12

Stablilized World Scenario-র গ্রাফের দিকে নজর দিলে দেখা যাবে, ২০ বছর পরেও জনসংখ্যার বিচারে খাদ্য থাকবে। দূষণ কম থাকবে। 
 

প্রতীকী ছবি
  • 11/12

গ্যারি বলেন কোভিড ১৯-এর সময় যখন ভ্যাকসিন তৈরি  ও সারা বিশ্বে পৌঁছে দেওয়ার বিষয় এসেছিল তখন গোটা বিশ্ব একতা দেখিয়েছিল। সামগ্রিক দায়িত্ব পালন করেছিল তেমনই যদি সব দেশ মিলে জলবায়ু সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করে তবে তা সম্ভব। 
 

প্রতীকী ছবি
  • 12/12

গ্যারির মতে, মানুষ যদি জনসংখ্যা, দূষণ, প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহারের গতি কমিয়ে দেয় তাহলে ২০ বছর পরেও সুরক্ষিত থাকতে পারবে। তার জন্য দরকার নিজেদের সীমারেখা তৈরি করা, যাতে মানব কল্যাণের ভাবনা পৃথিবী থেক মুছে না যায়।